শিরোনাম:
●   কাফন মিছিলের পর শাবিতে এবার গণঅনশনের ডাক ●   ●   কুষ্টিয়ায় পরিবেশ বান্ধব জিকজাক ইট ভাটার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ওরা কারা ? ●   কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নবাসী তাদের প্রিয় নেত্রী সম্পা মাহমুদকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানিয়েছে ●   ঢাকাসহ সারাদেশে রেড অ্যালার্ট জারি ●   অবশেষে ‘‘সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী সেতুুর’’ (গড়াই সেতু) টোলে পে-অর্ডারর জাতিয়াতির টাকা ফেরৎ দিল ব্যাংক ●   কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মশাল প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি ●   দৌলতপুরে কৃষি, ব্যাংক কর্মকর্তার ১৩ বছরের কারাদণ্ড ●   ‘একটি গোষ্ঠী ঘটনার জন্ম দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়’ ●   আবরারের মাও যেন বলতে পারে, ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

Bijoynews24.com
শুক্রবার, ২০ আগস্ট ২০২১
প্রথম পাতা » অপরাধ জগত | জাতীয় সংবাদ | বক্স্ নিউজ | মিডিয়া | শিরোনাম » · আদালত বললেন, আপনার রিপোর্ট পড়ি, আপনারা দেশপ্রেমিক
প্রথম পাতা » অপরাধ জগত | জাতীয় সংবাদ | বক্স্ নিউজ | মিডিয়া | শিরোনাম » · আদালত বললেন, আপনার রিপোর্ট পড়ি, আপনারা দেশপ্রেমিক
শুক্রবার, ২০ আগস্ট ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

· আদালত বললেন, আপনার রিপোর্ট পড়ি, আপনারা দেশপ্রেমিক

 ---Bijoynews :

 

হুমকি, হামলা, মামলাসহ নানামুখী হয়রানি হচ্ছে একজন পেশাদার সাংবাদিকের অলঙ্কার। আমৃত্যু সাদামাটা জীবন ধারনকারী সংবাদ কর্মিদের সদা সর্বদা পোশাক পরিচ্ছদে ফিটফাট হয়ে চলার উপায় নেই। মাঠ পর্যায়ে নানা ঘটন অঘটনে যখন তখন যত্রতত্র হাজির হওয়া মানুষটির নিজের পোশাক পরিচ্ছদের প্রতি বিশেষ নজরদারির সুযোগই থাকে না? সেখানে অলঙ্কারাদি নিয়ে ভাবনার সুযোগ কই? তাই চারপাশের সমাজবিরোধী, দুর্বৃত্ত, লুটেরাচক্র যখন সাংবাদিকদের উপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করে তখন মনে হয় উচ্ছ্বাস আনন্দের রঙ মেখে দেয়া হয়েছে। যখন নানারকম মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয় তখন মনে ক্লান্তিহীন জীবনে জেলবন্দী করে হলেও কিছুটা আয়েশে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আর হুমকি? শুরুতেই হুমকিদাতাকে পরম বন্ধু ভেবে নিলেই আর কষ্ট থাকার কথা ন॥ ভেবে দেখুন তো, মায়ের পরে হুমকিদাতাই শুধু মমত্ববোধের পরিচয় দিয়ে থাকেন আগাম সতর্কতার মাধ্যমে। আপনার চরম শত্রুটি আপনাকে সতর্ক হওয়ার বিন্দুমাত্র সুযোগ না দিয়েই ক্ষয়ক্ষতি সাধন করবে। সেক্ষেত্রে হুমকিদাতা হুমকি দেয়ার মাধ্যমে আপনার জানমাল হেফাজতের জন্য আগাম সতর্ক করে কতটা মমত্ববোধের পরিচয় দেয় তা আন্তরিকতার সঙ্গে বিবেচনায় নেয়া হয় না বললেই চলে।

