শিরোনাম:
●   বিশ্বের ৫ লক্ষ সাংবাদিক ছিল আমাদের পক্ষে : সে দিন আমরা যদি দালালী করতাম তা হলে কি পেতাম ? ? ●   কুষ্টিয়ায় সাব-রেজিস্ট্রার হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড ●   চিলাহাটিতে নিরীহ লোকজনের নামে একাধিক মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ ●   মাহফুজুর রহমানকে ছেড়ে দ্বিতীয় বিয়ে করলেন ইভা রহমান ●   কুষ্টিয়ার কুমারগাড়ায় পানির সঙ্গে অ্যাসিড মিশিয়ে স্বামীকে হত্যা ●   কুষ্টিয়ার উন্নয়নের রূপকার,জননন্দিত নেতা জনাব মাহাবুব উল হানিফ এমপিকে অভিনন্দন ●   NID জ্বালকারী ভাতিজা সাংবাদিকদের উপর ক্ষেপিয়াছেন ●   ‘‘প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ’’ ●   মৃত্যুভয়ে কাপঁছে আফগানিস্তানের রূপান্তরকামীরা ●   “বঙ্গবন্ধু মুজিব হত্যা মামলায় জিয়ার নাম নেই, আর জিয়া হত্যা মামলায় এরশাদের নাম নেই কেন?
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৬ আশ্বিন ১৪২৮

Bijoynews24.com
বুধবার, ৯ মার্চ ২০১৬
প্রথম পাতা » আজব দুনিয়া | জাতীয় সংবাদ | পজেটিভ বাংলাদেশ | মন্তব্য প্রতিবেদন / ফিচার | শিরোনাম | স্পেশাল রির্পোট » যুদ্ধাপরাধের বিচার ব্যাপক জনসমর্থন পেয়েছে
বুধবার, ৯ মার্চ ২০১৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

যুদ্ধাপরাধের বিচার ব্যাপক জনসমর্থন পেয়েছে

---বিজয় নিউজ : বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিটি) নিয়ে বাইরে বেশকিছু সমালোচনা হচ্ছে। কিন্তু দেশের ভিতরে যুদ্ধাপরাধের এই বিচার ব্যাপক জনসমর্থন পেয়েছে। এ আদালত যে রায় দিয়েছেন তাকে জাতীয় ছুটির মতো উদযাপন করা হয়েছে। দেশাত্মবোধক গান গাওয়া হয়েছে। রাজপথে তাৎক্ষণিক পার্টি হয়েছে। শিশুদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে।
যুদ্ধাপরাধী ওবায়দুল হক তাহের ও আতাউর রহমান ননির বিরুদ্ধে এই আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন সম্প্রতি। বাংলাদেশীরা এর পক্ষে তাদের মত দিয়েছেন। এ দু’জন ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ১৫ জন মানুষকে অপহরণ, নির্যাতন ও হত্যা করেছিল। তারা লুট করেছিল ৪৫০টি বাড়ি।
বাংলাদেশে তাদের বিচারের এমন ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া আদর্শিক।
২০১৫ সালের এপ্রিলে যুদ্ধাপরাধী মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকরের পর দু’দিন পর্যন্ত ঢাকার রাজপথে ও অন্যান্য শহরে হাজার হাজার মানুষ নেমে আসেন। গত নভেম্বরে যুদ্ধাপরাধী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকরের পর একই রকম সমর্থন প্রকাশ পায়।
জনগণের এই সমর্থন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে তার কাজ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে ও অন্য অপরাধীদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণাকে সাহস যুগিয়েছে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানিদের গণহত্যা ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল তারা। ওই সময় ৩০ লাখ বাংলাদেশীকে হত্যা করা হয়েছে।
গত বছর ঢাকা ট্রিবিউন দেশজুড়ে একটি জরিপ পরিচালনা করে। তাতে দেখা যায় জরিপে অংশগ্রহণকারীদের শতকরা ৭৯ ভাগ চান বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার অব্যাহত থাকুক। ক্ষমতাসীন দলের বিরোধী পক্ষের সবচেয়ে শক্ত ঘাঁটি হলো খুলনা বিভাগ। সেখানে জরিপে অংশগ্রহণকারীদের শতকরা ৬৪ ভাগ এ বিচারের পক্ষে রায় দিয়েছেন।
বাস্তবে, যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়া পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতিতে ২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় জয় পান। ওই নির্বাচনে তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে শতকরা ১৬ পয়েন্টের বেশি অর্জন করেন।
তাহলে কেন যখন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রসঙ্গ আসে তখন বাংলাদেশের ভিতরে ও বাইরের লোকদের মধ্যে এত বিভক্তি দেখা দেয়?
