---Bijoynews : কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার কুশলীবাসা বিবি আছিয়া খাতুন বালিকা আলিম মাদ্রাসার ক্লিনার ও আয়া নিয়োগ বাণিজ্যের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে উত্তেজনা! এনিয়ে এলাকায় চলছে নানা গুঞ্জন। যে কোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
জানা যায়, ১০ আগষ্ট ২০২০ তারিখে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এবং ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ এ নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এদিকে করোনা কালিন সময় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও নিয়োগ বাণিজ্যের জন্য বিবি আছিয়া খাতুন বালিকা আলিম মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল এই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করেন বলে অভিযোগ করেছেন ম্যানেজিং কমিটির কয়েকজন সদস্য। তারা জানান, মাদ্রাসায় কোন মিটিং না করেই এই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। ক্লিনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আব্দুর রশিদ আর আয়া হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন চম্পা খাতুন। এদের নিকট থেকে ৮ লক্ষ টাকা করে দুই জনের কাছ থেকে ১৬ লক্ষ টাকা উৎকোচ গ্রহন করেছেন বলে একাধিক সূত্র জানায়। বিবি আছিয়া খাতুন বালিকা আলিম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আবুল কাশেম এর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায় নি এবং তার মুঠোফোন নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।এদিকে বিবি আছিয়া খাতুন বালিকা আলিম মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শাহা্ রফিকুল ইসলাম তুতার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, টাকা ভাগাভাগির বিষয় নিয়ে স্কুলে বসাবসির কথাটা ঠিক নয়। তবে একটি মিটিং হওয়ার কথা ছিল হয়নি। এই এলাকায় দুইটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এখানে সামাজিকতা নিয়ে একটু সমস্যা রয়েছে। তবে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য কিছু টাকা নেয়া হয় সেটা আপনারাও জানেন। এছাড়াও নিয়োগ বোর্ডের কিছু খরচ হয় সেটা যে নিয়োগ পান সে করে থাকেন। কিন্তু ১৬ লক্ষ টাকা নেয়ার বিষয়টি সত্য নয়।এবিষয়ে কুমারখালী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রশিদের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।জেলা শিক্ষা অফিস জায়েদুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এবিষয় আমার জানা নেই। যদি কেউ অভিযোগ করেন তবে সেটা ক্ষতিয়ে দেখা হবে।