শিরোনাম:
●   সিলেটে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ ●   মালয়েশিয়ায় ৫৫ বাংলাদেশি শ্রমিক গ্রেপ্তার ●   আলোচনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৪৩ ধারা ●   চাকরি না পেয়ে সুইসাইড নোট লিখে খুবি ছাত্রের আত্মহত্যা ●   গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে কুষ্টিয়ার নবাগত পুলিশ সুপারের মতবিনিময় ●   সিএনজি থেকে লাফ দিয়েও বাঁচতে পারলনা প্রিয়া! ●   জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস এবার ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে দর্শনার্থীদের জন্যে নির্মাণ করে দিলেন অত্যাধুনিক বিশ্রমাগার ●   জকিগঞ্জে আবারো শ্রেণি কক্ষে এক শিক্ষিকাকে ঘুমে পেলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ●   কুষ্টিয়ায় হঠাৎ বাস বন্ধ করে দিলেন পরিবহনশ্রমিকেরা ●   স্বাধীনতা বিরোধী জঙ্গী সঙ্গীদের ক্ষমতায় যেতে দেওয়া হবে না —তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু
ঢাকা, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫
Bijoynews24.com
শুক্রবার ● ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮
প্রথম পাতা » Slider » মহররম : তাৎপর্য, করণীয় ও বর্জনীয়
প্রথম পাতা » Slider » মহররম : তাৎপর্য, করণীয় ও বর্জনীয়
১৬৯ বার পঠিত
শুক্রবার ● ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

মহররম : তাৎপর্য, করণীয় ও বর্জনীয়

 

 

: হাফেজ রিদওয়ানুল কাদির উখিয়াভী :

চার সম্মানিত মাসের প্রথম মাস মহররম, যাকে আরবের অন্ধকার যুগেও বিশেষ সম্মান ও মর্যাদার চোখে দেখা হতো। আবার হিজরি সনের প্রথম মাসও মহররম। শরিয়তের দৃষ্টিতে যেমন এ মাসটি অনেক তাৎপর্যপূর্ণ, তেমনি এই মাসে সংঘটিত ঐতিহাসিক ঘটনার বিবরণও অনেক দীর্ঘ। আমরা দেখতে পাই, ইতিহাসের এক জ্বলন্ত সাক্ষী এই মহররম মাস। ইসলামের অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার সূত্রপাত হয় এ মাসে। শুধু উম্মতে মুহাম্মদীই নয়, বরং পূর্ববর্তী অনেক উম্মত ও নবীদের অবিস্মরণীয় ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল এই মাসে।

মহররমের ফজিলত : নামকরণ থেকেই প্রতীয়মান হয় এ মাসের ফজিলত। মহররম অর্থ মর্যাদাপূর্ণ, তাৎপর্যপূর্ণ। যেহেতু অনেক ইতিহাস-ঐতিহ্য ও রহস্যময় তাৎপর্য নিহিত রয়েছে এ মাসকে ঘিরে, সঙ্গে সঙ্গে এ মাসে যুদ্ধ-বিগ্রহ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ছিল, এসব কারণেই এ মাসটি মর্যাদাপূর্ণ। তাই এ মাসের নামকরণ করা হয়েছে মহররম বা মর্যাদাপূর্ণ মাস। মহররম সম্পর্কে (যা আশহুরে হুরুমের অন্তর্ভুক্ত তথা নিষিদ্ধ মাস) পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে- ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর বিধান ও গণনায় মাসের সংখ্যা ১২। যেদিন থেকে তিনি সব আসমান ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন। তন্মধ্যে চারটি হলো সম্মানিত মাস। এটাই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান। সুতরাং তোমরা এ মাসগুলোর সম্মান বিনষ্ট করে নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না।’ (সুরা তাওবা : ৩৬)

অর্থাৎ সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকে আল্লাহ তায়ালা ১২টি মাস নির্ধারণ করে দেন। তন্মধ্যে চারটি মাস বিশেষ গুরুত্ব ও তাৎপর্য বহন করে। ওই চারটি মাস কী কী? এর বিস্তারিত বর্ণনা হজরত আবু হুরায়রা (রা.) সূত্রে বর্ণিত, হাদিসে উল্লিখিত হয়েছে, নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেন, এক বছরে ১২ মাস। এর মধ্যে চার মাস বিশেষ তাৎপর্যের অধিকারী। এর মধ্যে তিন মাস ধারাবাহিকভাবে (অর্থাৎ জিলক্বাদ, জিলহজ ও মহররম) এবং চতুর্থ মাস মুজর গোত্রের রজব মাস। (বুখারি-৪৬৬২, মুসলিম-১৬৭৯)।

