শিরোনাম:
●   মৌলভীবাজারে সড়কে দুর্ঘটনায় মোটরবাইক আরোহীর মৃত্যু ●   গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুরহাট ●   বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের মামলা, আটক হয়নি কেউ ●   গাইবান্ধায় ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে বলাৎকার ॥ দোষী ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসির মানববন্ধন ●   কুষ্টিয়ায় গরু ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা ! ●   কুষ্টিয়ায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার ! ●   কেরালায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২৪ ●   ১২’শ কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তি রয়েছে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর : দুদক ●   যে কারণে বিয়ে করেননি অটল বিহারী বাজপেয়ী ●   শিমুল থেকে শিমুর ২০ বছর
ঢাকা, শনিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৮, ৩ ভাদ্র ১৪২৫
Bijoynews24.com
মঙ্গলবার ● ৭ আগস্ট ২০১৮
প্রথম পাতা » Slider » সড়ক পরিবহন আইনের খসড়া অনুমোদন, সর্বোচ্চ সাজা ৫ বছর
প্রথম পাতা » Slider » সড়ক পরিবহন আইনের খসড়া অনুমোদন, সর্বোচ্চ সাজা ৫ বছর
৬৬ বার পঠিত
মঙ্গলবার ● ৭ আগস্ট ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

সড়ক পরিবহন আইনের খসড়া অনুমোদন, সর্বোচ্চ সাজা ৫ বছর

---Bijoynews : চালকের সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ডের বিধান রেখে ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর ফলে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে দুর্ঘটনার মাধ্যমে গুরুতর আহত করলে বা প্রাণহানি ঘটালে এমন কঠোর শাস্তি পেতে হবে। গতকাল সচিবালয়ে  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। তবে অনুমোদিত আইন অনুযায়ী প্রাণহানির ক্ষেত্রে দুর্ঘটনার কারণ ইচ্ছাকৃত ছিল তদন্তে তা প্রমাণিত হলে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা অনুযায়ী চালকের শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড।

আইনটি অনুমোদনের কথা জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘দি  মোটর ভেহিক্যাল অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩’ যুগোপযোগী করে নতুন আইনটি করা হয়েছে। এই আইনের মূল ফোকাস হচ্ছে- সড়ক ব্যবস্থাপনা, সড়কে যানবাহনগুলো কীভাবে চলবে সেই বিষয়ে।

 

তিনি বলেন, দুর্ঘটনা সংক্রান্ত অপরাধের বিষয়ে খসড়া আইনের ১০৩ ধারায় বলা হয়েছে, এই আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন মোটরযান চালনাজনিত কোনো দুর্ঘটনায় গুরুতরভাবে কোনো ব্যক্তি আহত হলে বা তার প্রাণহানি ঘটলে এ সংক্রান্ত অপরাধ দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী অপরাধ বলে গণ্য হবে। ৩০২, ৩০৪ যেগুলো আছে।

এটা অবস্থার গুরুত্ব অনুযায়ী এভিডেন্স বেইজসড হবে। বোঝা যায় যদি সে স্বেচ্ছায় (দুর্ঘটনার মাধ্যমে প্রাণহানি) কাজটা করেছে, ভলান্টারিলি (স্বেচ্ছায়) কাউকে সে পিষে দিলো এ রকম ঘটনা, এটা দণ্ডবিধি বা সংশ্লিষ্ট ধারায় এর শাস্তি হবে। তদন্তে ডিসাইড হবে এটা কোন লাইনে যাবে, (দণ্ডবিধির) ৩০২ হবে নাকি ৩০৪ হবে। শফিউল আলম বলেন, খসড়ায় রয়েছে, তবে শর্ত থাকে যে পেনাল কোডে সংশ্লিষ্ট সেকশন ৩০৪ (বি) এ যা কিছু থাকুক না কেন ব্যক্তির বেপরোয়া বা অবহেলাজনিত কারণে মোটরযান চালানোর কারণে সংঘটিত দুর্ঘটনায় কোনো ব্যক্তি গুরুতরভাবে আহত হলে বা তার প্রাণহানি ঘটলে ওই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। তিনি বলেন, এটা আমাদের আইনে আগে ছিল ৭ বছর, পরে সংশোধন করে এটাকে ৩ বছর করা হয়।

