শিরোনাম:
ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট ২০২১, ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮

Bijoynews24.com
মঙ্গলবার, ২০ জুলাই ২০২১
প্রথম পাতা » খুলনা | জাতীয় সংবাদ | ফটো গ্যালারী | বক্স্ নিউজ | মন্তব্য প্রতিবেদন / ফিচার | মিডিয়া | রাজনীতি | শিরোনাম » কুষ্টিয়ার রাজনীতিতে ১৬ দাগের প্রভাব : সাংবাদিকদের একাল - সেকাল
প্রথম পাতা » খুলনা | জাতীয় সংবাদ | ফটো গ্যালারী | বক্স্ নিউজ | মন্তব্য প্রতিবেদন / ফিচার | মিডিয়া | রাজনীতি | শিরোনাম » কুষ্টিয়ার রাজনীতিতে ১৬ দাগের প্রভাব : সাংবাদিকদের একাল - সেকাল
মঙ্গলবার, ২০ জুলাই ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কুষ্টিয়ার রাজনীতিতে ১৬ দাগের প্রভাব : সাংবাদিকদের একাল - সেকাল

 

---

শামসুল আলম স্বপন

২০.০৭.২০২১ : 

কুষ্টিয়া ভেড়ামারার ১৬ দাগ (ষোলদাগ) গ্রামটিই যেন রাজনীতির উর্বর ক্ষেত্র রত্না্গর্ভা এই গ্রামের মাটি যে মাটি জন্ম দিয়েছে অনেক কৃতিসন্তানকে তাঁর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাবেক ভুমিমন্ত্রী ব্যারিষ্টার আব্দুল হক, জাসদ সভাপতি সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এমপি, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, বর্তমান কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক, কুষ্টিয়া সদর আসনের এমপি জননেতা মাহবুব উল আলম হানিফ  জাতীয় পার্টির  কেন্দ্রীয় নেতা কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাবেক সংসদ সদস্য আহসান হাবীব লিংকন। ১৬ দাগে জন্ম গ্রহন করা নেতারা ভেড়ামারা-মিরপুর শুধু নয়  সময়ের ব্যবধানে তারাই নেতৃত্ব দিয়েছেন কুষ্টিয়া  জেলাকে  । এমনকি  অনেক দলের জাতীয় পর্যায়ের নেতাদের জন্ম ভেড়ামারার ১৬ দাগে

 কুষ্টিয়া-৩ আসন মিরপুর-ভেড়ামারা হলেও সকল দলেরই ভোট ব্যাংক  মিরপুর উপজেলা । মিরপুর থেকে যে যত বেশী ভোট টানতে পারেন তাঁর জয় লাভ তত সহজ হয়। যে করাণে সব সময় বিএনপি,আওয়ামীলীগ, জাসদের টার্গেট থাকে মিরপুরের ভোটারদের নিয়ে। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে সে দল চায় তাদের নেতা-কর্মী সমর্থক ছাড়া যেন অন্য কোন দলের নেতা-কর্মী-সমর্থক মিরপুর-ভেড়ামারায়  রাজনীতিতে সক্রিয় হতে না পারে । এ কারণে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব রয়েছে এ আসনে। যুগে যুগে রয়েছে এর প্রমাণ । রাজনৈতিক হামলা –মামলায় জর্জরিত সকল দলের নেতা-কর্মীরা।

 বিএনপি তখন ক্ষমতায় কুষ্টিয়ার প্রভাবশালী ক্ষমতাধর এমপি জেলা বিএনপি তৎকালীন সভাপতি  ১৬ দাগের সন্তান অধ্যাপক শাহিদুল ইসলাম তিনি সে সময় ছিলেন কুষ্টিয়ার দন্ডমুন্ডের কর্তা ।  তাঁর হুকুম ছাড়া প্রশাসনের সাধ্য ছিলো না কারো পক্ষে কিছু করার কুষ্টিয়া আসন মিরপুর-ভেড়ামারায় বিএনপি সমর্থক ছাড়া আর কোন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা বাস করুক বা রাজনীতি করুক তা চায়নি বিএনপি সে সময়কার একাট্টা নেতারা

বিএনপি দুটি শাসনামলে (১০ বছর) জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, জাতীয় পার্টির সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক সংসদ সদস্য আহসান হাবীব লিংকন, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ কেউই তখন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে যেতে পারেননি নিজ এলাকায়। ভেড়ামারায় আলম মালিথা আর মিরপুরে রব্বানীর ক্যাডার বাহিনীর কাছে তখন সবায় ছিল অসহায়। প্রশাসন ছিলো নীবর দর্শক।