আশুরা : মহররম মাস সম্মানিত হওয়ার মধ্যে বিশেষ একটি কারণ হচ্ছে- আশুরা (মহররমের ১০ তারিখ)। এ বসুন্ধরার ঊষালগ্ন থেকে আশুরার দিনে সংঘটিত হয়েছে অনেক ঐতিহাসিক ঘটনা ও হৃদয়বিদারক কাহিনী। এখানে কয়েকটি ঘটনা উল্লেখ করা হলো। আশুরার ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ঘটনা হচ্ছে- হজরত মুসা (আ.)-এর ফিরআউনের অত্যাচার থেকে নিষ্কৃতি লাভ। এই দিনে মহান আল্লাহ তায়ালা চিরকালের জন্য লোহিত সাগরে ডুবিয়ে শিক্ষা দিয়েছিলেন ভ্রান্ত খোদার দাবিদার ফিরআউন ও তার বিশাল বাহিনী। অনেকে মনে করেন, ফিরআউন নীলনদে ডুবেছিল। ঐতিহাসিকদের বর্ণনা অনুযায়ী এই ধারণা ভুল। বরং তাকে লোহিত সাগরে ডুবিয়ে বিশ্ববাসীকে শিক্ষা দেওয়া হয়। এ ঘটনা ইমাম বুখারি তাঁর কিতাবে এভাবে বর্ণনা করেন- ‘হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, মহানবী (সা.) যখন হিজরত করে মদিনা পৌঁছেন, তখন তিনি দেখলেন যে মদিনার ইহুদি সম্প্রদায় আশুরার দিনে রোজা পালন করছে। তিনি তাদের জিজ্ঞেস করেন, আশুরার দিনে তোমরা রোজা রেখেছ কেন? তারা উত্তর দিল, এই দিনটি অনেক বড়। এই পবিত্র দিনে মহান আল্লাহ মুসা (আ.) ও বনি ইসরাইলকে ফিরআউনের কবল থেকে রক্ষা করেছিলেন আর ফিরআউন ও তার বাহিনী কিবতি সম্প্রদায়কে ডুবিয়ে মেরেছিলেন। এর কৃতজ্ঞতাস্বরূপ হজরত মুসা (আ.) রোজা রাখতেন, তাই আমরাও আশুরার রোজা পালন করে থাকি। তাদের উত্তর শুনে নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেন, হজরত মুসা (আ.)-এর কৃতজ্ঞতার অনুসরণে আমরা তাদের চেয়ে অধিক হকদার। অতঃপর তিনি নিজে আশুরার রোজা রাখেন এবং উম্মতকে তা পালন করতে নির্দেশ প্রদান করেন। (বুখারি-৩৩৯৭, মুসলিম-১১৩৯)

উপরোক্ত হাদিসের আলোকে কয়েকটি বিষয় প্রতিভাত হয়, হজরত মুসা (আ.) অভিশপ্ত ফিরআউনের কবল থেকে আশুরার দিন রক্ষা পেয়েছিলেন। তা হাদিসের প্রায় সব গ্রন্থেই (বুখারি, মুসলিমসহ) পাওয়া যায়।

