শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ১০ শ্রাবণ ১৪২৮

Bijoynews24.com
রবিবার, ২৮ মার্চ ২০২১
প্রথম পাতা » অপরাধ চিত্র | খুলনা | জাতীয় সংবাদ | বক্স্ নিউজ | রাজনীতি | শিরোনাম » ঝিনাইদহের কুখ্যাত মানব দালাল টিটোর খপ্পরে পড়ে আনোয়ারের আত্মহত্যা, নিজেকে হত্যা করেও মেলনি ঋন মুক্তি!
প্রথম পাতা » অপরাধ চিত্র | খুলনা | জাতীয় সংবাদ | বক্স্ নিউজ | রাজনীতি | শিরোনাম » ঝিনাইদহের কুখ্যাত মানব দালাল টিটোর খপ্পরে পড়ে আনোয়ারের আত্মহত্যা, নিজেকে হত্যা করেও মেলনি ঋন মুক্তি!
রবিবার, ২৮ মার্চ ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ঝিনাইদহের কুখ্যাত মানব দালাল টিটোর খপ্পরে পড়ে আনোয়ারের আত্মহত্যা, নিজেকে হত্যা করেও মেলনি ঋন মুক্তি!

---
স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ-
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কুমড়াবাড়িয়া গ্রামের মাহমুদ আলীর ছেলে আনোয়ারের স্বপ্ন ছিল বিদেশ যেয়ে টাকা কামিয়ে পরিবারকে স্বচ্ছল করবে। দারিদ্রতার অভিশাপ মুক্ত হয়ে গড়বে সুখের জীবন-সংসার। রঙ্গিন স্বপ্ন দেখা আনোয়ারের আর হয়নি। মানব দালাল টিটোর খপ্পরে পড়ে দায়-দেনায় জড়িয়ে শেষে আত্মহত্যা করেছেন। তারপরও ঋণ থেকে মুক্ত হতে পারেনি। এদিকে স্বামী আত্মহত্যার পরে ৩ বছরের ছেলেকে নিয়ে স্ত্রী শ্বশুর বাড়িতে চলে যান। সেখানে গিয়ে আবার বিয়ের পিড়ীতে বসেন। মৃত আনোয়ারের ভাইয়েরা আজও দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। চোখের পানিতে জীবন কাটছে আনোয়ারের মায়ের। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ২০১৭ সালে লিবিয়ায় যাওয়ার জন্য কুমড়াবাড়িয়া গ্রামের মৃত ইউছুপ আলীর ছেলে কুখ্যাত মানব দালাল শাহিনুর রহমান টিটোর বোন শিউলি ও ভগ্নিপতি আব্দুল খালেকের মাধ্যমে ৩ লাখ টাকা দেয় আনোয়ারের পিতা মাহমুদ আলী। দালাল টিটো কথা দেয় দেড় মাসের মধ্যে সব কাগজ ঠিক করে লিবিয়ায় পাঠিয়ে দেব। আনোয়ার হোসেন এনজিও থেকে কিস্তি তুলে এই টাকা দেন। এছাড়া শ্বশুর বাড়ি ও আত্মিয় স্বজনের কাছ থেকে ধার করে মোট ৩ লাখ টাকা জোগাড় করেন। দিন যত যায় আনোয়ারের ঋনের বোঝা বাড়তে থাকে। ২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর পাওনাদারদের চাপ, সংসারের অভাব ও হতাশায় বিষপান করে আত্মহত্যা করে আনোয়ার। সাড়ে ৩ বছর বয়সেই এতিম হয় আনোয়ারের ছেলে। পরিবার দালাল টিটোর নামে আত্মহত্যার প্ররোচণার মামলা করতে চাইলে এক সপ্তাহের সময় নেয় দালাল টিটো। তখন সে বলে এক সপ্তাহের মধ্যে ৩ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে দেবে। কিন্তু আজ দেব কাল দেব কে আড়াই বছর পার হলেও টাকা দেয়নি টিটো। টাকা চাইতে গেলে উল্টো আনোয়ারের বাবা-ভাইকে হত্যার হুমকী দেয়। পুলিশের রেকর্ড সুত্রে জানা গেছে, বর্তমানে মানব পাচারকারী শাহিনুর রহমান টিটোর বিরুদ্ধে আদালতে মানবপাচার ও প্রতারণার অভিযোগে ৮টি মামলা চলমান রয়েছে। মানবপাচার মামলায় জেল খেটে বেরিয়ে আনোয়ারের পরিবারকে মামলা তুলে নিতে আবারও হুমকি ধামকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কুমড়াবাড়িয়া গ্রামের বটতলা বাজারে এক দোকানদার জানান, জামিনে মুক্ত হয়ে টিটো এলাকায় ফিরে আসলে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। টিটো অনেকের কাছ থেকেই টাকা নিয়ে এভাবে প্রতারতণা করেছে। তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে কেও মুখ খুলতে চাইছে না। গ্রামবাসি জানায় একই গ্রামের ওহিদুলের ছেলে জয়নাল ও আবজাল শেখের জামাই হাজিডাঙ্গা গ্রামের রুবেল কাছ থেকেও একইভাবে টাকা নিয়ে বিদেশ পাঠাতে পারেনি দালাল টিটো। তাদের টাকাও ফেরৎ দেওয়া হচ্ছে না। জয়নালের স্ত্রী এ প্রতিবেদককে জানান, আমাদের কাছ থেকে নগদ এক লাখ টাকা নেয়। কথা ছিল কাগজপত্র তৈরি করে বাকি টাকা নেবে। তিন বছর ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে এখনো কাগজপত্র তৈরি করতে পারেনি। আমরা টাকা ফেরত চাইলে দিচ্ছে না। আবজাল শেখের স্ত্রী (রুবেলের শাশুড়ি) জানান, দালাল টিটো শুধু আমার জামাইয়ের কাছ থেকে নয়, পানি পথে বিদেশ পাঠানোর নামে বহু লোকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে সর্বশান্ত করে দিয়েছে।

ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগ ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের গ্যারান্টির
“তিন বছরের গ্যারান্টি দিয়ে তৈরী বিশ্বমানের রাস্তা এক বছরেই শেষ”!

 ---

 

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ-

 

ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগ ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের “ তিন বছরের গ্যারান্টি দিয়ে বিশ্বমানের রাস্তা, পদ্মা সেতুর মতো মজবুত, ৭/৮ বছর স্থায়ী হবে” ইত্যাদী সব প্রতিশ্রুতির বানী ও চটকদার বক্তব্য দিয়ে তৈরী করা ২০ কোটি ৮৫ লাখ টাকার রাস্তা বছর না ঘুরতেই নষ্ট হতে শুরু হয়েছে। ঠিকাদারের নিয়ন্ত্রনে থাকা রাস্তাটি এখন ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগ গাঁটির টাকা ব্যায় করে মেরামত করছে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ঝিনাইদহের আরাপপুর থেকে শেখপাড়া বাজার পর্যন্ত ৯.৫৫ কিলোমিটার এবং আরাপপুর ব্রিজ এপ্রোজ থেকে আল হেরা বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত ৪.২২৫ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের দায়িত্বপায় আবেদ মনসুর কনস্ট্রাকশন। প্রতিষ্ঠানটি ২০ কোটি ৮৫ লাখ ৮৬ হাজার টাকা ব্যয়ে এই সড়কটি নির্মাণ করে। ২০২০ সালের মার্চ মাসে এই নির্মাণ কাজ শেষ করে। তবে করোনার ঢেও শুরু হলে কাজ বন্ধ রাখে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি। পরে কিছু কাজ করেই লাপাত্তা হয়। ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগের এসডি মুকুল জ্যোতি বসু জানান, বিভিন্ন কিলোমিটারে যে কাজ ফেলে রাখা হয়েছে তার মুল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা। বিশেষ করে শৈলকুপার ভাটই ও শেখপাড়া অংশে চরম দুরাবস্থা বিরাজ করছে। তিনি বলেন, কাজ অসমাপ্ত রেখে গত এক বছর আগেই “আবেদ মনসুর কনস্ট্রাকশন” চলে গেছে। তাদেরকে বহু চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠির জবাব পর্যন্ত দেয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে আমরা ভাঙ্গাচোরা রাস্তা মেরামত করে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখছি। এদিকে গত কয়েক মাস ধরেই ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগের এসও গোলাম সারোয়ার ঠিকাদারের নিয়ন্ত্রনে থাকা রাস্তা মেরামত করছেন। ঝিনাইদহ শহরের হামদহ ট্রাক টার্মিনাল এলাকার নতুন নির্মিত রাস্তার সাইট উঠিয়ে মেরামত করা হয়েছে। এ সব রাস্তা তিন বছরের গ্যারান্টি দিয়ে করেছিল আবেদ মনছুর কনস্ট্রাকশন। অথচ ওই রাস্তা ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগ গাঁটির টাকা ব্যায় করে ঠিকাদারের নিয়ন্ত্রনে থাকাবস্থায় মেরামত করা হচ্ছে। এছাড়া নওগাঁর মেসার্স আমিনুল ইসলাম কনস্ট্রাকশনের নির্মিত নতুন রাস্তাটিও ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগের যশোর-ট-১৩৬ নাম্বারের গাড়ি দিয়ে মেরামত করা হচ্ছে। এসও গোলাম সারোয়ারের নির্দেশে আলহেরা স্কুল থেকে লাউদিয়া, যুব উন্নয়ন অফিস ও মুক্তিযোদ্ধা মসিউর রহমান কলেজ পর্যন্ত মেরামত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে এসও গোলাম সারোয়ার জানান, ঠিকাদার তো লাপাত্তা। তাদের বহুবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। তারা চিঠির কোন জবাব দেয় না। তাই রাস্তা ঠিক রাখতে সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে মেরামত করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার পারভেজ বলেন, “আবেদ মনসুর কনস্ট্রাকশন” কাজ ফেলে রেখে চলে গেছে। অনেক পয়েন্টে তারা কাজ করেনি। তাদেরকে প্রচুর চিঠি দেওয়া হয়েছে, কোন জবাব নেই। তিনি বলেন প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলে আমরা তাদের পেনাল্টি করার চিন্তা করছি। কারণ তাদের জমানত রয়েছে। সেই টাকা থেকে এখনকার মেরামতের ব্যায় কেটে রাখা হবে। এ ব্যাপারে “আবেদ মনসুর কনস্ট্রাকশন” এর প্রজেক্ট ম্যানেজার এ,এ মামুন খানের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন একটি কাজ করলেই নষ্ট হতে পারে। নষ্ট হলে আমরাই করে দেব। কিন্তু আমাদের তো সেটা জানাতে হবে। তিনি বলেন, ঝিনাইদহ সওজ বিভাগ আমাদের যে একাধিকবার চিঠি দিয়েছে তা আমরা পায়নি। মেরামতের সময় কেন বলেছিলেন ৩ বছরের গ্যারান্টির কথা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেখুন আমি এখন আর “আবেদ মনসুর কনস্ট্রাকশন” গ্রুপে নেই। নতুন প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেছি। উল্লেখ্য ঝিনাইদহে এই প্রকল্প শুরু হলে “আবেদ মনসুর কনস্ট্রাকশন” এর মালিকানাধীন বাংলাদেশ টাইমস (অনলাইন) পত্রিকায় ২০১৯ সালের ৮ ডিসেম্বর “ঝিনাইদহে তিন বছরের “গ্যারান্টি” দিয়ে সড়ক নির্মাণ” এবং যুগান্তর পত্রিকায় ২০১৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর “৩ বছরের গ্যারান্টি দিয়ে সড়কের কাজ!” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেখানে ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগ ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা “তিন বছরের গ্যারান্টি দিয়ে বিশ্বমানের রাস্তা, পদ্মা সেতুর মতো মজবুত, ৭/৮ বছর স্থায়ী হবে” ইত্যাদী সব প্রতিশ্রুতির বানী ও চটকদার বক্তব্য দিয়ে বাহবা কুড়ান।

ঝিনাইদহে শুরু হয়েছে মৌসুমি ফল তরমুজের রমরমা ব্যাবসা

 ---

জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ-

 

 

ঝিনাইদহের হাট বাজার গুলোতে মৌসুমি ফল তরমুজের রমরমা ব্যাবসা শুরু হয়েছে। আসতে শুরু করেছে অনেক আগেই। তবে পাইকারি বাজারে দামের প্রভাব পড়লেও খুচরা বাজারে তরমুজের দামের কোন প্রভাব পড়েনি। ফলে বেশি দাম দিয়েই ভোক্তা ক্রেতারা তরমুজ কিনতে বাধ্য হচ্ছে। বাজারে মাঝারি সাইজের তরমুজ দেড়শ’ থেকে ২শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তরমুজ ব্যবসায়িরা জানান, ঝিনাইদহে অন্যান্য ফসলে আবাদ হলেও কৃষকরা তরমুজ আবাদ করেন না। তাই বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম। তাই বেশি দামে তরমুজ কিনতে হচ্ছে। বিভিন্ন জেলা থেকে তরমুজ আমদানি করতে পরিবহন খরচ হয় অনেক বেশি। ঝিনাইদহ শহরের তরমুজ ব্যবসায়ি আক্তার হোসেন জানান, ঝিনাইদহের হাট বাজার গুলোতে যে সকল তরমুজ বিক্রি হয় তা বরিশাল, পটুয়াখালি, ভোলার চরফ্যাশন, চরকাজী, লালমোহলসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আমদানি করে আনতে হয়। ওই অঞ্চলে প্রধানত বিটফ্যামিলি, জাম্বু, জাজগা, ড্রাগন, ওয়াল্ডিকুইন জাতের তরমুজ আবাদ করেন। তরমুজ ব্যবসায়ি আশরাফ হোসেন জানান, চলতি মোসুমে কৃষকের তরমুজ ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে গেছে। তাই বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম। ফলে বেশি টাকা দিয়েই তরমুজ কিনতে হচ্ছে। একই সাথে পরিবহন খরচও এবার বেশি। তাই তরমুজের দাম খুব একটা কমবেনা বলে তিনি জানান। বাজার গোপালপুরের তরমুজ ব্যবসায়ি জাহাঙ্গির হোসেন জানান, তরমুজ সাধারনত ৮/১০’হাজার টাকা প্রতি’শ তরমুজ কিনতে হচ্ছে। আর ভাল তরমুজের দাম ১৬/১৭ হাজার টাকা’শ কিনতে হবে। এছাড়া বর্তমানে বিভিন্ন অজুহাতে বরিশাল থেকে ট্রাক ভাড়া ১৮/২০ হাজার টাকা নিচ্ছে। এবছর পরিবহন খরচ বহুগুনে বেড়ে গেছে। তাছাড়া আনতে কিছু তরমুজ নষ্ট হয়ে যায় এবং খরচ বাদে কিছু টাকা লাভে বিক্রি করতে হয়। যে কারনে কমদামে তরমুজ বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছেনা। তরমুজ ক্রেতা আমজাদ হোসেন বলেন, মৌসুমি ফল বেশি দাম হলেও বাড়ির সদস্যদের একটু কিনতে হচ্ছে।