এখন পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও যাত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করে সব শ্রেণির সর্বসম্মত মত হলো ৫ বছর। এখানে অর্থদণ্ডটা আনলিমিটেড, কোনো লিমিট করা হয়নি। সিচুয়েশনের ওপর নির্ভর করে অর্থদণ্ডের পরিমাণ নির্ধারণ করতে পারবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দুর্ঘটনা সংক্রান্ত অপরাধের ১০৩ ধারা তুলে ধরে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম বলেন, বেপরোয়া গাড়ি চালনার কারণে প্রাণহানির ক্ষেত্রে তদন্তে যদি প্রমাণিত হয় ইনটেনশন (ইচ্ছাকৃত) ছিল তবে এর শাস্তি ৩০২ ধারা অনুযায়ী হবে।

এর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। ৩০৪ (বি) এর শাস্তি বাড়িয়ে ৩ বছর থেকে ৫ বছর করা হয়েছে এবং অ-জামিনযোগ্য করা হয়েছে, আগে জামিনযোগ্য ছিল। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে সড়ক পরিবহন আইনে সড়ক নিরাপত্তার জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান নেই। সড়ক দুর্ঘটনার মাধ্যমে প্রাণহানি হত্যার পর্যায়ে গেলেই কেবল দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা অনুযায়ী শাস্তি হবে। ১৯৮৩ সালের অধ্যাদেশের সঙ্গে নতুন আইনে ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে জানিয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানোর শাস্তি সর্বোচ্চ ৪ মাসের জেল বা ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড।

নতুন আইনে বলা হচ্ছে ৬ মাসের জেল বা ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড। তিনি বলেন, রেজিস্ট্রেশন ছাড়া গাড়ি চালানোর শাস্তি এখন ৩ মাসের জেল বা ২ হাজার টাকা জরিমানা। নতুন আইনে এই শাস্তি ৬ মাসের জেল বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড। ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালানোর জরিমানাও বর্তমানে সর্বোচ্চ ৩ মাসের জেল বা জরিমানা ২ হাজার টাকা জানিয়ে সড়ক সচিব বলেন, নতুন আইনে এই অপরাধের শাস্তি ৬ মাসের জেল বা ২৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড।

সড়ক সচিব বলেন, গাড়ির চেসিস পরিবর্তন, জোড়া দেয়া, বডি পরিবর্তন করার বর্তমান শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড। সেখানে নতুন আইনে শাস্তি এক থেকে ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড। সড়কের ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনা ঘটলে তবে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী দায়ী হবে কিনা- জানতে চাইলে নজরুল ইসলাম বলেন, ওদেরকে দায়ী করা হবে, সেটা আইনে আছে। ধারা ৫০-এ বলা আছে তারা দায়ী হবেন।

এই ধারায় বলা হয়েছে এই আইন বা অন্য কোনো আইনের অধীন কোনো সরকারি কর্মচারী তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব অবহেলা বা ত্রুটিপূর্ণভাবে পালন করার কারণে দুর্ঘটনা ঘটলে ওই কর্মচারীকে দায়ী করে প্রচলিত আইনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে। অদক্ষ চালক নিয়োগের ক্ষেত্রে মালিকদের সাজার বিষয়টি খসড়া আইনে আছে কিনা-এ বিষয়ে সড়ক সচিব বলেন, খসড়া আইনে বলা আছে, চালকের সঙ্গে চুক্তিপত্র ছাড়া নিয়োগ দিতে পারবে না। চুক্তি করতে হলে চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স লাগবে। শ্রম আইন অনুযায়ী চুক্তিপত্র থাকতে হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে চাইলে বয়স ২১ বছর হতে হবে।

কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হবে। প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী ড্রাইভারের লাইসেন্সের বিপরীতে ১২ পয়েন্ট বরাদ্দ থাকবে জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, অপরাধ করলে পয়েন্ট কাটা যাবে, পয়েন্ট শূন্য হয়ে গেলে ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে। লাল বাতি অমান্য করে যানবাহন চালালে, পথচারী পারাপারের নির্দিষ্ট স্থানে ওভারটেক করলে একটি করে পয়েন্ট কাটা যাবে। তিনি বলেন, ড্রাইভিং লাইসেন্সধারী ব্যক্তি অপ্রকৃতিস্থ, অসুস্থ, শারীরিক বা মানসিকভাবে অক্ষম, মদ্যপ, অভ্যাসগত অপরাধী হলে লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করা যাবে। যে যানবাহনগুলো ভাড়ায় খাটে না যেমন, সরকারি যানবাহন, মৃতদেহ বহন ও সৎকারে নিয়োজিত পরিবহন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, রেকার; এগুলোকে রুট পারমিট থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

নতুন আইনানুযায়ী কর্তৃপক্ষ জনস্বার্থে সারা বাংলাদেশ বা যেকোনো এলাকার জন্য যেকোনো ধরনের মোটরযানের সংখ্যা নির্ধারণ করে দিতে পারবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সিঙ্গাপুরে যে কেউ গাড়ি নামাতে পারে না। কারণ ওখানে সংখ্যা নির্ধারণ করে দেয়া আছে। যেকোনো ধরনের গাড়ির জীবনকাল প্রজ্ঞাপন দিয়ে সরকার নির্ধারণ করে দিতে পারবে। চালক ও তার সহকারীদের যথাযথভাবে রেস্ট হয় না। তাদের সুবিধার জন্য সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে শ্রম আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্মঘণ্টা ও বিরতিকাল নির্ধারণ করে দেয়া যাবে। নিয়োগকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আবশ্যিকভাবে সেই কর্মঘণ্টা বা বিরতিকাল মেনে চলতে হবে। গতিসীমা, শব্দমাত্রা, পার্কিংয়ের বিষয় আইনে বলা আছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট চালক ও তার সহকারীরা তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানা এবং ক্ষেত্রমতো ফায়ার সার্ভিস, চিকিৎসাসেবা ও হাসপাতালকে অবহিত করবে।

আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তির জীবন রক্ষার্থে নিকটস্থ সেবাকেন্দ্র বা হাসপাতালে পাঠানো ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে। পুলিশ সারা দেশে টোল ফি নম্বর প্রবর্তন করবে যার মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনাকবলিত মোটরযানের চালক ও তার সহকারী, মালিক, পরিচালক বা তাদের প্রতিনিধি বা অন্য কোনো ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট নম্বরে ফোন করে জানাতে পারবেন। শফিউল আলম বলেন, কোনো মোটরযান দুর্ঘটনায় কেউ আঘাতপ্রাপ্ত হলে বা মারা গেলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি তার উত্তরাধিকারী আর্থিক সহায়তা তহবিল থেকে ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক ক্ষতিপূরণ বা চিকিৎসার খরচ পাবেন।

এই সহায়তা তহবিল কীভাবে গঠন হবে আইনে তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ওই তহবিল পরিচালনায় ট্রাস্টি বোর্ড করা হবে। সরকারি অনুদান, মোটরযানের মালিকের কাছ থেকে আদায় করা চাঁদা, এই আইনের অধীন জরিমানার অর্থ, মালিক সমিতির অনুদান, মোটর শ্রমিক ফেডারেশন বা সংগঠনের অনুদান বা অন্য কোনো বৈধ উৎস থেকে পাওয়া অর্থ নিয়ে এই তহবিল গঠন করা হবে। প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী মদ বা নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করে কেউ গাড়ি চালাতে পারবে না জানিয়ে তিনি বলেন, এসব সেবন করে চালকের সহকারী গাড়িতে অবস্থান করতে পারবে না। চালকের সহকারীদের যানবাহন চালানোর দায়িত্ব দেয়া যাবে না। সড়ক বা মহাসড়কে উল্টোপথে গাড়ি চালাতে পারবে না।

