শিরোনাম:
●   কাফন মিছিলের পর শাবিতে এবার গণঅনশনের ডাক ●   NID জালকারী হাজির কারণে কুষ্টিয়া সদরে নৌকার ভোট বিপর্যয় ! ●   কুষ্টিয়ায় পরিবেশ বান্ধব জিকজাক ইট ভাটার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ওরা কারা ? ●   কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নবাসী তাদের প্রিয় নেত্রী সম্পা মাহমুদকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানিয়েছে ●   ঢাকাসহ সারাদেশে রেড অ্যালার্ট জারি ●   অবশেষে ‘‘সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী সেতুুর’’ (গড়াই সেতু) টোলে পে-অর্ডারর জাতিয়াতির টাকা ফেরৎ দিল ব্যাংক ●   কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মশাল প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি ●   দৌলতপুরে কৃষি, ব্যাংক কর্মকর্তার ১৩ বছরের কারাদণ্ড ●   ‘একটি গোষ্ঠী ঘটনার জন্ম দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়’ ●   আবরারের মাও যেন বলতে পারে, ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি
ঢাকা, রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ৯ মাঘ ১৪২৮

Bijoynews24.com
মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১
প্রথম পাতা » জাতীয় সংবাদ | বক্স্ নিউজ | রাজনীতি | শিরোনাম » অভিশপ্ত ইহুদি জাতির ইতিহাস
প্রথম পাতা » জাতীয় সংবাদ | বক্স্ নিউজ | রাজনীতি | শিরোনাম » অভিশপ্ত ইহুদি জাতির ইতিহাস
মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

অভিশপ্ত ইহুদি জাতির ইতিহাস

---Bijoynews : বিশ্বের বুকে জাতি হিসেবে ইহুদিদের চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র ও অপকর্মের ইতিহাস সর্বজনবিদিত। কোরআনে কারিমে তাদের অভিশপ্ত ও লাঞ্ছিত জাতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সুদখোর ও ধনলিপ্সু জাতি হিসেবেও তাদের একটা পরিচয় রয়েছে। এ জাতি যুগ যুগ ধরে খোদাদ্রোহিতা, কুফরি ও তাদের খারাপ কর্মকাণ্ডের জন্য মানুষের কাছে অত্যন্ত ঘৃণাভরে পরিচিতি পেয়ে এসেছে। জন্মগতভাবেই এই জাতি খুবই চতুর ও ধুরন্ধর হওয়ায় বিভিন্ন ছলচাতুরী দিয়ে মানুষকে বশীভূত রাখার কৌশল অবলম্বন করে। এর মাধ্যমে তারা অন্যের ওপর দিয়ে যুগে যুগে তাদের নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তাদের ওপর আরোপ করা হলো লাঞ্ছনা ও পরমুখাপেক্ষিতা। তারা আল্লাহর রোষানলে পতিত হয়ে ঘুরতে থাকল। এ জন্য যে তারা আল্লাহর বিধানের সঙ্গে কুফরি করত এবং নবীদের অন্যায়ভাবে হত্যা করত। কারণ তারা ছিল নাফরমান ও সীমা লঙ্ঘনকারী।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ৬১)

ইহুদি নামকরণ ও ইহুদি জাতির গোড়ার ইতিহাস

হজরত ইসহাক (আ.)-এর পুত্র হজরত ইয়াকুব (আ.)-এর বংশধররা বনি ইসরাইল নামে পরিচিত। বনি ইসরাইল হচ্ছে আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহপ্রাপ্ত ইব্রাহিম (আ.)-এর বংশধরদের একটি শাখা। এ শাখারই একটি অংশ পরবর্তীকালে নিজেদের ইহুদি নামে পরিচয় দিতে থাকে। হজরত ইয়াকুব (আ.)-এর এক পুত্রের নাম ছিল ইয়াহুদা। সেই নামের অংশবিশেষ থেকে ‘ইহুদি’ নামকরণ করা হয়েছিল। (তাফসিরে মাওয়ারদি : ১/১৩১)

যুগে যুগে ইহুদিদের অপকর্ম ও ঐতিহাসিক শাস্তি

ইহুদি জাতিকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি কষ্টে ভুগেছেন হজরত মুসা (আ.)। কোরআন শরিফের বহু জায়গায় এর বিশদ বর্ণনা এসেছে। সুরা বাকারার শুরুর দিকে ইহুদি জাতির ওপর আল্লাহর রহমত এবং প্রায় ১২টি কুকর্ম ও আল্লাহর পক্ষ থেকে এর শাস্তির বিবরণ রয়েছে।

আল্লাহ তাদের মিসরের ফেরাউনের হাত থেকে রক্ষা করার পর মুসা (আ.) তুর পাহাড়ে আল্লাহর পক্ষ থেকে তাওরাত আনার জন্য গেলে তারা গরুর বাছুরের পূজা আরম্ভ করে। আল্লাহ তাদের এর শাস্তি দিয়ে ক্ষমা করার পর আবার তারা বায়না করে বসে আল্লাহকে স্বচক্ষে দেখার জন্য। এ জন্য তাদের ওপর ফেরেশতার মাধ্যমে তুর পাহাড় উঠিয়ে শাস্তির ভয় দেখানো হয়।

মুসা (আ.)-এর দোয়ায় তাদের জন্য কুদরতি খাবারের ব্যবস্থা করা হলে তারা অকৃতজ্ঞ হয়ে তা খেতে অস্বীকার করে।

কখনো তারা মুসা (আ.)-এর ওপর খারাপ অসুস্থতা ও ব্যভিচারের অপবাদ দেয়। এভাবে হজরত মুসা (আ.) আজীবন তাদের নিয়ে কষ্ট করেন।

হজরত দাউদ (আ.) প্রতি শনিবার আল্লাহর কিতাব জবুর পাঠ করতেন, ওই সময় সমুদ্রের মাছও কিনারে এসে তাঁর তেলাওয়াত শুনত। কিন্তু ইহুদিরা ওই সময় মাছগুলো ধরে নিত। আল্লাহর পক্ষ থেকে ওই দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ হলে তারা আল্লাহর বিধানেও তাদের কূটবুদ্ধির অবতারণা করে, তারা শনিবার মাছ ঘেরাও করে রেখে রবিবার তা ধরত। আল্লাহ এর শাস্তিস্বরূপ তাদের একদলকে বানরে পরিণত করেন। তিন দিনের মাথায় ওই বানরের দল সব মারা যায়। (সুরা বাকারা, আয়াত ৪৯-৭৩)

ইহুদি জাতি হজরত সুলাইমান (আ.)-এর ওফাতের পর পারস্পরিক বিভক্তি এবং ধর্মদ্রোহিতা ও কুকর্মের পথ অবলম্বন করে। কোনো কোনো নবী এসে আল্লাহর নির্দেশে ইহুদিদের এ ধরনের কার্যকলাপের শোচনীয় পরিণাম সম্পর্কে সতর্কবাণী শোনালেও তারা তাঁর কথা না মেনে উল্টো নবীর সঙ্গে বিদ্রোহ করে। তখন আল্লাহর গজব হিসেবে তাদের ওপর মিসরের জনৈক সম্রাট চড়াও হয়ে ব্যাপক হত্যা ও লুণ্ঠন চালায়।

এরপর কিছুদিন তারা মোটামুটি ভালোভাবে চলে, কিন্তু তাদের উপাদানগত কুপ্রবৃত্তি তাদের ভালো থাকতে দেয়নি। তারা খোদাদ্রোহিতার বশবর্তী হয়ে মূর্তিপূজা আরম্ভ করে। হজরত ইলিয়াস (আ.) ইহুদিদের পৌত্তলিকতার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন। তিনি ইহুদিদের বিরাগভাজন হয়ে নির্যাতনের শিকারই শুধু হননি, তারা তাঁকে হত্যার জন্যও উদ্ধত হয়। পরিণামে আবার তাদের ওপর মিসরের জনৈক সম্রাট চড়াও হয়ে হত্যা ও লুণ্ঠন চালায়। তারপর অবস্থার যিকঞ্চিৎ উন্নতি হয়।

অতঃপর আবার অপকর্মে জড়িয়ে পড়লে তাদের ওপর বাবেল সম্রাট বুখতে নসর চড়াও হয়। সম্রাট বায়তুল মাকদিসে আক্রমণ চালিয়ে মসজিদে আকসা ধ্বংস করে দেয়। হত্যাযজ্ঞ ও লুণ্ঠনের মাধ্যমে শহরটি উজাড় করে দেয়। এরপর ইহুদিরা বায়তুল মাকদিস থেকে নির্বাসিত হয়ে বাবেলে স্থানান্তরিত হয়। সেখানে চরম লাঞ্ছনা ও দুর্গতির মধ্যে ৭০ বছর পার করে। অতঃপর জনৈক ইরান সম্রাট বাবেল দখল করে ইহুদিদের ওপর দয়াপরবশ হয়ে তাদের আবার সিরিয়ায় পৌঁছে দেয়। এ সময় তারা আবার মসজিদে আকসা নির্মাণ করে।

অতঃপর ঈসা (আ.)-এর জন্মের ১৭০ বছর আগে আবার তারা পাপে লিপ্ত হলে আন্তাকিয়ার সম্রাট তাদের ওপর চড়াও হয়ে ৪০ হাজার হত্যা করে এবং ৪০ হাজার বন্দি করে। সম্রাট মসজিদে আকসারও অবমাননা করে। এর অনেক বছর পর বায়তুল মাকদিস রোম সম্রাটের দখলে চলে গেলে সে ইহুদিদের সাহায্য করে। এর আট বছর পর ঈসা (আ.)-এর জন্ম হয়।

এভাবে বারবার ইহুদি রাজ্যের অবস্থা শোচনীয় পর্যায়ে পৌঁছলেও এরা আল্লাহর নাফরমানি করতে থাকে। নবীগণ তাদের সতর্ক করলে তারা ওই নবীদের হত্যা করতে থাকে। (তাফসিরে বয়ানুল কোরআন : ২/৩৬৭-৩৬৮)

হজরত ইয়াহইয়া (আ.) ইহুদিদের অশ্লীল কার্যকলাপের বিরোধিতা করলে তারা তাঁকে দ্বিখণ্ডিত করে কতল করে। হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) সূত্রে বর্ণিত, বনি ইসরাইল ৩০০ আল্লাহর নবীকে হত্যা করেছে। (তাফসিরে ইবনে আবি হাতেম : ১/১২৬)

খ্রিস্টধর্মের বিরুদ্ধে ইহুদিদের ষড়যন্ত্র

হজরত ঈসা (আ.) তাদের বিরাগভাজন হন, তাদের ক্রোধের আগুনে পড়ে মিথ্যা মামলার আসামি হয়ে ফাঁসির আদেশপ্রাপ্ত হন। কিন্তু আল্লাহ নিজ মহিমায় হজরত ঈসা (আ.)-কে তাদের হাত থেকে রক্ষা করে আসমানে উঠিয়ে নেন।

হজরত ঈসা (আ.)-কে আসমানে ওঠানোর পর ঈসা (আ.)-এর ধর্মের পতন হয়। এরপর ঈসা (আ.)-এর সঙ্গীদের ফাঁদে ফেলে খ্রিস্টধর্মের নামে নতুন ধর্ম প্রণয়ন করে এক কট্টরপন্থী ইহুদি। তার নাম ছিল ‘শাওল’। পরে সে নিজের নাম পরিবর্তন করে রাখে ‘পৌল’। ‘পৌল’ নামের এই ইহুদি ঈসা (আ.)-এর চরম দুশমন ছিল। এর জের ধরেই সে ছদ্মবেশে খ্রিস্টানদের ভেতর ঢুকে খ্রিস্টধর্মকে বিকৃত করে ফেলে। খ্রিস্টানরা তার ফাঁদে পা দেয় এবং সে এ কাজে শতভাগ সফল হয়। বলা যায়, বর্তমান খ্রিস্টধর্ম ঈসা (আ.)-এর রেখে যাওয়া খ্রিস্ট ধর্ম নয়, বরং এটা হলো পৌল ধর্ম। (সূত্র : ঈসাইয়্যাত কিয়া হ্যায়, পৃ. ১০৩-১০৬)

লেখক : ফতোয়া গবেষক, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার



এ পাতার আরও খবর

NID জালকারী হাজির কারণে কুষ্টিয়া সদরে নৌকার ভোট বিপর্যয় ! NID জালকারী হাজির কারণে কুষ্টিয়া সদরে নৌকার ভোট বিপর্যয় !
কুষ্টিয়ায় পরিবেশ বান্ধব জিকজাক ইট ভাটার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ওরা কারা ? কুষ্টিয়ায় পরিবেশ বান্ধব জিকজাক ইট ভাটার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ওরা কারা ?
কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নবাসী তাদের প্রিয় নেত্রী সম্পা মাহমুদকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানিয়েছে কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নবাসী তাদের প্রিয় নেত্রী সম্পা মাহমুদকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানিয়েছে
ঢাকাসহ সারাদেশে রেড অ্যালার্ট জারি ঢাকাসহ সারাদেশে রেড অ্যালার্ট জারি
অবশেষে ‘‘সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী সেতুুর’’ (গড়াই সেতু) টোলে পে-অর্ডারর জাতিয়াতির টাকা ফেরৎ দিল ব্যাংক অবশেষে ‘‘সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী সেতুুর’’ (গড়াই সেতু) টোলে পে-অর্ডারর জাতিয়াতির টাকা ফেরৎ দিল ব্যাংক
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মশাল প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মশাল প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি
দৌলতপুরে কৃষি, ব্যাংক কর্মকর্তার ১৩ বছরের কারাদণ্ড দৌলতপুরে কৃষি, ব্যাংক কর্মকর্তার ১৩ বছরের কারাদণ্ড
‘একটি গোষ্ঠী ঘটনার জন্ম দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়’ ‘একটি গোষ্ঠী ঘটনার জন্ম দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়’
আবরারের মাও যেন বলতে পারে, ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি আবরারের মাও যেন বলতে পারে, ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি
সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ শাহবাগে ‘গণঅনশন ও অবস্থান’ কর্মসূচিতে সংখ্যালঘুদের ৮ দফা দাবি সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ শাহবাগে ‘গণঅনশন ও অবস্থান’ কর্মসূচিতে সংখ্যালঘুদের ৮ দফা দাবি

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
NID জালকারী হাজির কারণে কুষ্টিয়া সদরে নৌকার ভোট বিপর্যয় !
কুষ্টিয়ায় পরিবেশ বান্ধব জিকজাক ইট ভাটার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ওরা কারা ?
কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নবাসী তাদের প্রিয় নেত্রী সম্পা মাহমুদকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানিয়েছে
ঢাকাসহ সারাদেশে রেড অ্যালার্ট জারি
অবশেষে ‘‘সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী সেতুুর’’ (গড়াই সেতু) টোলে পে-অর্ডারর জাতিয়াতির টাকা ফেরৎ দিল ব্যাংক
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মশাল প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি
দৌলতপুরে কৃষি, ব্যাংক কর্মকর্তার ১৩ বছরের কারাদণ্ড
‘একটি গোষ্ঠী ঘটনার জন্ম দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়’
আবরারের মাও যেন বলতে পারে, ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি
সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ শাহবাগে ‘গণঅনশন ও অবস্থান’ কর্মসূচিতে সংখ্যালঘুদের ৮ দফা দাবি
আজ বিআরবি কেবল ইন্ড্রাষ্টিজ লিমিটেড এর ৪৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী
কুষ্টিয়া জেলা প্রেসক্লাবের অভিনন্দন
মণ্ডপে হামলা : উস্কানিদাতা ইসলামিক বক্তা গ্রেপ্তার
প্রেমিককে স্বামী বানিয়ে প্রবাসীর সম্পদ লিখে নেন সাকুরা
আবারও বাড়ছে ভোজ্যতেলের দাম
তথ্য প্রতিমন্ত্রীকে সাঈদ খোকনের চ্যালেঞ্জ ইসলাম ত্যাগ করেন, দুই দিনও মন্ত্রী থাকতে পারবেন না
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে আপত্তিকর অবস্থা থেকে পালাতে গিয়ে ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে যুবকের মৃত্যু
কুষ্টিয়া প্রেসক্লাব কেপিসির নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ ও শপথ অনুষ্ঠিত
চিলাহাটি গার্লস্ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের প্রদায়ন ও নবাগত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত
স্বামী বিদেশে নেওয়ার আগেই রাতের আধারে প্রেমিকের সঙ্গে পালালেন স্ত্রী