একটানা ৩২ বছরের সাংবাদিকতায় কত শত যে হুমকি পেয়েছি তার ইয়োত্তা নেই। বিনিময়ে পাল্টা হুমকিও দিয়েছি অসংখ্য, তবে তা মৌখিকভাবে নয়। হুমকিদাতার অপরাধ দুর্নীতির খবর ফলাও ভাবে প্রকাশ করে হুমকির জবাব দিয়েছি। কিন্তু ‘সাংবাদিক রিমন হুমকির শিকার’ কিংবা ‘সাংবাদিক রিমনকে হুমকি’ এমন সংবাদ ছাপতে চাইনি কখনও। কারণ, এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করলেই অপরাধী চক্রের জানা হয়ে যাবে যে, সাংবাদিক রিমনকে হুমকি দেয়া যায়। ফলে আমার বিভিন্ন রিপোর্টে বিরাগভাজন অন্যান্য চক্রও এ খবর জেনে গেলে ধারাবাহিক হুমকি শুরু হতে পারে। বরং চক্রগুলো জানুক সাংবাদিক রিমন হুমকির উর্দ্ধে, তাকে হুমকি দেয়া যায় না। এবার আসি আরেক অলঙ্কার মামলার প্রসঙ্গে। সাংবাদিকতায় প্রবেশের আগে পরে আমার নামে অন্য কোনো বিষয় নিয়ে কোনো জিডি লিপিবদ্ধ করারও নজির নেই দেশে, অথচ সংবাদ ছাপায় দুর্বৃত্ত লুটেরাদের সম্মানহানি হয়েছে এইমর্মে ১৮টি মামলা হয়েছে আমার বিরুদ্ধে। এসব মামলার যবনিকাপাতও ঘটেছে দারুণ সব আনন্দদায়ক ঘটনার মধ্য দিয়েই। যেমন আমার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরকারী ছয় জন বাদী আদালত প্রাঙ্গন থেকেই জনরোষের মুখে পালিয়ে নিজেদের জীবন রক্ষা করেছে, আর কখনো তারা আদালতমুখি হয়নি। দুটি মামলায় হাজিরা দিতে গিয়ে আদালতের কাঠগড়াতেই বিশেষ ব্যবস্থায় দেয়া চেয়ারে বসে সম্মানীত বিচারকের ইচ্ছায় একাধিক সংবাদ সংগ্রহের কাহিনীর বর্ণনা দিতে হয়েছে। আদালত বললেন, আপনার রিপোর্ট পড়ি, এসব কাহিনী বের করেন কিভাবে দুই একটা কাহিনী শুনতে চাই। আমার সেসব কাহিনী বর্ণনাকালেই সম্মানীত বিচারককে বলতে শুনেছি : ‘সাইলেন্ট সাইলেন্ট…কোনো শব্দ হবে না এখন। যারা দেশ নিয়ে ভাবেন, দেশ ও মানুষের কল্যাণের জন্য কলম লড়াই করেন… সেই অকুতোভয়ী একজন সাংবাদিক আজ চট্টগ্রামের এই আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। দেশসেবী এই বীরদের মুখের কথা শোনাও আমাদের শিক্ষাদীক্ষা, দেশপ্রেমের অংশ।’

সেই কাঠগড়াতেই বসে বসে আমাকে বর্ণনা দিতে হয়েছে সুন্দরবনের কান্না শীর্ষক সিরিজ রিপোর্টের তথ্য সংগ্রহের বর্ণাঢ্য কাহিনী। বলতে হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে শত শত কাঠ পাচারের আদ্যপ্রান্ত, উলফাদের সশস্ত্র ক্যম্প আবিস্কারের বিবরণ। সবশেষে বিচারক আদালতের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের বললেন, সাংবাদিক সাহেবকে স্বসম্মানে গাড়িতে তুলে দিয়ে আসুন, আর আমাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, আপনার মামলার পরবর্তী তারিখ ও করনীয় বিষয় আপনার উকিলের সঙ্গে যোগাযোগ করে জেনে নিবেন।