একটি প্রসিদ্ধ ভ্রান্তির অপনোদন : উল্লিখিত হাদিস থেকে আমরা এ কথাও বুঝতে পারলাম, আশুরার ঐতিহ্য আবহমানকাল থেকে চলে আসছে। অনেকেই না বুঝে অথবা ভ্রান্ত প্ররোচনায় পড়ে আশুরার ঐতিহ্য বলতে রাসুল (সা.)-এর প্রিয়তম দৌহিত্র, জান্নাতের যুবকদের দলপতি হজরত হুসাইন (রা.)-এর শাহাদাত ও নবী পরিবারের কয়েকজন সম্মানিত সদস্যের রক্তে রঞ্জিত কারবালার ইতিহাসকেই বুঝে থাকে। তাদের অবস্থা ও কার্যাদি অবলোকন করে মনে হয়, কারবালার ইতিহাসকে ঘিরেই আশুরার সব ঐতিহ্য, এতেই রয়েছে আশুরার সব রহস্য। উপরোল্লিখিত হাদিসের আলোকে প্রতীয়মান হয়, আসলে বাস্তবতা কিন্তু এর সম্পূর্ণ বিপরীত। বরং আশুরার ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে প্রাচীনকাল থেকেই। হজরত হুসাইন (রা.)-এর মর্মান্তিক শাহাদাতের ঘটনার অনেক আগ থেকেই আশুরা অনেক তাৎপর্যপূর্ণ ও রহস্যঘেরা দিন। কারণ কারবালার যুদ্ধ সংঘটিত হয় ৬১ হিজরির ১০ মহররম। আর আশুরার রোজার প্রচলন চলে আসছে ইসলাম আবির্ভাবেরও বহুকাল আগ থেকে। তবে এ কথা অনস্বীকার্য যে আবহমানকাল থেকে আশুরার দিনে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনা যেমন অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি হিজরি ৬১ সনে আশুরার দিন কারবালার ময়দানের দুঃখজনক ঘটনাও মুসলিম জাতির জন্য অতিশয় হৃদয়বিদারক ও বেদনাদায়ক। প্রতিবছর আশুরা আমাদের এই দুঃখজনক ঘটনাই স্মরণ করিয়ে দেয়। তবে এও বাস্তব যে এ ঘটনাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে না পেরে আজ অনেকেই ভ্রষ্টতা ও কুসংস্কারের অন্ধকারে নিমজ্জিত। যারা কারবালার মর্মান্তিক ঘটনাকে ব্যথাভরা অন্তরে স্মরণ করে থাকেন, তারা কোনো দিনও চিন্তা করেছেন যে কী কারণে হজরত হুসাইন (রা.) কারবালার ময়দানে অকাতরে নিজের মূল্যবান জীবন বিলিয়ে দিয়েছিলেন। তাই তো অনেকেই মনে করেন যে জারি মর্সিয়া পালনের মধ্যেই কারবালার তাৎপর্য! হায়রে আফসোস! কী করা উচিত! আর আমরা করছি কী? হজরত হুসাইন (রা.)-এর উদ্দেশ্য ও আদর্শ বাস্তব জীবনে অনুসরণ করাই হবে এ ঘটনার সঠিক মর্ম অনুধাবনের বহিঃপ্রকাশ। হজরত হুসাইন (রা.)-ও রাসুলে করিম (সা.)-এর প্রতি মুহব্বত ও আন্তরিকতার একমাত্র পরিচায়ক।---

আশুরার রোজা : মহররম মাসে রোজা রাখা সম্পর্কে অনেক বিশুদ্ধ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। যেমন ওপরে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু বিশেষভাবে আশুরা, অর্থাৎ মহররমের ১০ তারিখে রোজা রাখার ফজিলত সম্পর্কে অনেক হাদিস বর্ণিত হয়েছে। একটি হাদিস থেকে প্রতীয়মান হয়, রমজান মাসের রোজা ফরজ হওয়ার আগে আশুরার রোজা উম্মতে মুহাম্মদীর ওপর ফরজ ছিল। পরবর্তী সময়ে অবশ্যই ওই বিধান রহিত হয়ে যায় এবং তা নফলে পরিণত হয়। হাদিস শরিফে হজরত জাবের (রা.) সূত্রে বর্ণিত আছে- ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের আশুরার রোজা রাখার নির্দেশ দিতেন এবং এর প্রতি উৎসাহিত করতেন। এ বিষয়ে নিয়মিত তিনি আমাদের খবরাখবর নিতেন। যখন রমজানের রোজা ফরজ করা হলো, তখন আশুরার রোজার ব্যাপারে তিনি আমাদের নির্দেশও দিতেন না এবং নিষেধও করতেন না। আর এ বিষয়ে তিনি আমাদের খবরাখবরও নিতেন না। (মুসলিম শরিফ-১১২৮)

ওই হাদিসের আলোকে আশুরার রোজার শ্রেষ্ঠত্ব প্রতীয়মান হয়। এমনকি ওই সময়ে তা ফরজ ছিল। বর্তমানে এই রোজা যদিও নফল, কিন্তু অন্যান্য নফল রোজার তুলনায় অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসুল (সা.) আশুরা ও রমজানের রোজা সম্পর্কে যেরূপ গুরুত্ব প্রদান করতেন, অন্য কোনো রোজা সম্পর্কে সেরূপ গুরুত্বারোপ করতেন না। (বুখারি ও মুসলিম)

হজরত হাফসা (রা.) সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা.) চারটি কাজ কখনো ছেড়ে দিতেন না। তার মধ্যে একটি আশুরার রোজা। (নাসায়ি শরিফ)

হজরত আবু মুসা আশআরি (রা.) বর্ণনা করেন, আশুরার দিন ইহুদিরা ঈদ পালন করত। রাসুল (সা.) সাহাবিদের সেদিন রোজা রাখতে নির্দেশ দিলেন। (বুখারি-২০০৫, মুসলিম-১১৩১)