দিনক্ষণ মনে নেই, মিরপুর উপজেলা মাঠে জাতীয় পার্টির জনসভা হবে।
জাতীয় পার্টির সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক সংসদ সদস্য  ১৬ দাগের সন্তান আহসান হাবীব লিংকন থাকবেন ওই জনসভায় প্রধান অতিথি বিএনপি নেতারা তাঁকে জনসভা করতে দেবনে না। তুমুল উত্তেজনা সংঘর্ষ হতে পারে প্রশাসন সুত্রে এমন খবর পেয়ে সংবাদ সংগ্রহের জন্য গেলাম মিরপুরে তৎকালীন মিরপুর প্রেসক্লাব নেতা বাবলু রঞ্জন বিশ্বাস    মোহাম্মদ আলী জোয়ার্দার । জনসভা মাঠ সংলগ্ন মিরপুর প্রেসক্লাবে অত্যন্ত সমাদর করে বসতে দিয়ে সাংবাদিক নেতারা  বললেন এখান থেকে সব শোনা যাবে ষ্টেজের কাছে যাওয়ার দরকার নেই পরিস্থিতি খুব একটা ভালো না। জনসভার প্রধান অতিথি  সবে মাত্র ষ্টেজে এসে পৌছালেন। মাঠে বেশ জন সমাগম। এর মধ্যে বিএনপি কয়েকশত কর্মী মিছিল করে এসে জনসভা পন্ড করার চেষ্টা করছিলো তাদের শ্লোগান ছিলোলিংকনের চামড়া তুলে নিবো আমরাজাতীয় পার্টির জনসভা করতে দেয়া হবে না হবে না

এমন জোরালো শ্লোগান শুনে জনসভায় আসা লোকজন মাঠ ছাড়ার উপক্রম তখনও সভা শুরু হয়নি। সম্ভবত পরিস্থিতি বুঝতে পেরে জাতীয় পার্টি নেতা আহসান হাবীব লিংকন চেয়ার থেকে উঠে এসে নিজেই মাইক ধরলেন তিনি বললেন ভাইসব আপনারা বসুন,  বিএনপি যতই বাধা দিক জনসভা হবেই কথা বলেই তিনি শুরু করলেনমিরপুরের ভাই-বোনেরা আপনারা নিজ কানে শুনলেন ওরা আমার চামড়া তুলে নিতে চায় আমি বলতে চাই, ছোট বেলায় আমার বাবা হাজামত ডেকে রীতিমত অনুষ্ঠান করে চামড়া কাটিয়েছেন ওরা আবার আমার কিসের চামড়া কাটতে চায়? কথা শুনে হাসির রোল পড়ে গেল জনসভায়

বিএনপি দুটি শাসনামলে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু কিংবা আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ রাজনৈতিক জনসভা করা তো দুরে থাক বছরের ২টি পবিত্র ঈদেও বাড়িতে এসে আত্মীয় স্বজনের  সাথে নিয়ে শান্তির সাথে ঈদ উদ্যাপন করতে পারেননি

বিরোধী দল শুধু নয়, বিএনপি সদস্য মিরপুরের সন্তান তরুন শিল্পপতি এম,,খালেক বিএনপি থেকে মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করার ঘোষণা দেয়ায় তাকে মাঠ ছাড়া করতে সব রকম ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল সে দিন। এম,,খালেক একদিন তাঁর সমর্থকদের নিয়ে এক বিশাল মোটর শোভাযাত্রা বের করেন ভেড়ামারা থেকে। আমরা সংবাদ সংগ্রহের জন্য ওই বহরে ছিলাম।

মিরপুর উপজেলার কাছাকাছে আসার সাথে সাথে বিএনপির তৎকালীন ক্যাডার ইব্রাহিমের নেতৃত্বে কয়েকশত বিএনপি কর্মী হামলা চালিয়ে এম,, খালেকের গাড়ি বহরে। বেশ কিছু গাড়ি ভাংচুর অগ্নি সংযোগ করে তারা।

