শিরোনাম:
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৫ আগস্ট ২০২১, ২১ শ্রাবণ ১৪২৮

Bijoynews24.com
বুধবার, ৩০ মার্চ ২০১৬
প্রথম পাতা » অনিয়ম-দুর্নীতি | জাতীয় সংবাদ | বক্স্ নিউজ » কিমের অ্যাকাউন্টে ১৬৯ কোটি টাকা
প্রথম পাতা » অনিয়ম-দুর্নীতি | জাতীয় সংবাদ | বক্স্ নিউজ » কিমের অ্যাকাউন্টে ১৬৯ কোটি টাকা
বুধবার, ৩০ মার্চ ২০১৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কিমের অ্যাকাউন্টে ১৬৯ কোটি টাকা

---বিজয় নিউজ: বাংলাদেশ ব্যাংকের লোপাট হওয়া অর্থের মধ্যে ১৩৭ কোটি টাকারও বেশি ফেরত আসার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল ফিলিপাইনের সিনেটের ব্লু রিবন কমিটির তৃতীয় শুনানিতে এমনটাই উঠে এসেছে। শুনানিতে, অন্যতম সন্দেহভাজন ব্যবসায়ী কিম ওং চুরির অর্থ থেকে ১ বিলিয়ন পেসো বা প্রায় ১৬৯ কোটি ডলার পেয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন। এর মধ্যে প্রায় ৪৯ কোটি পেসো বা ৮২ কোটি ৮১ লাখ টাকা এবং সোলায়েরে রিসোর্ট ও ক্যাসিনোতে থাকা ৩৬ কোটি ২ লাখ টাকা (৪৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার) ফেরত দিতে রাজি হয়েছেন। পাশাপাশি ওই ক্যাসিনো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মি. ডিং নামে এক ব্যক্তির বাজেয়াপ্ত করা অর্থ তারা ফেরত দেবে। সেখানে রয়েছে মোট প্রায় ১০ কোটি ৮৬ লাখ পেসোরও বেশি। বাংলাদেশি মুদ্রায় ওই অর্থের পরিমাণ প্রায় ১৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি, ফিলিপাইনের পত্রিকা এনকোয়ার ও এবিএস-সিবিএন নিউজ।

গতকালের শুনানিতে কিম ওং দাবি করেন, ক্যাসিনো জাঙ্কেট এজেন্ট ও জুয়াড়ি গাও শুহুয়া ও ডিং ঝিজে মূলত বাংলাদেশের রিজার্ভের চুরি হওয়া ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার (প্রায় ৬৩৪ কোটি টাকা) ফিলিপাইনে স্থানান্তর করেন। এর মধ্যে চীনের বেইজিং-এর বাসিন্দা গাও শুহুয়াকে ৮ বছর ধরে চেনেন তিনি। কিন্তু ম্যাকাও-এর বাসিন্দা ডিং ঝিজে’র সঙ্গে তার সাক্ষাৎ ঘটে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে। কিম ওং নিজে একজন জাঙ্কেট অপারেটর। গাও শুহুয়া তাকে বলেছিলেন শিগগিরই বিপুল পরিমাণ অর্থ তিনি ফিলিপাইনে আনবেন। কিম ওং-এর দাবি, তার জানা ছিল না এই অর্থ অবৈধ। কারণ, ৪ঠা ফেব্রুয়ারি ম্যাকাউয়ে নিজেদের ক্যাসিনো বন্ধ করে দিয়ে ম্যানিলায় বিনিয়োগ করার কথা জানান গাও। এছাড়া, চীনে নিজের সমপত্তি বিক্রি করে ম্যানিলায় অর্থ বিনিয়োগের কথাও বলেন তিনি। প্রসঙ্গত, এর পরদিনই ফিলিপাইনে চুরির অর্থ স্থানান্তরিত হয়। বর্তমানে গাও শুহুয়া ও ডিং ঝিজে’র কোনো সন্ধান নেই। তবে কিম ওং সিনেট কমিটিকে এই দুই জনের পাসপোর্টের ফটোকপি জমা দিয়েছেন।

ফিলিপাইন সিনেটের ব্লু রিবন কমিটির শুনানিতে কিম ওং বলেন, তার কোম্পানি ইস্টার্ন হাওয়াই লেইজার কো. লিমিটেড চুরিকৃত অর্থের মোট ১০০ কোটি পেসো পেয়েছে। এ অর্থের পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬৯ কোটি টাকা। তিনি দাবি করেন, এ অর্থের মধ্যে ৪৫ কোটি পেসো (প্রায় ৭৬.০৯ কোটি টাকা) ছিল গাও শুহুয়ার কাছে তার পুরনো পাওনা। তিনি বলেন, যদি প্রমাণিত হয় এ অর্থ অবৈধ কার্যকলাপ থেকে এসেছে, তাহলে তিনি তা বাংলাদেশ সরকারকে ফেরত দেবেন। বাকি ৫৫ কোটি পেসো (প্রায় ৯৩ কোটি টাকা) জুয়া খেলার চিপসে রূপান্তরিত করা হয়। সেই চিপস দিয়ে তারই ক্যাসিনোতে জুয়া খেলা হয়। জুয়া খেলায় গায়েব হয়ে যায় ৫১ কোটি পেসো। এই অর্থ উদ্ধার কঠিন হতে পারে। একই মত দিয়েছেন ফিলিপাইন অ্যামিউজমেন্ট অ্যান্ড গেমিং করপোরেশনের সিওও এউইগিনি মানালাস্তাস। কিম ওং বলেন, চিপসে রূপান্তরিত ৫৫ কোটি পেসোর মধ্যে বাকি ৪ কোটি পেসো (প্রায় ৬.৭৬ কোটি টাকা) এখনও মিডাল হোটেল ক্যাসিনোতে তার কোমপানির অ্যাকাউন্টে আছে। এ অর্থও বাংলাদেশ ব্যাংককে ফেরত দিতে তিনি রাজি।

কিম ওং দাবি করেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে লোপাট হওয়া অর্থ থেকে প্রায় ১ কোটি ৩৯ লাখ ডলার (প্রায় ১০৮ কোটি টাকা) সোলায়ের রিসোর্ট অ্যান্ড ক্যাসিনোতে খেলেছে জুয়াড়িরা। ক্যাসিনোটিতে তাদের (কিম ওং, গাও শুহুয়া ও ডিং ঝিজে) একটি যৌথ একাউন্টে ৫০ লাখ ডলার এসেছিল ফিলরেম থেকে। এখন সেখানে রয়েছে প্রায় ৪৬.৩ লাখ ডলার বা প্রায় ৩৬ কোটি ২ লাখ টাকা। এই অর্থও তিনি স্বেচ্ছায় বাংলাদেশকে ফেরত দেবেন। তবে অ্যাকাউন্টটি থেকে চুক্তিভঙ্গ করে গাও শুহুয়া ও ডিং ঝিজে ৩ লাখ ৭০ হাজার ডলার (প্রায় ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা) আগেই উঠিয়ে নিয়েছেন।

সোলায়ের রিসোর্ট অ্যান্ড ক্যাসিনো ও ক্যাসিনো ম্যানিলার আইনি পরামর্শক সিলভেরিও বেনি তানও বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, চুরি হওয়া অর্থ থেকে প্রায় ১৩৬ কোটি ৫০ লাখ পেসো (প্রায় ২৩১ কোটি টাকা) ফিলরেম (মুদ্রা বিনিময় প্রতিষ্ঠান) থেকে তাদের ক্যাসিনোর একাউন্টে পাঠানো হয়েছে।

আইনি পরামর্শক বেনি তান বলেন, জুয়াড়িদের মধ্যে ডিং ঝিজের একাউন্টে প্রায় ১০ কোটি ৭৩ লাখ পেসো তারা আলাদাভাবে জব্দ করেছেন। তার কক্ষে পাওয়া গেছে কিছু নগদ অর্থ, যার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ পেসো। এ পুরো অর্থ সোলায়ের রিসোর্ট অ্যান্ড ক্যাসিনো ফেরত দিতে প্রস্তুত। সে হিসাবে এখান থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ফেরত পেতে পারে প্রায় ১৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। বেনি তান জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক ডাকাতির কথা আলোচনায় আসার পরপরই জুয়াড়ি ডিং-এর একাউন্ট ও অর্থ জব্দ করার সিদ্ধান্তটি তার মক্কেল কোমপানি নিজেরাই নিয়েছে। এ কারণে সিনেটর সার্জিও ওসমিনা সোলায়ের কর্তৃপক্ষের প্রশংসা করেন।

‘ফিলরেম এখনও সন্দেহ থেকে মুক্ত নয়’
ব্যবসায়ী কিম ওং আরও দাবি করেন, প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ ডলার (১৩৩ কোটি ১২ লাখ টাকা) এখনও আছে মুদ্রা বিনিময় প্রতিষ্ঠান ফিলরেমের কাছে। তবে শুনানিতে উপস্থিত ফিলরেমের মালিকরা এ দাবি অস্বীকার করেন। উল্লেখ্য, রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) জুপিটার স্ট্রিট শাখায় ভুয়া পাঁচটি একাউন্টে চুরি হওয়া পুরো অর্থ স্থানান্তরিত হয়। পরে এ অর্থ ফিলরেমে ডলার থেকে পেসোতে রূপান্তর করা হয়। ফিলরেম কর্তৃপক্ষের দাবি, তারাও জানতো না ওই অর্থ ছিল চুরি হওয়া অর্থ। এর আগের শুনানিতে ফিলরেম কর্তৃপক্ষ এ লেনদেনে তাদের লাভ হওয়া কিছু অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংককে দিয়ে দেবে বলে জানিয়েছিল।

এএমএলসি জানিয়েছে, ফিলরেমকে এখনও সন্দেহ থেকে মুক্ত রাখা হচ্ছে না। অবশ্য প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ এখনও আনা হয়নি। শুনানিতে সিনেটর কোকো পিমেন্টেল বলেন, বহুজনের সাক্ষ্য মোতাবেক মুদ্রা বিনিময় প্রতিষ্ঠান ফিলরেম চুরির টাকা ক্যাসিনোতে পাঠানোর ক্ষেত্রে জড়িত। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাহলে কেন ফিলরেমের বিরুদ্ধে এখনও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়নি। জবাবে এএমএলসি’র নির্বাহী পরিচালক জুলিয়া আবাদ বলেন, তদন্ত এখনও চলছে। কিছু বিষয় আমরা যাচাই করছি। ফিলরেম সন্দেহ থেকে মুক্ত নয়।

অনুপস্থিত দেগুইতো
গতকালের শুনানিতে ওং বলেন, আরসিবিসি ব্যাংকের জুপিটার স্ট্রিট শাখার ব্যবস্থাপক মায়া দেগুইতো ও জুয়াড়ি গাও শুহুয়া গত বছরের মে মাসে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে তাদের মধ্যে কয়েকটি একাউন্ট খোলা নিয়ে কথা হয়। কারণ, সেখানে গাও শুহুয়া ফিলিপাইনে আনা অর্থ গচ্ছিত রাখবেন। ওং বলেন, একাউন্ট খোলার জন্য জাল নথিপত্র প্রস্তুতের সঙ্গে তিনি জড়িত নন। এ কাজ করেছেন দেগুইতো। গতকালের শুনানিতে দেগুইতো অসুস্থতার কথা বলে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি আগে থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

বাংলাদেশ দিয়েছে ৩০টি সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য
এদিকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ৩০টি সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য ফিলিপাইনের সিনেট কমিটিকে দিয়েছে। এ ৩০টি লেনদেন অনুরোধ কথিত হ্যাকাররা পাঠিয়েছিল। কিন্তু নিউ ইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ৫টি অনুরোধ বাস্তবায়ন করলেও, এ ৩০টি করেনি। এ ৩০টিও যদি বাস্তবায়িত হতো তাহলে ৮.১ কোটি ডলার নয়, প্রায় ১০০ কোটি ডলার হাতিয়ে নিতে পারতো হ্যাকাররা।

কিম ওং এবং উইকিয়াং শুকে তলব করবে বিচার বিভাগ
ফিলিপাইনের বিচার বিভাগ (ডিওজে) জানিয়েছে, তারা ব্যবসায়ী কিম ওং ও উইকাং শুকে তলব করবে। তাদের বিরুদ্ধে আগেই ফিলিপাইনের অর্থপাচারবিরোধী সংস্থা এএমএলসি ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করেছিল। এছাড়াও আরসিবিসি ব্যাংকের জুপিটার শাখার ব্যবস্থাপক মায়া দেগুইতোর বিরুদ্ধে পৃথক একটি অভিযোগও দায়ের করেছিল এএমএলসি। এ দুইটি অভিযোগ এখন একত্রীকৃত হবে। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, চুরিকৃত অর্থের মধ্যে ২ কোটি ১৬ লাখ পেয়েছেন কিম ওং। এছাড়া উইকাং শু পেয়েছে ৫ কোটি ৯২ লাখ ডলার।

আবারও ব্যাংক সিক্রেসি আইনের অজুহাত আরসিবিসি ব্যাংকের
আরসিবিসি ব্যাংক গতকালও সিনেটরদের বহু প্রশ্নের জবাবে ব্যাংক গোপনীয়তা আইনের অজুহাতে উত্তর দেয়া থেকে বিরত থেকেছে। বিশেষ করে জড়িত একাউন্টধারীদের ফরম, লেনদেনের ইতিহাস ও অন্যান্য নথিপত্র জমা দেয়নি ব্যাংকটি। এ ক্ষেত্রেও ফিলিপাইনের ব্যাংক সিক্রেসি আইনের অজুহাত টানা হয়েছে। জবাবে সিনেটর সার্জিও ওসমেনা বলেন, সিক্রেসি আইন অনুযায়ী গ্রাহকের গোপনীয়তা রক্ষা করতে ব্যাংকগুলোকে বাধ্য করা হয়েছে। কিন্তু এখানে ব্যাংক একাউন্ট যারা খুলেছে, খোদ তারাই ভুয়া! সুতরাং, কাদের গোপনীয়তা রক্ষা করছে আরসিবিসি ব্যাংক? সিনেটর গুইঙ্গোনা বলেন, অপরাধী তৎপরতা আড়াল করতে আইনকে ব্যবহার করা যাবে না। সিনেটর কোকো পিমেন্টেল বলেন, যেসব একাউন্ট ইতিমধ্যে ভুয়া বলে চিহ্নিত হয়েছে, সেসব কোনো সুরক্ষার অন্তর্ভুক্ত নয়।



এ পাতার আরও খবর

ভেঙ্গে পড়ল ঝিনাইদহে মুজিববর্ষে পাওয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরের খুটি,আশ্রয়ণ প্রকল্পে চলছে চরম আতঙ্ক! ভেঙ্গে পড়ল ঝিনাইদহে মুজিববর্ষে পাওয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরের খুটি,আশ্রয়ণ প্রকল্পে চলছে চরম আতঙ্ক!
মন্তব্য প্রতিবেদন : ডা. তাপসের চামচাদের কান্না থামছে না ! মন্তব্য প্রতিবেদন : ডা. তাপসের চামচাদের কান্না থামছে না !
প্রধানমন্ত্রীর উপহারের দেওয়া আধাপাকা ঘর হস্তান্তরের আগেই খুলে পড়ছে ঘরের দরজা জানালা প্রধানমন্ত্রীর উপহারের দেওয়া আধাপাকা ঘর হস্তান্তরের আগেই খুলে পড়ছে ঘরের দরজা জানালা
ফুর্তির জন্য চুক্তিতে নারী সঙ্গী রাখতেন নাসির : পুলিশ ফুর্তির জন্য চুক্তিতে নারী সঙ্গী রাখতেন নাসির : পুলিশ
কুষ্টিয়া পৌরসভার কর কর্মকর্তা বরখাস্ত নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম ইসলাম ওএসডি কুষ্টিয়া পৌরসভার কর কর্মকর্তা বরখাস্ত নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম ইসলাম ওএসডি
কুষ্টিয়া বিএডিসি(সার) অফিসের এডি মাহবুবুর রহমানের অর্থ লোপাটের তথ্য ফাঁস কুষ্টিয়া বিএডিসি(সার) অফিসের এডি মাহবুবুর রহমানের অর্থ লোপাটের তথ্য ফাঁস
৯০ ভরি স্বর্ণ লুট: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা গ্রেফতার ৯০ ভরি স্বর্ণ লুট: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা গ্রেফতার
স্ত্রীসহ রাঙামাটির পিএসটিএস র পুলিশ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়ায় দুদকের মামলা স্ত্রীসহ রাঙামাটির পিএসটিএস র পুলিশ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়ায় দুদকের মামলা
অনুমোদন-কাগজ কিছুই নেই ইটভাটায়, গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত অনুমোদন-কাগজ কিছুই নেই ইটভাটায়, গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত
সাংবাদিক পেটানো মামলাসহ বিভিন্ন মামলায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাদ গ্রেফতার সাংবাদিক পেটানো মামলাসহ বিভিন্ন মামলায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাদ গ্রেফতার

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
বিজিবি সদস্য মো: শহীদুল ইসলামকে ফাঁসানোর চেষ্টা ব্যর্থ
প্রযোজক-অভিনেতা নজরুল রাজ আটক
র‌্যাব সদরদপ্তরে নেওয়া হয়েছে পরীমনিকে
বিকৃত যৌনাচরণের উপকরণসহ পরীমণির সহযোগী রাজ আটক
পরীমনির বাসায় মিলেছে ভয়ংকর মাদক এলএসডি ও আইস
তালেবানের হাতে প্রাদেশিক রাজধানীর পতন সময়ের ব্যাপার মাত্র; আফগান বাহিনী বলছে লড়ে যাবে
ঢাকাই চলচ্চিত্রের নায়িকা পরীমনিকে আটক করেছে র‌্যাব
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে ১৬ বরযাত্রীর মৃত্যু
মিন্টু’র প্রতারণা ফাঁদে পড়ে কুষ্টিয়ার অনেকেই সর্বশান্ত
আর কত টাকা হইলে তাহারা কুষ্টিয়াবাসীকে মাফ করিয়া দিবেন ?
কুষ্টিয়ায় দিবালোকে ঠিকাদারকে হাতুড়ি পেটার ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে র‌্যাব
কলেজ ছাত্রকে বিয়ের দা’বিতে পাঁচ সন্তানের জননীর অনশন
গোবিন্দগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু
জননেতা মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি’র দৃষ্টি আকর্ষণ
কুষ্টিয়ায় আরো ৯ জনের মৃত্যু, শনাক্তের হার ৪২.৬৬
মৌলভীবাজারে স্ত্রীর চুলের খোপা কেটে স্ত্রী নির্যাতন ! নির্যাতনকারী স্বামী আটক
গাইবান্ধায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে পৃথক ৩৯ মামলায় ৩১ হাজার ৮শ’ টাকা জরিমানা
ধর্ষণশেষে স্কুলছাত্রীকে বাড়িতে দিয়ে গেল যুবক, বাবার মামলা
কুষ্টিয়ায় হাতুড়ি বাহিনীর হামলায় ঠিকাদার আহত
চিলাহাটি-হলদিবাড়ি দিয়ে নিয়মিত পণ্যট্রেন উন্মুক্ত হচ্ছে