মোটরযান চালানোর সময় চালক মোবাইল ফোন বা অনুরূপ কোনো কিছু ব্যবহার করতে পারবে না। সিট বেল্ট বাঁধতে হবে। কোনো যাত্রী যান চালাতে চালককে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয় এমন কোনো আচরণ করতে পারবেন না। তিনি বলেন, মহিলা, শিশু, প্রতিবন্ধী ও বয়োজ্যেষ্ঠ যাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত আসনে অন্য কেউ বসতে পারবে না। যাত্রীদের সিটবেল্ট বাঁধার বিষয়ে নির্ধারিত বিধান অনুসরণ করতে হবে। এসব বিধান না মানলে আইনে শাস্তির বিধান রয়েছে।

এর আগে গত বছরের ২৭শে মার্চ খসড়াটি নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল মন্ত্রিসভা। এদিকে মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর নিজ দপ্তরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেন, বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে দুর্ঘটনায় প্রাণহানি তদন্তে হত্যা প্রমাণিত হলে চালকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হবে। আইনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, যদি দেখা যায়, চালক হত্যাই করেছে তবে ৩০২ ধারা অনুযায়ী বিচার হবে। কিন্তু আপনাদের মনে রাখতে হবে তদন্তসাপেক্ষে যখন তথ্য ভিন্ন পাওয়া যায়। অ্যাক্সিডেন্ট ঘটলেই মৃত্যু হলে ৩০২ এ যাবে তা না।

তদন্ত এবং তথ্যের ওপর নির্ভর করে এটা কোন খাতে যাবে সেটা তদন্ত যারা করবেন তারা ঠিক করবেন। তিনি বলেন, যদি তদন্তে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায় তবে দণ্ডবিধির ৩০২ এবং ক্ষেত্রমতে, ৩০৪ ধারা এই আইনেও প্রযোজ্য হবে। ৩০২ প্রমাণ করতে হলে ইনটেনশনটাও প্রমাণ করতে হবে। একটা মানুষকে মারলেই ৩০২ এ আপনি করবেন এ রকম না। আগে দণ্ডবিধির ৩০৪ (বি) তে সাজা ছিল সাত বছর। ১৯৮৫ সালে সাজা কমিয়ে তিন বছর করা হয়। আজকে সেই সাজা বাড়িয়ে পাঁচ বছর করা হয়েছে।



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
মৌলভীবাজারে সড়কে দুর্ঘটনায় মোটরবাইক আরোহীর মৃত্যু
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুরহাট
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের মামলা, আটক হয়নি কেউ
গাইবান্ধায় ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে বলাৎকার ॥ দোষী ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসির মানববন্ধন
কুষ্টিয়ায় গরু ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা !
কুষ্টিয়ায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার !
কেরালায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২৪
১২’শ কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তি রয়েছে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর : দুদক
যে কারণে বিয়ে করেননি অটল বিহারী বাজপেয়ী
শিমুল থেকে শিমুর ২০ বছর
আড্ডায় মাতলেন জয়া-প্রিয়াঙ্কা
তিন দিনের রিমান্ডে ফারিয়া
ফ্যাশন শোতে হাঁটলেন সোনাগাছির বারবণিতারা
জিয়া পরিবারের দুষ্কর্মের মুখোশ উন্মোচন করা জরুরী: তথ্যমন্ত্রী
ডোমারে গ্রাম পুলিশের গোডাউন থেকে ভিজিএফ চাল আটক,গোডাউন সিলগালা
জাতীয় অনলাইন প্রেসক্লাব মুন্সীগঞ্জ জেলা কমিটির চা চক্র অনুষ্ঠিত
আল্লারদর্গা বাজারে এক রাতে ৪ দোকানে সার্টার ভেঙ্গে চুরি : ১ ঘন্টা সড়ক অবরোধ !
আগামীকাল শপথ নিবেন ইমরান খান
মাদক কারবারিদের তালিকায় পুলিশ ও নেতাদের নাম
গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালসহ উপজেলার হাসপাতাল গুলিতে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি প্রতিনিধিদের দৌরাত্ব বৃদ্ধি : অসহায় রোগিরা