ওই সংবাদ প্রকাশ করায় সেদিন অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম ক্ষুদ্ধ হয়ে মিরপুর বিএনপি নেতা রব্বানীর ভাই ইব্রাহিম তারঁ অনুগত কুষ্টিয়া বিআরটিএর কর্মকর্তাকে দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে একদিনে ৭টি চাঁদাবাজির মামলা করিয়েছিলেন। আমার সাথে আসামী করা হয়েছিল দৈনিক প্রথম আলো তৎকালীন কুষ্টিয়া প্রতিনিধি তারিকুল হক তারিক, দৈনিক আজকের আলো সম্পাদক গাজী মাহবুব রহমান,আজকের আলো পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জামাল উদ্দিন হায়দারীসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিককে।
কুষ্টিয়ার সাংবাদিকদের উপর হামলা- মামলার বিষয়টি দেশের অধিকাংশ পত্র -পত্রিকা বিদেশের পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে আন্তর্জাতিক সাংবাদিক সংস্থা বিএফজের সদস্য  (চার) লক্ষ সাংবাদিক আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে সমর্থন দিয়েছিলেন এবং মামলা প্রত্যাহার করে নেয়ার জন্য সরকারকে চাপ দিয়ে ছিলেন।

যা দি ডেইলী ষ্টারে ওই সময় প্রকাশিত হয়েছিল। তখন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী এম,শামসুল হকের কক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবের নেতা রিয়াজ রহমান শওকত মাহমুদের নেতৃত্বে অধ্যাপক শহিদুল ইসলামের সাথে কুষ্টিয়ার সাংবাদিকদের সমঝোথা বৈঠক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সকল মামলা প্রত্যাহার করে নেন তিনি। বিএনপি দুটি আমলে শুধু আমার বিরুদ্ধেই  ১২টি জিডি ১৭টি উদ্দেশ্য প্রণোদিত মামলা করা হয়েছিল যা আদালতে নিষ্পত্তি হয়ে যায়

বিএনপি’র আমল । প্রভাবশালী নেতা ১৬ দাগের অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম। সে সময় কুষ্টিয়ার সরকারী কলেজের মাঠে  ছাত্রদলের ছত্রছায়ায় চলছে জুয়ার মেলা । এ বিষয়ে সাংবাদিক আল মামুন সাগর নিউজ পাঠাচ্ছেন ঢাকায় । এ সংবাদ জেনে কুষ্টিয়া মডেল থানার সামনে জুসি ফটোষ্ট্যাটের দোকানের ভিতর সাগরকে বাঁশ দিয়ে পেটালো অধ্যাপক শহিদুল ইসলামের ক্যাডার ছাত্রদলের  এক নেতা। কিছুই করার ছিলনা তখন । সাংবাদিকরা তখন অসহায় ।

তখন মানবজমিনের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি হাসান জাহিদ । শিলাইদহ কুঠিবাড়ির অনুষ্ঠানে তাকে চরম ভাবে লাঞ্চিত  করলেন অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম নিজে। উল্টো  মামলার আসামী করা হলো সাংবাদিক হাসান জাহিদকে   কুষ্টিয়া থেকে বিতাড়িত করা হলো দৈনিক আন্দোলনের বাজার প্ত্রিকার প্রকাশক সম্পাদক মুন্জুর এহসান চৌধুরী ,সাংবাদিক হাসান জাহিদ , আল মামুন সাগর সহ কয়েকজন সাংবাদিককে। এক মাসেরও বেশী সময় তারা আত্মগোপন করে থাকতে বাধ্য হন ঢাকাতে।  এর প্রতিবাদে কুষ্টিয়া পাবলিক লাইব্রেরীর মাঠে এসে ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা শ্রদ্ধেয় ইকবাল সোবহান চৌধুরী,সাংবাদিক নেতা ওমর ফারুখ সহ বেশ কয়েকজন  সাংবাদিক নেতা । সে দিন ১৬ দাগের সন্তান বিএনপির প্রভাবশালী নেতা অধ্যাপক শহীদুল ইসলামের নেতৃত্বে বিএনপি ক্যাডাররা সেদিন  সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে রক্তাক্ত করেছিলেন । আহত হয়েছিল সাংবাদিক মুন্সি তরিকুল ইসলাম, আল মামুন সাগর,হাসান জাহিদ সহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিক

সে সময় পরিস্থিতি এতটায় ভয়াবহ ছিল যে, উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে এসে কুষ্টিয়াতে অবস্থান করতে পারেননি সাংবাদিকরা । ১৬ দাগের ওই নেতার কাছে তখন মিডিয়া ছিল অসহায়।

