শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ১০ শ্রাবণ ১৪২৮

Bijoynews24.com
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২০
প্রথম পাতা » অপরাধ জগত | আইন- আদালত | জাতীয় সংবাদ | ঢাকা | বক্স্ নিউজ | রাজনীতি | শিরোনাম » ৫৫ মামলায় পলাতক রিয়েল স্টেট ব্যবসায়ী গ্রেফতার, অফিসে গোপন সুড়ঙ্গ পথ
প্রথম পাতা » অপরাধ জগত | আইন- আদালত | জাতীয় সংবাদ | ঢাকা | বক্স্ নিউজ | রাজনীতি | শিরোনাম » ৫৫ মামলায় পলাতক রিয়েল স্টেট ব্যবসায়ী গ্রেফতার, অফিসে গোপন সুড়ঙ্গ পথ
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২০
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

৫৫ মামলায় পলাতক রিয়েল স্টেট ব্যবসায়ী গ্রেফতার, অফিসে গোপন সুড়ঙ্গ পথ

---Bijoynews : রাজধানীর রূপনগর এলাকা থেকে নাসিম রিয়েল স্টেটের মালিক মো. ইমাম হোসেন নাসিম (৬৬) এবং তার স্ত্রী হালিমা আক্তার সালমাকে (৩২) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। ৫৫ মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক দুই আসামিকে বিদেশি অস্ত্র, জালনোট ও মাদকসহ গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে র‌্যাব-৪-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মোজাম্মেল হক এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান।
অতিরিক্ত ডিআইজি জানান, নাসিম অসংখ্য মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। জমি বিক্রির নামে মানুষের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। অনেকে আইনের আশ্রয় নিলেও আদালত থেকে জামিন নিয়ে তাদের হুমকি দিতো নাসিম। সে অফিসে সুড়ঙ্গ পথ তৈরি করে আত্মগোপনে তা ব্যবহার করতো।

নাসিমের উত্থান

নাসিম ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত একটি কোম্পানির ঠিকাদারির কাজ করে আসলেও মূলত ২০০২ সাল থেকে অভিনবভাবে প্রতারণামূলক কৌশলের মাধ্যমে নিজেকে কথিত নাসিম রিয়েল এস্টেট কোম্পানির মালিক পরিচয় দিয়ে সাইনবোর্ড টানানো শুরু করে। ক্ষেত্র বিশেষে অস্ত্র দেখিয়ে ভয়-ভীতি দেখিয়ে সাভারের কাউন্দিয়া এলাকায় অন্যের ও খাসজমি দখল করে আবাসিক শহর গড়ে দেওয়ার নামে প্রায় পাঁচ হাজার সাধারণ জনগণের সঙ্গে বায়না করে প্রত্যেকের কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নেয়। এছাড়া ২৫০ জনকে ভুয়া রেজিস্ট্রেশন দিয়ে প্রত্যেকের কাছ থেকে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রতারণা করে। এভাবে সে প্রায় ২৮০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে। এর পাশাপাশি সে ২০০৫ থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করে ভিন্ন ভিন্নভাবে মানুষের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ করে।

এ পর্যন্ত তার মালিকানাধীন ১৬টি প্রতিষ্ঠানের সন্ধান পাওয়া গেছে: ১. নাসিম রিয়েল এস্টেট লি., ২. নাসিম ডেভেলপার লি., ৩. নাসিম অ্যাগ্রো ফুড লি., ৪. নাসিম বাজার, ৫. এসবি ফাউন্ডেশন, ৬. ডা. বেলায়েত হোসেন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, ৭. নাসিম পার্সেল ও কুরিয়ার সার্ভিস, ৮. সাপ্তাহিক ইমারত অর্থ. ৯. নাসিম শিপ বিল্ডার্স, ১0. নাসিম ইঞ্জিনিয়ারিং ও কন্সাল্টেন্সি, ১১. নাসিম ট্রেডিং লি. ১২. সাহানা আই হাসপাতাল, ১৩. বাংলা নিউজ ১৬, ১৪. নাসিম ড্রিংকিং ওয়াটার, ১৫. নাসিম সুগার ও ১৬. নাসিম বেভারেজ।

অস্ত্রধারী ভূমিদস্যু হিসেবে প্রতারণা

আসামি নাসিম অভিনব পন্থা অবলম্বন করে দীর্ঘদিন যাবৎ সাধারণ জনগণের কাছে প্রতারণা করে নিজেকে বিভিন্ন সময় রিয়েল এস্টেট কোম্পানির মালিক পরিচয় দিতো। সে অস্ত্র দেখিয়ে জমি দখল করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে আসছিল।

৩২ সিমকার্ড ও ৪ ওয়াকিটকি দিয়ে প্রতারণা

আসামি নাসিম নামে-বেনামে ৩২টি সিমকার্ড ব্যবহার করে সবার ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে প্রতারণার কাজ সঠিকভাবে পরিচালনা করতো এবং চারটি ওয়াকিটকি সেট দিয়ে নিজের নিরাপত্তা ও রিয়েল এস্টেট কোম্পানির মালিক হিসেবে পরিচয় নিশ্চিত করতো।

৫৫ গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন থানায় আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে প্রতারণা, ভূমিদস্যুতা, মাদক ও জাল টাকা মামলার প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। ভুক্তভোগী মানুষরা তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে শতাধিক মামলা করেন। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন থানায় প্রতারণা মামলার ৫৫টি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয় তাদের বিরুদ্ধে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে প্রতারণা সংক্রান্ত অসংখ্য জিডি ও অভিযোগ রয়েছে। নাসিম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, প্রতারণার আরও চারটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শীর্ষস্থানীয় মাদক ও জাল টাকার ব্যবসায়ী

আসামিরা দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ও বিদেশি মদ সংগ্রহ করে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকার ডিলার ও খুচরা মাদক কারবারীদের কাছে বিক্রি করে আসছিল। এছাড়াও তারা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় জাল নোটের ব্যবসা পরিচালনা করতো।

গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে একটি ৭.৬৫ মি.মি. বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, তিন রাউন্ড গুলি, এক লাখ ৩৫ হাজার জাল টাকা, এক হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা, দুই বোতল বিদেশি মদ, চারটি ওয়াকিটকি সেট, ছয়টি পাসপোর্ট, ৩৭টি ব্যাংক চেক বই।

ভুক্তভোগীদের বক্তব্য

নাসিম রিয়েল এস্টেট থেকে জমি কিনে প্রতারিত হয়েছেন আলীউজ্জামান শিকদার নামে এক ব্যক্তি। তিনি ১০ কাঠা জমি কিনেছিলেন, প্রতি কাঠা ৬ লাখ করে। কিন্তু তাকে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। ২০১৬ সালে তিনি টাকা দেওয়া শেষ করলেও জমি বুঝে পাননি। উল্টো তাকে হুমকি দিতো নাসিম। আলীউজ্জামান শিকদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমি জমি বুঝে চাইলে ২০১৬ সালে আমাকে নাসিম একটা আবেদন করতে বলে। আমি আবেদন করি। কিন্তু সে আজ পর্যন্ত জমি বুঝিয়ে দেয়নি। উল্টো হুমকি দিতো।’



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
নারী হাফেজকে ধর্ষণের মামলায় কারাগারে মাদ্রাসা শিক্ষক
‘লকডাউনের’ প্রথম দিন রাজধানীতে গ্রেপ্তার ৪০৩
লঘুচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল, ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা, ফেরির মাস্টার বরখাস্ত
লকডাউনের প্রথম সকালে ট্রাকের ধাক্কায় ঝরল ৬ প্রাণ
কঠোর লকডাউন শুরু, শূন্য রাজপথ
চেতনা নাশক ইনজেকশন পুশ করে রোগীদের ধ”র্ষ’ণ করতো এই ডাক্তার!
করোনার ঝুঁকি সত্ত্বেও ঢাকা ছাড়ছে মানুষ, মানছে না স্বাস্থ্যবিধি
গতবারের চেয়েও কঠোর ভাবে মাঠে নামছে সেনাবাহিনী-বিজিবি
১৯ দিনের ছুটিতে দেশ
ভূমধ্যসাগরে নৌডুবিতে ১৭ বাংলাদেশির সলিল সমাধি
কঠোর বিধি-নিষেধের আওতামুক্ত থাকছে যেসব পণ্য ও প্রতিষ্ঠান
বিদেশযাত্রীদের জন্য অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চলবে
একদিনে ভারতে করোনায় ৩ হাজার ৯৯৮ জনের মৃত্যু
মহামারির মাঝে সারা দেশে ঈদ উদযাপন
আজ পবিত্র ঈদুল আজহা
নিউ লাইফ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে সরকারি নির্দেশনা না মানায় তিন সিএন্ডএফ প্রতিনিধিকে অর্থদন্ড
কুষ্টিয়ায় বাথরুমে ওড়নায় ঝুলছিল মা-ছেলের লাশ
বিএমএসএফের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে ১২ সদস্যের অন্তর্ভুক্তি