সহজ কথা হলো, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে কিভাবে দেশটি টিকে আছে এবং গণহত্যা করা হয়েছে তা কখনো বাইরের মানুষ পূর্ণাঙ্গরূপে বুঝতে পারেনি। তারা বুঝতে পারেনি যে, নির্যাতন করে বা হত্যা করে মারা হয়েছে এমন একজন মানুষের ছেলে বা মেয়ে হয়ে বেঁচে থাকা ও ষড়যন্ত্রকারীরা দশকের পর দশক বিচার থেকে পালিয়ে বেড়াবে তা দেখা কতটা কষ্টের, তা তারা বুঝতে পারে না।
বিচারের গভীর আকাঙ্ক্ষা রয়েছে বাংলাদেশীদের। যুদ্ধে সাধারণ অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ধর্ষণ ও নির্যাতনকে। যখন যুদ্ধে পরাজয় হচ্ছে এটা পরিষ্কার হলো পাকিস্তানের কাছে, তখন তারা ডাক্তার, আর্টিস্ট, শিক্ষক ও লেখকসহ বাংলাদেশের অনেক বোদ্ধাকে হত্যার ভয়াবহ ও সিস্টেমেটিক কর্মকাণ্ড শুরু করে।
কিন্তু ভয়াবহ নৃশংসতা সংঘটনকারী এসব ষড়যন্ত্রকারী ৪০ বছরেরও বেশি সময় বিচারের হাত থেকে পালিয়ে ছিল। ধারাবাহিক অভ্যুত্থান, হত্যাকাণ্ড ও সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সবচেয়ে জঘন্য যুদ্ধাপরাধীদের বাংলাদেশ সরকারের নেতৃস্থানীয় পদে যোগ দেয়ার পথকে উন্মুক্ত করে দেয়।
নির্বাচনের অল্প পরেই শেখ হাসিনা সেই পথ বন্ধ করে দেন। ১৯৭০-এর দশকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পিতা শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন তা পুনর্গঠন করেন তিনি। শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৫ সালে তার রাজনৈতিক শত্রুরা হত্যা করার পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ওই উদ্যোগ ভেস্তে গিয়েছিল।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের উত্তম মানদণ্ড হলো রোম স্ট্যাটিউট। সে অনুযায়ী শেখ হাসিনা গঠন করেছেন দু’টি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। এখানে যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয় তা উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ। যে কেউ বিচার প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। উপরন্তু বাংলাদেশ আইসিটি হলো বিশ্বে একমাত্র যুদ্ধ অপরাধ আদালত যেখানে বিবাদীরা তাদের বিরুদ্ধে দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন উচ্চ আদালতে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশে তারা আপিল করতে পারেন সুপ্রিম কোর্টে। এরই মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট একটি আপিলে আইসিটির দেয়া মৃত্যুদণ্ডকে পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।
সংক্ষেপে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত সুষ্ঠু ও ন্যায়সঙ্গত। এ কথা জানেন বাংলাদেশীরা।