বিগত পৌর নির্বাচনে মিরপুর পৌরসভার বিএনপির প্রার্থী রব্বানী যখন  বললেন আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসী বাহিনী আমার নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি করছে । তারা মাঠে নামতে দিচ্ছে না। তখন বলতে বাধ্য হয়েছিলাম   তোমার নেতা ১৬ দাগের কৃতিসন্তান অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম যখন ক্ষমতায় তখন তুমি ছিলে তো মিরপুরের স্ব-ঘোষিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ।  তুমি জামায়াত –শিবিরদের সাথে নিয়ে  আওয়ামীলীগ ও জাসদের নেতা-কর্মীদের কি করেছিলে তাকি তোমার মনে পড়ে ? তোমার কাছে সাংবাদিকরাও কি সেদিন নিরাপদ ছিল ? আমাদের মনে রাখা দরকার সময় সবার এক রকম যায় না ।

তবে কুষ্টিয়ার সাংবাদিকরা এ কথা স্বীকার করতে বাধ্য যে তারা সে কালের থেকে একালে অনেকটা নিরাপদ।  সেই পবিত্র মাটি ১৬ দাগের কৃতিসন্তান জননেতা মাহাবুব উল আলম হানিফ এমপি একজন মিডিয়া বান্ধব ব্যক্তি । তিনি সাংবাদিকদের পক্ষেই কাজ করছেন বরাবর।  কুষ্টিয়ার ৩৫টি পত্রিকার ডিক্লিয়ারেশন যাতে বাতিল না হয় তার জন্য চেষ্টা করছেন তিনি । ধন্যবাদ জানিয়ে তাঁকে খাটো করতে চাই না। তার কাজের মূল্যায়ন হবে ভবিষ্যতে এ কথা বলতে পারি।

 

 পরিশেষে আমি বলতে চা্ই  কুষ্টিয়ার রাজনীতিবিদরা আমাদের গর্ব ১৬ দাগের সকল কৃতি সন্তান আমাদের অহংকার রাজনীতির অর্থ যদি হয় জনগণের কল্যাণ করা তা হলে আমি অনুরোধ করবো ১৬ দাগের গর্বিত সন্তানদের কাছে প্রতিহিংসার রাজণীতি  নয় আসুন দলমত নিরবি শেষে কুষ্টিয়াবাসীর কল্যাণে আমরা সকলেই আত্মনিয়োগ করি একসাথে । কুষ্টিয়া জেলার সকল মিডিয়া কর্মীদের কেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানবো  জেলার উন্নয়নের সারথী হিসেবে।  বিরোধীতা নয় আসুন কুষ্টিয়ার উন্নয়নে বর্তমান সরকারকে সহযোগিতা করি সকলে মিলে।  জয় হোক ১৬ দাগের।



লেখক :
শামসুল আলম স্বপন
সভাপতি
 কুষ্টিয়া সিটি প্রেসক্লাব
মোবাইল : ০১৭১৬৯৫৪৯১৯



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
কুষ্টিয়ায় আরো ৯ জনের মৃত্যু, শনাক্তের হার ৪২.৬৬
মৌলভীবাজারে স্ত্রীর চুলের খোপা কেটে স্ত্রী নির্যাতন ! নির্যাতনকারী স্বামী আটক
গাইবান্ধায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে পৃথক ৩৯ মামলায় ৩১ হাজার ৮শ’ টাকা জরিমানা
ধর্ষণশেষে স্কুলছাত্রীকে বাড়িতে দিয়ে গেল যুবক, বাবার মামলা
কুষ্টিয়ায় হাতুড়ি বাহিনীর হামলায় ঠিকাদার আহত
চিলাহাটি-হলদিবাড়ি দিয়ে নিয়মিত পণ্যট্রেন উন্মুক্ত হচ্ছে
কুষ্টিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর লাশ উদ্ধার
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
বাসায় মদের বার, মডেল মৌ আটক
আফগানিস্তানের প্রধান তিন শহর ঘেরাও করল তালেবান, চলছে লড়াই
কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদীতে ডুবে দুই কলেজ ছাত্র নিখোঁজ
পঞ্চগড়ে ২১টি গাঁজার গাছসহ ব্যবসায়ী আটক
মানবিক সহায়তা হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
শোকাবহ আগস্টের প্রথম দিন আজ
স্ত্রী তালাক দেয়ায় শ্যালিকাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ, ফেসবুকে ভিডিও
ব্ল্যাকমেইলের ফাঁদে চলত টাকা আদায়
ডোমারে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কৃষকরা বিপাকে
শোকাবহ আগষ্টে কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামীলীগের শোক ও কর্মসূচী ঘোষণা
সরওয়ার জাহান বাদশাহ্ এমপির পিতার মৃত্যুতে মাহবুবউল আলম হানিফ এমপির শোক
জাহাজ জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, সেনাবাহিনীকে প্রস্তুতির নির্দেশ কিমের