হজরত ইবনে ওমর (রা.) সূত্রে একটি হাদিস বর্ণিত আছে, জাহিলিয়াতের যুগে কাফেররা আশুরার দিন রোজা রাখত। তাই রাসুল (সা.) ও সাহাবায়েকেরামও সেদিন রোজা রাখতেন; কিন্তু যখন রমজানের রোজা ফরজ হয়, তখন তাঁদের রোজা রাখা না রাখার ব্যাপারে স্বাধীনতা প্রদান করা হয়। (মুসলিম-১১৩৬) এখানে একটি প্রশ্ন জাগে, কাফেররা অন্ধকার যুগে আশুরার দিন রোজা রাখত কেন? এর উত্তর এটা হতে পারে যে তারা প্রতিবছর মহররমের ১০ তারিখে কাবা শরিফকে গেলাফ পরিধান করাত। যেমনটি বুখারি শরিফে রয়েছে (হাদিস নম্বর : ১৫৮২)

হজরত আয়েশা (রা.) সূত্রে বর্ণিত আছে, কিন্তু এর পরও প্রশ্ন রয়ে যায়, তারা গেলাপ পরিধান করানোর জন্য ওই দিনকে কেন নির্দিষ্ট করেছিল? এ প্রশ্নের উত্তর (এবং প্রথম প্রশ্নের দ্বিতীয় উত্তর) দিতে গিয়ে বিখ্যাত তাবেয়ি হজরত ইকরামা (রা.) বলেন- অন্ধকার যুগে কাফেররা একটি অনেক বড় অপরাধ (তাদের দৃষ্টিতে) করে বসে। তাদের বলা হলো, তোমরা আশুরার দিন রোজা রাখো, তাহলে তোমাদের গুনাহ মাফ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তখন থেকে কোরাইশ বংশের লোকেরা সেদিন রোজা রাখতে শুরু করে। (ফতহুল বারি খ.-৪ পৃ.-৭৭৩)

আশুরার রোজার ফজিলত : রাসুলুল্লাহ (সা.) এই রোজা নিজে পালন করেছেন এবং উম্মতকে রাখার প্রতি উৎসাহিত করেছেন। তাই এর পূর্ণ অনুসরণ ও আনুগত্যের মধ্যেই নিহিত রয়েছে উম্মতের কল্যাণ। এ ছাড়া অসংখ্য হাদিসে আশুরার রোজার ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। এ বিষয়ে কয়েকটি হাদিস শুনি- ‘হজরত আবু কাতাদা (রা.) সূত্রে বর্ণিত, রাসুল (সা.)-কে আশুরার রোজার ফজিলত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, এই রোজা বিগত বছরের গুনাহ মুছে দেয়। (মুসলিম-১১৬২)। ‘রাসুল (সা.) বলেন- ‘রমজান মাসের রোজার পর সর্বোত্তম রোজা আল্লাহর মাস মহররমের আশুরার রোজা।’ (সুনানে কুবরা-৪২১০)

আশুরার রোজা ও ইহুদি সম্প্রদায় : মুসলিম শরিফে হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত- ‘মহানবী (সা.) যখন আশুরার দিনে রোজা রাখেন এবং অন্যদেরও রোজা রাখার নির্দেশ প্রদান করেন, তখন সাহাবিরা অবাক হয়ে বলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! ইহুদি-নাসারারা তো এই দিনটিকে বড়দিন মনে করে। (আমরা যদি এই দিনে রোজা রাখি, তাহলে তো তাদের সঙ্গে সামঞ্জস্য হবে। তাদের প্রশ্নের উত্তরে রাসুল (সা.) বললেন, ‘তারা যেহেতু এদিন একটি রোজা পালন করে) আগামী বছর ইনশাআল্লাহ আমরা এই ১০ তারিখের সঙ্গে ৯ তারিখ মিলিয়ে দুই দিন রোজা পালন করব। (মুসলিম-১১৩৪)

আশুরার দিনে অন্য একটি আমল : ‘হজরত আবু হুরায়রা (রা.) সূত্রে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি আশুরার দিনে আপন পরিবার-পরিজনের মধ্যে পর্যাপ্ত খানাপিনার ব্যবস্থা করবে, আল্লাহপাক পুরো বছর তার রিজিকে বরকত দান করবেন। (তাবরানি : ৯৩০৩)

উল্লিখিত হাদিস সম্পর্কে আল্লামা ইবনুল জাওযিসহ অনেক মুহাদ্দিস আপত্তিজনক মন্তব্য করলেও বিভিন্ন সাহাবি থেকে ওই হাদিসটি বর্ণিত হওয়ায় আল্লামা জালালুদ্দিন সুয়ুতিসহ অনেক মুহাক্কিক আলেম হাদিসটিকে গ্রহণযোগ্য ও আমলযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন। (জামিউস সগির-১০১৯)