সাংবাদিক হিসেবে ১৯৯৯ সালে আমার বিরুদ্ধে প্রথম মানহানীর মামলাটি দায়ের করে যমুনা শিল্প গ্রুপ। নরসিংদীতে বিষাক্ত মদ খেয়ে দেড় শতাধিক মানুষ মারা যাওয়ার ঘটনায় তৎকালীন বাংলাবাজার পত্রিকায় পর পর তিনটি লীড নিউজ প্রকাশ করি। এতেই সংক্ষুব্ধ হয়ে যমুনা গ্রুপ আমার বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার দাবিতে শুধু মানহানী মামলা রুজু করেই ক্ষ্যান্ত হয়নি, প্রথম শ্রেণীর ১৩টি দৈনিক পত্রিকার প্রথম পাতায় “এই সাংবাদিককে ধরিয়ে দিন” মর্মে আমার ছবিসহ বিজ্ঞাপন পর্যন্ত ছাপিয়ে দেয়। প্রথম সেই মামলার ঘটনায় আমার পরিবারে সে কী অবস্থা! রীতিমত শোককাতর পরিবেশ। সদ্য বিয়ে করা স্ত্রীর মুখখানা শুকিয়ে যায়, সে কাগজ কলম নিয়ে হিসেবে বসে। পৈতৃক সূত্রে তার সম্ভাব্য প্রাপ্তির জায়গা জমি, সম্পদ মিলিয়ে কত টাকা হতে পারে সে হিসেব কষতে থাকে বারবার। কিন্তু কোনভাবেই তার পরিমাণ ৫০ কোটির কাছাকাছি না হওয়ায় রাজ্যের দুঃশ্চিন্তা তাকে পেয়ে বসে, কোনো শান্তনাই যেন তার সে চিন্তারাজ্যের মেঘ কাটাতে পারছিল না। ঘুরেফিরে তার একটাই প্রশ্ন, এতো টাকা কিভাবে শোধ করে মুক্তি পাবো আমি, মামলা থেকে বাঁচার পথই বা কী? তার এ অবস্থা দেখে আমি তো হাসি চাপা দিতেই পারছিলাম না। শুধু বলেছিলাম, আদালতের টাকা পরিশোধ করার জন্য ব্যাংকগুলো থেকে বিনাশর্তে ঋণ দেয়ার বিধান রয়েছে, অতএব খুব একটা চিন্তার কিছু নেই।

পরবর্তী মামলাটি হয় রাজশাহীর আদালতে, সেখানে ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংঘর্ষ ও হত্যাকান্ডের সময় ডিসি, এসপি ব্যস্ত ছিলেন রঙ্গীণ পানির আড্ডায়’ শীর্ষক প্রতিবেদন ছাপানোতে জেলা প্রশাসন ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। এরপর একে একে ঢাকার সিএমএম আদালত, চট্টগ্রাম, লালমনিরহাট, কুমিল্লা, নরসিংদী, ব্রাম্মনবাড়িয়া, বরিশাল, ফেনী, কিশোরগঞ্জের আদালতে ১৮টি মানহানীর মামলা রুজু হয়।

গত দুই বছর আগে শেষ মামলাটি করেছিলেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, লালমনিরহাটে তিনবারের সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেন। একসময়ের ডিলার দোকানের মাধ্যমে জীবিকা চালানো মোতাহারের দেশে বিদেশে বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলা নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের ঘটনায় ১০০ কোটি টাকার দাবিতে মানহানী মামলা রুজু করেন। সেই আদালতে হাজিরা দেয়ার আগেই মোতাহার হোসেন এমপি বিভিন্ন এমপি ও একাধিক মন্ত্রীর সহায়তা নিয়ে আদালতের বাইরেই সমঝোতার জন্য দৌড়াদৌড়ি করেন। সঙ্গত কারণেই অনেক ইচ্ছা থাকা সত্তেও আমার আর লালমনিরহাট আদালতে হাজির দেয়ার আশাটা পূরণ করা সম্ভব হলো না। আমি আদালতে যেতে আগ্রহী অন্য একটি কারণে।

মানহানি মামলার বিষয়টি নিয়ে আমার নিজস্ব একটা অভিব্যক্তি আছে। সেটি হলো: সমাজ ও রাষ্ট্রে যারা মানহীন কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত থাকেন তাদেরকে বিচারের মাধ্যমে শাস্তি দেয়া, অপদস্ত করাটাই “ন্যায্য বিচার” হওয়ার কথা। এক্ষেত্রে যার আওতায় যতটুকু ক্ষমতা আছে তিনি ততটুকুই প্রয়োগ করবেন। যেমন ইউনিয়ন পরিষদে উক্ত মানহীন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিচার বৈঠক হলে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান অনুর্দ্ধ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারবেন। কিন্তু থানা কগনিজেন্ট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটরা সংশ্লিষ্ট অপরাধীকে অনুর্দ্ধ যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করতে পারবেন। একইভাবে সংবাদপত্র/সাংবাদিকরা অর্পিত সামাজিক দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে মানহীন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ‘মান বিনষ্টমূলক প্রচারনা’ চালাবেন-এটাই তো সাভাবিক। তাহলে আমরা কেন আদালতে দাঁড়িয়ে ‘অমুকের মানহানি করিবার উদ্দেশ্যে এমন নিউজ করা হয়নি। পরোক্ষভাবেও তার মান ক্ষুন্ন হয়ে থাকলে তা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত’ এসব সাফাই গাইতে যাই কেন?

কোনোভাবেই কি বলা যায় না: এই লোক সমাজের ক্ষতিকারক প্রাণী (!)। তার সম্মান ক্ষুন্ন করার আগ্রহে অত্যন্ত সচেনতা ও বিচক্ষণতার সঙ্গেই অমুক রিপোর্টটি ছাপিয়েছি। সমাজ ও রাষ্ট্রে তাকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার মাধ্যমে আরো লাখো লাখো সহজ সরল মানুষকে প্রতারণা ও আগ্রাসী থাবা থেকে রক্ষা করতেই এ কাজ করেছি।’ যার অপরাধ-দুর্নীতি ফুটিয়ে তুলে সমাজে চিহ্নিত করতে রিপোর্ট ছাপলাম-ছবি প্রকাশ করলাম। আবার আদালতে গিয়ে ‘তিনি সম্মানী মানুষ-তার মানহানি করার প্রশ্নই উঠে না’- এমন দ্বৈত মনোভাব পোষন করি কিভাবে ? তবে আইন হয়তো তা সাপোর্ট করবে না, একজন সংবাদ কর্মির ক্ষুব্ধ প্রতিবাদের অংশ হিসেবেই বিষয়টি শেয়ার করলাম মাত্র।

বসুন্ধরার সম্মানীত চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ প্রতিদিনের মান্যবর সম্পাদক নঈম নিজাম এবং সিনিয়র রিপোর্টার আমি সাঈদুর রহমান রিমনসহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন বিচ্ছু সামশু খ্যাত হুইপ সাহেব। এ মামলার ঘটনায় গতকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে হারে বাদ প্রতিবাদ করেছেন শুভাকাঙ্খী, বন্ধুজন, সহকর্মি, ভাই বোনেরা তার কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। পরিচিত প্রিয়জনরা তাদের সঙ্গে আমার স্মৃতিময় নানা ছবি সংযুক্ত করে যেভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছেন, বিশ্বাস করুন সে চিত্র আমাকে কাঁদিয়ে ছেড়েছে। আপনাদের ভালবাসার ভিত্তি যে এতটাই মজবুত তা বোধহয় পাশে থেকেও টের পাইনি। বারবারই আন্তরিকতায় নিজেকে খুব বেশি দরিদ্র বলেই মনে হয়েছে, মনে হয়েছে আপনাদের ভালবাসার সামনে আমার ভালবাসাটা মেকী, কেবলই অভিনয়। আমাকে মাফ করবেন…কথা দিচ্ছি, আপনাদের এ ভালবাসার কৃতজ্ঞতা আমৃত্যু বহণ করবো, আজীবন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবো।



এ পাতার আরও খবর

কুষ্টিয়ায় পরিবেশ বান্ধব জিকজাক ইট ভাটার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ওরা কারা ? কুষ্টিয়ায় পরিবেশ বান্ধব জিকজাক ইট ভাটার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ওরা কারা ?
কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নবাসী তাদের প্রিয় নেত্রী সম্পা মাহমুদকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানিয়েছে কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নবাসী তাদের প্রিয় নেত্রী সম্পা মাহমুদকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানিয়েছে
ঢাকাসহ সারাদেশে রেড অ্যালার্ট জারি ঢাকাসহ সারাদেশে রেড অ্যালার্ট জারি
অবশেষে ‘‘সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী সেতুুর’’ (গড়াই সেতু) টোলে পে-অর্ডারর জাতিয়াতির টাকা ফেরৎ দিল ব্যাংক অবশেষে ‘‘সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী সেতুুর’’ (গড়াই সেতু) টোলে পে-অর্ডারর জাতিয়াতির টাকা ফেরৎ দিল ব্যাংক
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মশাল প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মশাল প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি
দৌলতপুরে কৃষি, ব্যাংক কর্মকর্তার ১৩ বছরের কারাদণ্ড দৌলতপুরে কৃষি, ব্যাংক কর্মকর্তার ১৩ বছরের কারাদণ্ড
‘একটি গোষ্ঠী ঘটনার জন্ম দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়’ ‘একটি গোষ্ঠী ঘটনার জন্ম দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়’
আবরারের মাও যেন বলতে পারে, ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি আবরারের মাও যেন বলতে পারে, ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি
সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ শাহবাগে ‘গণঅনশন ও অবস্থান’ কর্মসূচিতে সংখ্যালঘুদের ৮ দফা দাবি সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ শাহবাগে ‘গণঅনশন ও অবস্থান’ কর্মসূচিতে সংখ্যালঘুদের ৮ দফা দাবি

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
কুষ্টিয়ায় পরিবেশ বান্ধব জিকজাক ইট ভাটার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ওরা কারা ?
কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নবাসী তাদের প্রিয় নেত্রী সম্পা মাহমুদকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানিয়েছে
ঢাকাসহ সারাদেশে রেড অ্যালার্ট জারি
অবশেষে ‘‘সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী সেতুুর’’ (গড়াই সেতু) টোলে পে-অর্ডারর জাতিয়াতির টাকা ফেরৎ দিল ব্যাংক
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মশাল প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি
দৌলতপুরে কৃষি, ব্যাংক কর্মকর্তার ১৩ বছরের কারাদণ্ড
‘একটি গোষ্ঠী ঘটনার জন্ম দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়’
আবরারের মাও যেন বলতে পারে, ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি
সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ শাহবাগে ‘গণঅনশন ও অবস্থান’ কর্মসূচিতে সংখ্যালঘুদের ৮ দফা দাবি
আজ বিআরবি কেবল ইন্ড্রাষ্টিজ লিমিটেড এর ৪৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী
কুষ্টিয়া জেলা প্রেসক্লাবের অভিনন্দন
মণ্ডপে হামলা : উস্কানিদাতা ইসলামিক বক্তা গ্রেপ্তার
প্রেমিককে স্বামী বানিয়ে প্রবাসীর সম্পদ লিখে নেন সাকুরা
আবারও বাড়ছে ভোজ্যতেলের দাম
তথ্য প্রতিমন্ত্রীকে সাঈদ খোকনের চ্যালেঞ্জ ইসলাম ত্যাগ করেন, দুই দিনও মন্ত্রী থাকতে পারবেন না
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে আপত্তিকর অবস্থা থেকে পালাতে গিয়ে ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে যুবকের মৃত্যু
কুষ্টিয়া প্রেসক্লাব কেপিসির নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ ও শপথ অনুষ্ঠিত
চিলাহাটি গার্লস্ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের প্রদায়ন ও নবাগত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত
স্বামী বিদেশে নেওয়ার আগেই রাতের আধারে প্রেমিকের সঙ্গে পালালেন স্ত্রী