বিদেশীরা আইসিটি নিয়ে সমালোচনা করেন। কারণ, তারা বলেন, অসামঞ্জস্যপূর্ণ সংখ্যক বিবাদী বিরোধী দলের। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর। এই আপত্তির দু’টি সমস্যা আছে। এক. এই আদালতে অন্য দলের সদস্যদেরও বিচার করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের সাবেক একজন সদস্য। দুই. যদি অপরাধে জড়িত এসব জামায়াত সদস্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে কি শুধু বিরোধীদলীয় সদস্য এই অজুহাতে তাদেরকে বিচার থেকে বাদ রাখা উচিত? ১৯৭১ সালের যুদ্ধের শিকার ও গণহত্যার যারা শিকার তাদের বিচার পাওয়ার পথ কি বিলম্বিত বা পরিত্যক্ত রাখা উচিত? তাদের পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন এই ক্ষত বহন করে নিয়ে বেড়াচ্ছেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াত স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল এবং তা রহিত করতে পাকিস্তানি জান্তাদের সহযোগিতা করেছিল। তাই জামায়াত নেতাদের বিচার হওয়া একটি স্বাভাবিক বিষয়।
যখন বাংলাদেশের মানুষ এসব জানতে পারেন তখন তারা এ বিষয়টি স্বীকার করেন। তারা জানেন যে, এই যুদ্ধাপরাধীরা কি করেছে। বাংলাদেশের মানুষ নিবিড়ভাবে দেখেছেন ট্রাইব্যুনাল কত স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে কাজ করছে। বাংলাদেশের মানুষ এই ন্যায়বিচারের পক্ষে। এজন্যই এ বিচার বাংলাদেশে এত জনপ্রিয়। তাই এ বিচার অব্যাহত থাকা উচিত।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র ও তার সরকারের প্রধান তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
বিশ্বের ৫ লক্ষ সাংবাদিক ছিল আমাদের পক্ষে : সে দিন আমরা যদি দালালী করতাম তা হলে কি পেতাম ? ?
কুষ্টিয়ায় সাব-রেজিস্ট্রার হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড
চিলাহাটিতে নিরীহ লোকজনের নামে একাধিক মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ
মাহফুজুর রহমানকে ছেড়ে দ্বিতীয় বিয়ে করলেন ইভা রহমান
কুষ্টিয়ার কুমারগাড়ায় পানির সঙ্গে অ্যাসিড মিশিয়ে স্বামীকে হত্যা
কুষ্টিয়ার উন্নয়নের রূপকার,জননন্দিত নেতা জনাব মাহাবুব উল হানিফ এমপিকে অভিনন্দন
NID জ্বালকারী ভাতিজা সাংবাদিকদের উপর ক্ষেপিয়াছেন
‘‘প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ’’
“বঙ্গবন্ধু মুজিব হত্যা মামলায় জিয়ার নাম নেই, আর জিয়া হত্যা মামলায় এরশাদের নাম নেই কেন?
হরিনাকুন্ডুর শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম মৃত দুজনশিক্ষক পরিবারের প্রতি মানবিক সহানুভূতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো
কুমারখালীতে ইয়াবা ও ট্যাপেন্টা ট্যাবলেট সহ মাদক ব্যবসায়ী শাহিন গ্রেফতার
কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষীক নির্বাচন : কুষ্টিয়া জেলা প্রেসক্লাবের অভিনন্দন
ঢাক-ঢোল পিটিয়ে লাশ দাফনকারী কুষ্টিয়া দৌলতপুরের সেই ‘ভণ্ড শামীম অবশেষে গ্রেফতার
ইভ্যালি কেলেঙ্কারি রাসেল দম্পতি গ্রেপ্তার
সর্বনিম্ম দরদাতাকে কার্যাদেশ দিতে ডিপিডিসির গড়িমসি, পিছিয়ে যেতে পারে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাঙামাটি সদর উপজেলা আহবায়ক কমিটি গঠন
আজগর আলীকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় কুষ্টিয়াবাসী
অনলাইন সংবাদপোর্টাল নিবন্ধন চলমান প্রক্রিয়া, হাইকোর্টের নির্দেশনা শৃঙ্খলায় সহায়ক -তথ্যমন্ত্রী
বনপা হাইকোর্টে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সদস্য অনলাইন নিউজ পোর্টাল গুলো সচল রাখবে
আজ রাত ৯টায় বনপার জরুরি সভা