মহেশপুরে গাঁজা ও মটর সাইকেলসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, থানায় মামলা

 

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ-

 ---

ঝিনাইদহের মহেশপুর থানা পুলিশ মঙ্গলবার রাতে সীমান্ত এলাকা থেকে এককেজি গাঁজা ও মটর সাইকেলসহ মাদক ব্যবসায়ী মনির কাজিকে (৩৭) আটক করেছে। আটককৃত গাঁজা ব্যবসায়ী উপজেলার কাজিরবেড় ইউনিয়নের নিশ্চন্দপুর গ্রামের খলিল কাজির ছেলে। মহেশপুর থানার ডিউটি কর্মকর্তা এস আই চায়না খাতুন জানান, থানার এস আই ইউনুচ আলী গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে সীমান্ত এলাকা থেকে এক কেজি গাঁজা ও ঝিনাইদহ হ-১১-২০২০ নম্বরের একটি হিরো হোন্ডা মটর সাইকেলসহ গাজা ব্যবসায়ী মনির কাজিকে আটক করে। থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, আটককৃত গাজা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। তাকে বুধবার সকালে ঝিনাইদহ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
নারী হাফেজকে ধর্ষণের মামলায় কারাগারে মাদ্রাসা শিক্ষক
‘লকডাউনের’ প্রথম দিন রাজধানীতে গ্রেপ্তার ৪০৩
লঘুচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল, ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা, ফেরির মাস্টার বরখাস্ত
লকডাউনের প্রথম সকালে ট্রাকের ধাক্কায় ঝরল ৬ প্রাণ
কঠোর লকডাউন শুরু, শূন্য রাজপথ
চেতনা নাশক ইনজেকশন পুশ করে রোগীদের ধ”র্ষ’ণ করতো এই ডাক্তার!
করোনার ঝুঁকি সত্ত্বেও ঢাকা ছাড়ছে মানুষ, মানছে না স্বাস্থ্যবিধি
গতবারের চেয়েও কঠোর ভাবে মাঠে নামছে সেনাবাহিনী-বিজিবি
১৯ দিনের ছুটিতে দেশ
ভূমধ্যসাগরে নৌডুবিতে ১৭ বাংলাদেশির সলিল সমাধি
কঠোর বিধি-নিষেধের আওতামুক্ত থাকছে যেসব পণ্য ও প্রতিষ্ঠান
বিদেশযাত্রীদের জন্য অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চলবে
একদিনে ভারতে করোনায় ৩ হাজার ৯৯৮ জনের মৃত্যু
মহামারির মাঝে সারা দেশে ঈদ উদযাপন
আজ পবিত্র ঈদুল আজহা
নিউ লাইফ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে সরকারি নির্দেশনা না মানায় তিন সিএন্ডএফ প্রতিনিধিকে অর্থদন্ড
কুষ্টিয়ায় বাথরুমে ওড়নায় ঝুলছিল মা-ছেলের লাশ
বিএমএসএফের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে ১২ সদস্যের অন্তর্ভুক্তি