শিরোনাম:
●   কুষ্টিয়ায় নিখোঁজ সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার ●   কাফন মিছিলের পর শাবিতে এবার গণঅনশনের ডাক ●   ●   কুষ্টিয়ায় পরিবেশ বান্ধব জিকজাক ইট ভাটার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ওরা কারা ? ●   কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নবাসী তাদের প্রিয় নেত্রী সম্পা মাহমুদকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানিয়েছে ●   ঢাকাসহ সারাদেশে রেড অ্যালার্ট জারি ●   অবশেষে ‘‘সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী সেতুুর’’ (গড়াই সেতু) টোলে পে-অর্ডারর জাতিয়াতির টাকা ফেরৎ দিল ব্যাংক ●   কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মশাল প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি ●   দৌলতপুরে কৃষি, ব্যাংক কর্মকর্তার ১৩ বছরের কারাদণ্ড ●   ‘একটি গোষ্ঠী ঘটনার জন্ম দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়’
ঢাকা, মঙ্গলবার, ৯ আগস্ট ২০২২, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯

Bijoynews24.com
মঙ্গলবার, ২২ মার্চ ২০১৬
প্রথম পাতা » অনিয়ম-দুর্নীতি | বক্স্ নিউজ | শিরোনাম » প্রবাসী কল্যাণের ইমিগ্রেশন শাখা : ‘ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না’ যেখানে
প্রথম পাতা » অনিয়ম-দুর্নীতি | বক্স্ নিউজ | শিরোনাম » প্রবাসী কল্যাণের ইমিগ্রেশন শাখা : ‘ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না’ যেখানে
মঙ্গলবার, ২২ মার্চ ২০১৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

প্রবাসী কল্যাণের ইমিগ্রেশন শাখা : ‘ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না’ যেখানে

---বিজয় নিউজ: একজন পিয়নের দৈনিক উপরি আয় ১৫শ’ থেকে ২ হাজার টাকা। আর মাঝারি গোছের কর্মকর্তার ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা। ঘুষ না দিলে ফাইল পড়ে থাকবে দিনের পর দিন। ঘুষ দিলেই কেবল সচল হবে ফাইল। শুধু পিয়ন বা মাঝারি গোছের কর্মকর্তাই নয়, ঘুষের এসব
টাকা পৌঁছে যায় সর্বোচ্চ কর্মকর্তা পর্যন্ত- এমন অভিযোগও রয়েছে। রাজধানীর প্রবাসী কল্যাণ ভবনের ইমিগ্রেশন শাখায় এ চিত্র প্রতিদিনের। এ শাখায় ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না। বিভিন্ন হাত ঘুরে একটা ফাইল পরিপক্ক হতে সংশ্লিষ্টদের গুনতে হয় কমপক্ষে ৩ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত। ফাইল ভেদে ঘুষের রেট ভিন্ন। মাঝারি আকারের একটা ফাইল যেখানে সর্বোচ্চ ১৫ জনের বহির্গমন ছাড়পত্র দেয়া হয় তাতে ঘুষের রেট ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা। আর ৩০-৫০ জনের বড় আকারের একটা ফাইল চুড়ান্ত হতে লাগে কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা। সিসি ক্যামেরার কারণে ঘুষের এসব টাকার বেশির ভাগই লেনদেন হয় ওয়াশরুমে। তবে প্রকাশ্যেও কেউ কেউ টাকা নিয়ে থাকেন। একাধিক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, এখানে যে সিসি ক্যামেরা আছে তা ভালোভাবে মনিটরিং হয় না। মনিটরিং হলেই ঘুষখোররা ধরা পড়তো। অনেক সময় ঘুষ বাকিতেও ফাইল নড়ে। তবে ওই টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত পরবর্তী ফাইলগুলো আর আলোর মুখ দেখে না। ফলে বাধ্য হয়েই ঘুষের বিনিমিয়ে কাজ করিয়ে থাকেন সেবাপ্রার্থীরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিন কমপক্ষে ৫০ থেকে ৬০টি ফাইল এ শাখায় নড়াচড়া হয়। সেক্ষেত্রে ৫ থেকে ১০ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেন হয়।
বাংলাদেশ জনশক্তি ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এর ইমিগ্রেশন শাখায় দেশভিত্তিক, জেন্ডারভিত্তিক আলাদা আলাদা দপ্তর রয়েছে। বিদেশ গমনেচ্ছু একজন কর্মীকে বহির্গমন ছাড়পত্র নিতে চালান পে-অর্ডারের কপি, দক্ষ-অদক্ষ কর্মীদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, কল্যাণ বোর্ডের অধীনে পে-অর্ডার ব্যাংক সার্টিফিকেট, ভিসা, পাসপোর্টের ফটোকপি এজেন্সির মালিকের অঙ্গীকারনামাসহ কর্মীর তালিকা সংবলিত ফাইল জমা দিতে হয়। সৌদিতে নারীকর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে চালান বাবদ ৫শ’ টাকা, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের ৩৫শ’ টাকা এবং স্মার্ট কার্ডের জন্য ব্যাংকে আড়াইশ’ টাকা জমা দিতে হয়। সৌদি আরবে একজন নারী কর্মী যেতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে এটাই স্বীকৃত ব্যয়। কিন্তু এরপর থেকেই শুরু হয় ঘুষ দেয়া-নেয়া। অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীদের ফাইল জমা দেয়ার শুরু থেকেই ধাপে ধাপে ঘুষ দিতে হয়। এ বাণিজ্যের শুরু করেন বিএমইটি’র ইমিগ্রেশন শাখার প্রধান সহকারী। দেশ এবং জেন্ডারভিত্তিক প্রতিটি ডেস্কেই একজন করে প্রধান সহকারী রয়েছেন। এই ডেস্কে তিনিই সর্বেসর্বা। সৌদি আরবে গমনেচ্ছু নারী কর্মীদের ফাইল অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রথমে ফাইল জমা পড়ে মহিলা শাখার প্রধান সহকারী সুমিত্র দেওয়ানের কাছে। তার থেকেই ঘুষ বাণিজ্যের শুরু। তিনি ফাইলপ্রতি ২ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকেন। এরপর ফাইল চলে যায় সহকারী পরিচালক আখলাক-উজ-জামান এর কাছে। তবে তিনি কারো কাছ থেকে ঘুষ না নিলেও তার পিয়নকে টাকা দেয়া বাধ্যতামূলক। এখানে ফাইলপ্রতি দিতে কমপক্ষে ১০০ টাকা। কারো কারো কাছ থেকে ৫শ’ টাকাও আদায় করে ছাড়েন পিয়ন দয়াল। এই পিয়ন এতটাই ক্ষমতাধারী যে টাকা না দিলে দিনের পর দিন ফাইল আটকে রাখেন। এরপর ফাইল চলে যায় উপ-পরিচালক (সহকারী সিনিয়র সচিব) ডিএম আতিকুর রহমানের দপ্তরে। তাকেও টাকা দিতে হয় না বলে জানান ফাইল নিয়ে আসা লোকজন। তবে তার সহকারী (পিএ) আসলামকে টাকা না দিলে ফাইলের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। তাকে একশ’ থেকে দুইশ’ টাকা দিয়ে খুশি করার পর ফাইলের পরবর্তী গন্তব্য হয় পরিচালক (বহির্গমন) যুগ্ম সচিব মো. গোলাম মোস্তফা খান-এর দপ্তর। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দেশ এবং জেন্ডারভিত্তিক আলাদা আলাদা দপ্তরের সকল ফাইলই তার হাতে যায়। এই পরিচালকের হাতে ফাইল যায় তার দপ্তরের ৩ সহকারীকে টপকিয়ে। সংখ্যায় তিনজন হওয়ায় এখানে ঘুষের রেট একটু বেশি। ৫শ’ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে কোন কোন ফাইলের ক্ষেত্রে তারা ৫ হাজার টাকাও আদায় করে থাকেন। এই তিনজন হলেন নজরুল ইসলাম, তপন এবং ইকবাল। পরিচালকের দপ্তর থেকেই অনেক ফাইল চূড়ান্ত হয়ে সংশ্লিষ্ট ডেস্কের প্রধান সহকারীর মাধ্যমে চলে যায় কার্ড শাখায়। এখানেও ঘুষ। এর পরিমাণ একশ’ থেকে দুইশ’ টাকা। কিন্তু ফাইলের আকার ৩০ জনের বেশি হলে পরিচালকের কাছ থেকে ছাড়পত্র পেয়ে ফাইল চলে যায় সহকারী মহাপরিচালক (এডিজি) মো. নিজাম উদ্দিন-এর হাতে। তার কক্ষে ফাইল পৌঁছতে গেট পাস দেন তার সহকারী হানিফ। তার সঙ্গে রয়েছেন আরও দুই সহকারী। ৫শ’ থেকে একহাজার টাকার বিনিময়ে এডিজি’র কক্ষের গেট পাস দিয়ে থাকেন তারা। এডিজির ছাড়াপত্রের পর ফাইলের চূড়ান্ত গন্তব্য বিএমইটির মহাপরিচালকের (ডিজি) দপ্তর। এখানেও বসে আছেন এক ঘুষখোর ব্যক্তিগত সহকারী। তার নাম জনি চৌধুরী। তিনি নিয়ে থাকেন ৫শ’ থেকে একহাজার টাকা। ভুক্তভোগীর জানান, তারা যেহেতু এডিজি এবং ডিজির কক্ষে যেতে পারেন না। তাই তাদের কাছে এসব সহকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগও দিতে পারেন না। অন্যদিকে পরবর্তীতে আর ফাইল যদি না নড়ে এই ভয়ে তারা অভিযোগ দিতেও চান না। এই বহু হাত বদলে ফাইলে ময়লার আস্তর পড়লেও ঘুষদাতা এবং গ্রহীতার যেন কোনো ক্লান্তি নেই। এই যেন নিয়ম হয়ে গেছে। ঘুষদাতাকেও মোটেই অখুশি মনে হয় না। তাদের সন্তুষ্টির কারণ হলো ঘুষ দিয়েও তারা একদিনেই ফাইল ক্লোজ করতে পারেন। এখান থেকে ফাইল ঘুরে সহকারী মহাপরিচালক, পরিচালক (বহির্গমন), সংশ্লিষ্ট ডেস্কের সহকারী পরিচালক হয়ে প্রধান সহকারী। এরপর কার্ড শাখায়। সৌদি আরবের মহিলা ডেস্কের মতো সব ডেস্কেই একইভাবে লেনদেন হয় ঘুষ। খোঁজ নিয়ে জানা যায় দুপুর তিনটার পর থেকে মূলত টাকা লেনদেন শুরু হয়। কিন্তু কোন কারণে কোন ফাইলের মালিক টাকা দিতে না পারলে পরবর্তীতে দেয়ার জন্য মৌখিক প্রতিশ্রুতি দিতে হয়। যদি কোন কারণে না দেন তবে পরবর্তীতে তার কোন ফাইল ছাড়া হয় না। মোটকথা একটি ফাইল ডাউন হওয়ার পর থেকে স্মার্ট কার্ড পাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপেই চলে ঘুষ বাণিজ্য। না দিলে ভোগান্তি দিনের পর দিন। ভুক্তভোগীরা বলেন, অনেক জায়গায় সিসি ক্যামেরার কারণে ওয়াশরুমেও ঘুষ লেনদেন হয়। নামপ্রকাশ না করার শর্তে একটি এজেন্সির প্রতিনিধি বলেন, কোথায় টাকা দিতে হয় না বলেন। ফাইল যত টেবিল ঘুরবে তত টেবিলেই টাকা দিতে হয়। আর যদি টাকা না দেয়া হয় তো নানা অজুহাতে দিনের পর দিন ফাইল আটকে থাকে। একটা ফাইল সম্পন্ন হতে কত টাকা ঘুষ দিতে হয় এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন হিসাব নেই, তবে ১৫ জনের ফাইলে ৫ হাজার টাকা এবং তার বেশি হলে ১০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। এ ব্যাপারে বিএমইটি’র সহকারী মহাপরিচালক মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, ডিজি আছেন, সচিব আছেন, আপনি এ ব্যাপারে তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেন, এটা আমার নজরে ছিল না। সিসি ক্যামেরায় ঠিকমতো মনিটরিং হয় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমার কাছে ওইটার সিসি ক্যামেরা নাই। বিষয়টি আমার মনে থাকবে।



এ পাতার আরও খবর

কুষ্টিয়ায় নিখোঁজ সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় নিখোঁজ সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার
কুষ্টিয়ায় পরিবেশ বান্ধব জিকজাক ইট ভাটার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ওরা কারা ? কুষ্টিয়ায় পরিবেশ বান্ধব জিকজাক ইট ভাটার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ওরা কারা ?
কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নবাসী তাদের প্রিয় নেত্রী সম্পা মাহমুদকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানিয়েছে কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নবাসী তাদের প্রিয় নেত্রী সম্পা মাহমুদকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানিয়েছে
ঢাকাসহ সারাদেশে রেড অ্যালার্ট জারি ঢাকাসহ সারাদেশে রেড অ্যালার্ট জারি
অবশেষে ‘‘সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী সেতুুর’’ (গড়াই সেতু) টোলে পে-অর্ডারর জাতিয়াতির টাকা ফেরৎ দিল ব্যাংক অবশেষে ‘‘সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী সেতুুর’’ (গড়াই সেতু) টোলে পে-অর্ডারর জাতিয়াতির টাকা ফেরৎ দিল ব্যাংক
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মশাল প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মশাল প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি
দৌলতপুরে কৃষি, ব্যাংক কর্মকর্তার ১৩ বছরের কারাদণ্ড দৌলতপুরে কৃষি, ব্যাংক কর্মকর্তার ১৩ বছরের কারাদণ্ড
‘একটি গোষ্ঠী ঘটনার জন্ম দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়’ ‘একটি গোষ্ঠী ঘটনার জন্ম দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়’
আবরারের মাও যেন বলতে পারে, ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি আবরারের মাও যেন বলতে পারে, ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
কুষ্টিয়ায় পরিবেশ বান্ধব জিকজাক ইট ভাটার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ওরা কারা ?
কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নবাসী তাদের প্রিয় নেত্রী সম্পা মাহমুদকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানিয়েছে
ঢাকাসহ সারাদেশে রেড অ্যালার্ট জারি
অবশেষে ‘‘সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী সেতুুর’’ (গড়াই সেতু) টোলে পে-অর্ডারর জাতিয়াতির টাকা ফেরৎ দিল ব্যাংক
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মশাল প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি
দৌলতপুরে কৃষি, ব্যাংক কর্মকর্তার ১৩ বছরের কারাদণ্ড
‘একটি গোষ্ঠী ঘটনার জন্ম দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়’
আবরারের মাও যেন বলতে পারে, ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি
সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ শাহবাগে ‘গণঅনশন ও অবস্থান’ কর্মসূচিতে সংখ্যালঘুদের ৮ দফা দাবি
আজ বিআরবি কেবল ইন্ড্রাষ্টিজ লিমিটেড এর ৪৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী
কুষ্টিয়া জেলা প্রেসক্লাবের অভিনন্দন
মণ্ডপে হামলা : উস্কানিদাতা ইসলামিক বক্তা গ্রেপ্তার
প্রেমিককে স্বামী বানিয়ে প্রবাসীর সম্পদ লিখে নেন সাকুরা
আবারও বাড়ছে ভোজ্যতেলের দাম
তথ্য প্রতিমন্ত্রীকে সাঈদ খোকনের চ্যালেঞ্জ ইসলাম ত্যাগ করেন, দুই দিনও মন্ত্রী থাকতে পারবেন না
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে আপত্তিকর অবস্থা থেকে পালাতে গিয়ে ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে যুবকের মৃত্যু
কুষ্টিয়া প্রেসক্লাব কেপিসির নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ ও শপথ অনুষ্ঠিত
চিলাহাটি গার্লস্ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের প্রদায়ন ও নবাগত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত
স্বামী বিদেশে নেওয়ার আগেই রাতের আধারে প্রেমিকের সঙ্গে পালালেন স্ত্রী