শিরোনাম:
ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১, ৯ বৈশাখ ১৪২৮

Bijoynews24.com
সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১
প্রথম পাতা » জাতীয় সংবাদ | ঢাকা | তথ্যপ্রযুক্তি | ফটো গ্যালারী | বক্স্ নিউজ | মন্তব্য প্রতিবেদন / ফিচার | মিডিয়া | রাজনীতি | শিরোনাম | সংগঠন সংবাদ | সম্পাদকীয় » আমাদের প্রিয় নেতা সাবেক সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা এস, এম, আবুল কালাম আজাদ স্যারের জীবন বৃত্তান্ত
প্রথম পাতা » জাতীয় সংবাদ | ঢাকা | তথ্যপ্রযুক্তি | ফটো গ্যালারী | বক্স্ নিউজ | মন্তব্য প্রতিবেদন / ফিচার | মিডিয়া | রাজনীতি | শিরোনাম | সংগঠন সংবাদ | সম্পাদকীয় » আমাদের প্রিয় নেতা সাবেক সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা এস, এম, আবুল কালাম আজাদ স্যারের জীবন বৃত্তান্ত
সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

আমাদের প্রিয় নেতা সাবেক সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা এস, এম, আবুল কালাম আজাদ স্যারের জীবন বৃত্তান্ত

জীবন বৃত্তান্ত

এস, এম, আবুল কালাম আজাদ

সাবেক সংসদ সদস্য

‘৭১-এর রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা

 ---

১৯৫৪ সালের ১লা নভেম্বর চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী উপজেলায় পোপাদিয়া নামক গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা-মরহুম সৈয়দ নূর আহমেদ এবং মাতা-মরহুমা সৈয়দা কুলসুমা খাতুন। চট্টগ্রামের বারো আউলিয়ার অন্যতম হযরত শাহ্ সিরাজ উদ্দিন আউলিয়ার আওলাদ মরহুম সৈয়দ আব্দুল করিম খন্দকার তাঁর পিতামহ এবং বোয়ালখালী উপজেলার ---সৈয়দপুর গ্রামের মরহুম সৈয়দ আলী আহমেদ শরীফ তাঁর মাতামহ।

তাঁর পিতা-মরহুম সৈয়দ নূর আহমেদ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দলীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। ১৯৭১ সালে তাঁর তিন সন্তানকে সুমহান মক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে অনুপ্রাণিত করেন। তাঁর মাতা সৈয়দা কুলসুমা খাতুন মুক্তিযুদ্ধের সময় নিজ বাড়িতে মুক্তিযোদ্ধাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেন এবং তাঁর দুই বোনও এই কাজে তাঁকে সহযোগিতা করেন।

এস এম আবুল কালাম আজাদ প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতিতে যোগদান করেন ১৯৬৭-৬৮ সালে। এসময় বোয়ালখালী থানার পোপাদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সম্পাদক ছিলেন। ১৯৬৮-৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭০ সালের ৪ ডিসেম্বর পল্টন ময়দানে মওলানা ভাসানীর জনসভায় ‘স্বাধীন বাংলা-পূর্ব বাংলা’র স্লোগান তোলেন। একই সালে আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর নৌকার পক্ষে নির্বাচনী কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করেন।

বঙ্গবন্ধুর আহবানে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলেন ১৯৭১ সালের ৩০শে মার্চ-এ অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সাথে। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল পাক-বাহিনী কালুরঘাটে সেনা, নৌ ও বিমান হামলা চালায়। এই যুদ্ধের নেতৃত্বে ছিলেন অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের উপ-অধিনায়ক মেজর মীর শওকত আলী (পরবর্তী সময়ে লে. জেনারেল মীর শওকত আলী বীরউত্তম)। পরবর্তী সময়ে ১নং সেক্টরে মেজর রফিকুল ইসলাম, বীর উত্তম-এর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় গেরিলা যোদ্ধা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

---স্কুলজীবন থেকেই পূর্ব-বাংলার স্বাধীনতা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করার কারণে তাকে আইয়ুব সরকারের রোষানলে পড়তে হয়েছে। জেনারেল ইয়াহিয়া খানের সামরিক আইন লঙ্ঘনের কারণে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা বা হুলিয়া নিয়েও তদানিন্তন পূর্ব-বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেছেন।

অতঃপর কুমিল্লা বোর্ডের অধীনে চট্রগ্রামস্থ সৈয়দপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৭০ সালে কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি এবং একই বোর্ডের অধীনে কানুনগোপাড়া স্যার আশুতোষ কলেজ থেকে ১৯৭২ সালে এইচএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে তিনি ১৯৭২-৭৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি এবং “পলিটিক্যাল সাইন্স”-এ মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৭২ সালের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে তিনি প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন-বাংলা ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এবং ন্যাপ-এর ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্র ইউনিয়নের-এর কেন্দ্রীয় কার্যকরী সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে জাতীয় গণমুক্তি ইউনিয়ন (জাগমুই) এর ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জাতীয় দল-বাকশাল-এ জাগমুই প্রধান হাজী মোহাম্মদ দানেশ-এর নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করে যোগদান করেন। ১৯৭৬ সালে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে পরিচালিত ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চে ---জনাব এস, এম, আবুল কালাম আজাদ ছাত্রসমাজের অন্যতম নেতা হিসেবে নেতৃত্ব প্রদান করেন। তিনি ১৯৮৭-২০০৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ভাসানী ন্যাপের সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০০৭ সালের ৪ ডিসেম্বর থেকে ২০০৮ সালের ৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন

এস, এম, আবুল কালাম আজাদ ২০০৯ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান রাজনৈতিক দলগুলোর বাইরে একটি বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার জন্য একটি ব্যতিক্রমধর্মী প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করার প্রয়াস অব্যাহত রাখেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১২ সালের ০২রা মে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ নামক দলটি গঠন করেন। ইতোমধ্যে বিএনএফ একটি বিকল্প রাজনৈতিক দল হিসেবে জনমনে নতুন আশার সঞ্চার করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বিএনএফ এর প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট হিসেবে আজ অবধি দায়িত্ব পালন করছেন।

২০১৪ সালের ০৫ই জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদে ১৯০ ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪-১৮ সাল পর্যন্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। মহান জাতীয় সংসদে ২০১৪ সালের ০২রা মে তারিখে ৭ই মার্চকে জাতীয় দিবস ও জয় বাংলা-কে জাতীয় শ্লোগান হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাব করেন। জাতীয় সংসদে প্রদত্ত বক্তব্যগুলি সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে গুলশান-বনানী-ভাসানটেক-ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সফলতার সাথে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

১৯০ ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য থাকাকালীন অবস্থায় থাইল্যান্ড, বাহরাইন, সৌদি আরব ও ইরানে সরকারি সফরে যান। এসময় থাইল্যান্ডের মাহিদল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘’সার্টিফিকেট অফ এচিভমেন্ট’’ লাভ করেন, বাহরাইনে এশিয়ান পার্লামেন্টারি এসোসিয়েশনের সভায় দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব, সৌদি আরবে ওমরাহ হজ্ব পালন এবং ইরানে অনুষ্ঠিত ওআইসি কনফারেন্সে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই পুত্রসন্তান ও এক কন্যাসন্তানের জনক। তার সহধর্মিণী মিসেস মমতাজ জাহান চৌধুরী মুন্সীগঞ্জের জমিদার তাজউদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর (প্রকাশ বড়মিয়া) কনিষ্ঠ ছেলে মরহুম গিয়াস উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী (মাখন মিয়া) ও মিসেস নূরজাহান আহমেদ চৌধুরীর জ্যেষ্ঠ কন্যা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ---সরকারি জ্যেষ্ঠ ব্যাংক কর্মকর্তা হিসেবে অবসর নিয়ে তিনি এখন বিএনএফ’র কো-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জ্যেষ্ঠ ছেলে সৈয়দ মাহমুদ আজাদ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন। তার একমাত্র কন্যাসন্তান সৈয়দা শারমিন জাহান স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে জার্নালিজমে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত। শারমিন জাহান এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জননী। ঢাকাস্থ চট্টগ্রাম সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম মো. ইসহাক চৌধুরীর পুত্র মো. শফিউল্লাহ চৌধুরীর (এমবিএ) সঙ্গে ২০০৮ সালে তার বিবাহ হয়। তার কনিষ্ঠ পুত্র সৈয়দ মাহবুব হাসান আজাদ ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনির্ভাসিটি বাংলাদেশ(আইইউবি) থেকে এমবিএ ডিগ্রী অর্জন করেছেন।

জনাব আজাদ তার ভাইদের মধ্যে দ্বিতীয়। তার বড় ভাই মোঃ আবু সিদ্দীক (বার্মা ইস্টার্ণের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী) এবং ছোট ভাই আবু মোঃ শামসুদ্দিন (প্রাইম ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) পরিবার নিয়ে চট্রগ্রামে বসবাস করছেন।



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
দুই সাংবাদিক বন্ধুর ভালবাসার নিদর্শণ
মেয়ে চান মায়ের বিয়ে দিতে
জিকে ক্যানেল থেকে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার
ডোমারে মাদক সম্রাট মিজানুর রহমানের লাশ উদ্ধার
আবারো বন্ধ জিকে সেচ প্রকল্পের পানি সরবরাহ
কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৪ লক্ষ টাকার ২০৩টি গাছ ১৬ বছর পর ১ লাখ ৬১ হাজার টাকায় বিক্রি
কুষ্টিয়ার পৌর কাউন্সিলর বিরুদ্ধে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
গঠিত হতে যাচ্ছে “ কুষ্টিয়া সিটি প্রেসক্লাব”
কেয়ামতের ছোট বড় ১৩১টি আলামত
হাসিনা হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনঃ ধর্ষণের ঘটনা ফাঁসের শঙ্কায় ভাগ্নিকে খুন করে মামা
নড়াইলে ছোট ভাইয়ের ‘লাঠির আঘাতে’ পুলিশ এসআইয়ের মৃত্যু
চিলাহাটিতে রমজান মাসেও চলছে লোডশেডিং-এর পালা
কুষ্টিয়ায় বৃষ্টির জন্য দোয়া চেয়ে মাঠে নামায পড়লেন মানুষ
গৃহবধুকে ধর্ষন চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে কুপিয়ে জখম ও পুলিশের গুলিতে ৫ শ্রমিক নিহতের ঘটনায় জুঁই চাকমার নিন্দা
সময়ের কাগজের সম্পাদকের দায়িত্ব নিলেন নূরুন্নবী বাবু
পঞ্চগড়-ঢাকা রুটে চালু হলো কৃষিপণ্যবাহী ট্রেন
যাতায়াতের রাস্তা কেটে ফেলায় প্রায় ১০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ
গোবিন্দগঞ্জে গভীর কূপে পড়ে বিষাক্ত গ্যাসে দুই সহোদর ভাইয়ের মৃত্যু
মামুনুলের বিরুদ্ধে মানিব্যাগ-মোবাইল চুরির মামলা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসছেন হেফাজত নেতারা