অতএব যদি কেউ উপরোক্ত হাদিসের ওপর আমল করার উদ্দেশ্যে ওই দিন উন্নত খানাপিনার ব্যবস্থা করে, তাহলে শরিয়তে নিষেধ নেই। তবে স্মরণ রাখতে হবে, কোনোক্রমেই যেন তা বাড়াবাড়ি ও সীমালংঘনের স্তরে না পৌঁছে।



Slider এর আরও খবর

সিলেটে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ সিলেটে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ
মালয়েশিয়ায় ৫৫ বাংলাদেশি শ্রমিক গ্রেপ্তার মালয়েশিয়ায় ৫৫ বাংলাদেশি শ্রমিক গ্রেপ্তার
আলোচনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৪৩ ধারা আলোচনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৪৩ ধারা
চাকরি না পেয়ে সুইসাইড নোট লিখে খুবি ছাত্রের আত্মহত্যা চাকরি না পেয়ে সুইসাইড নোট লিখে খুবি ছাত্রের আত্মহত্যা
গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে কুষ্টিয়ার নবাগত পুলিশ সুপারের মতবিনিময় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে কুষ্টিয়ার নবাগত পুলিশ সুপারের মতবিনিময়
সিএনজি থেকে লাফ দিয়েও বাঁচতে পারলনা প্রিয়া! সিএনজি থেকে লাফ দিয়েও বাঁচতে পারলনা প্রিয়া!
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস এবার ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে দর্শনার্থীদের জন্যে নির্মাণ করে দিলেন অত্যাধুনিক বিশ্রমাগার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস এবার ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে দর্শনার্থীদের জন্যে নির্মাণ করে দিলেন অত্যাধুনিক বিশ্রমাগার
জকিগঞ্জে আবারো শ্রেণি কক্ষে এক শিক্ষিকাকে ঘুমে পেলেন উপজেলা চেয়ারম্যান জকিগঞ্জে আবারো শ্রেণি কক্ষে এক শিক্ষিকাকে ঘুমে পেলেন উপজেলা চেয়ারম্যান
কুষ্টিয়ায় হঠাৎ বাস বন্ধ করে দিলেন পরিবহনশ্রমিকেরা কুষ্টিয়ায় হঠাৎ বাস বন্ধ করে দিলেন পরিবহনশ্রমিকেরা
স্বাধীনতা বিরোধী জঙ্গী সঙ্গীদের ক্ষমতায় যেতে দেওয়া হবে না  —তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু স্বাধীনতা বিরোধী জঙ্গী সঙ্গীদের ক্ষমতায় যেতে দেওয়া হবে না —তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
সিলেটে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ
মালয়েশিয়ায় ৫৫ বাংলাদেশি শ্রমিক গ্রেপ্তার
আলোচনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৪৩ ধারা
চাকরি না পেয়ে সুইসাইড নোট লিখে খুবি ছাত্রের আত্মহত্যা
গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে কুষ্টিয়ার নবাগত পুলিশ সুপারের মতবিনিময়
সিএনজি থেকে লাফ দিয়েও বাঁচতে পারলনা প্রিয়া!
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস এবার ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে দর্শনার্থীদের জন্যে নির্মাণ করে দিলেন অত্যাধুনিক বিশ্রমাগার
জকিগঞ্জে আবারো শ্রেণি কক্ষে এক শিক্ষিকাকে ঘুমে পেলেন উপজেলা চেয়ারম্যান
কুষ্টিয়ায় হঠাৎ বাস বন্ধ করে দিলেন পরিবহনশ্রমিকেরা
স্বাধীনতা বিরোধী জঙ্গী সঙ্গীদের ক্ষমতায় যেতে দেওয়া হবে না —তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া ওসির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মলনে সোস্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড়
পঞ্চগড়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে স্কুল ব্যাংকিং সম্মেলন ও মেলা অনুষ্ঠিত
কমলগঞ্জে বিদেশে পাঠানোর নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
দৌলতপুরে ১৩ টি ককটেল সহ বি.এন.পির ৫ নেতা-কর্মী আটক
নতুন পরিচয়ে জেনিফা
গোপালগঞ্জে জমি নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২৫
কমলগঞ্জে ছেলে-মেয়ে দুইজন অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত
যুক্তরাষ্ট্রে নারী বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৩
চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ প্রকাশ্যে অস্ত্রধারী সেই ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
বেনাপোল সীমান্ত থেকে বিপুল পরিমান অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার