শিরোনাম:
●   মৌলভীবাজারে সড়কে দুর্ঘটনায় মোটরবাইক আরোহীর মৃত্যু ●   গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুরহাট ●   বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের মামলা, আটক হয়নি কেউ ●   গাইবান্ধায় ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে বলাৎকার ॥ দোষী ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসির মানববন্ধন ●   কুষ্টিয়ায় গরু ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা ! ●   কুষ্টিয়ায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার ! ●   কেরালায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২৪ ●   ১২’শ কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তি রয়েছে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর : দুদক ●   যে কারণে বিয়ে করেননি অটল বিহারী বাজপেয়ী ●   শিমুল থেকে শিমুর ২০ বছর
ঢাকা, শনিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৮, ৩ ভাদ্র ১৪২৫
Bijoynews24.com
শনিবার ● ২৮ জুলাই ২০১৮
প্রথম পাতা » Slider » মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন এবং বিধিমালার আলোকে পাচার সংশ্লিষ্ট মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন এখন সময়ের দাবী
প্রথম পাতা » Slider » মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন এবং বিধিমালার আলোকে পাচার সংশ্লিষ্ট মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন এখন সময়ের দাবী
১৩৩ বার পঠিত
শনিবার ● ২৮ জুলাই ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন এবং বিধিমালার আলোকে পাচার সংশ্লিষ্ট মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন এখন সময়ের দাবী



বিশেষ প্রতিবেদন

বিজয়নিউজ২৪.কম :

---নারী ও শিশু পাচার আমাদের অন্যতম একটি জাতীয় সমস্যা। এশিয়ার অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও মানব ও শিশু পাচার নিয়ে বাণিজ্য চলছে। পাচারের মাধ্যমে মূলত: ব্যক্তি অধিকার হরণ করে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং শারীরিক ও মানসিক স্বাধীনতা হরণ করে যৌন দাসত্ব, জোরপূর্বক শ্রম, বাধ্যতামূলক ও শোষণমূলক শ্রম, অঙ্গ পাচারের মত কার্যকলাপ সংঘটিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ প্রধানত মানব পাচারের উৎস দেশ হিসেবে পরিচিত। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বাংলাদেশ ট্রানজিট ও গন্তব্য স্থল হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার মানবতা বিরোধী এই অপরাধের প্রতিরোধ ও প্রতিকারে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তায় বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সরকার ইতোমধ্যে “মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২” এবং “মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ ও বিধিমালা ২০১৭” প্রণয়ন করেছে যেখানে জাতীয় মানব পাচার দমন সংস্থা, মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিল ও মানব পাচার অপরাধ দমনে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পাচার প্রতিরোধ ও দমনে কাজ করার অঙ্গীকার রয়েছে।

পাশাপাশি সরকার নিয়মিত মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (National Plan of Action on Combating Human Trafficking) গ্রহণ করে আসছে এবং বর্তমানে তৃতীয় দফায় ২০১৮-২০২২ সালের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের প্রস্তুতি চলছে।

সরকারের এসকল উদ্যোগ ও কর্মপ্রয়াসের মধ্যেও মানব পাচার বিষয়ে আমাদের সামগ্রিক অগ্রগতি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানদ-ে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের মানব পাচার বিষয়ক প্রতিবেদন ২০১৭ তে দ্বিতীয় স্তরের নজরদারিতে থাকা দেশের তালিকায় চলে আসে বাংলাদেশ। মূলত: পাচারের শিকার ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ কমে যাওয়া, পাচার বিষয়ক অপরাধের তদন্ত, মামলা পরিচালনা ও অপরাধীর দন্ড যথাযথভাবে না হওয়া এবং পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষার জন্য আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা না নেওয়া ইত্যাদি কারণে, যা কিনা আমাদের দেশের ওপর বাণিজ্যিক বিধি বিধানে প্রভাবিত করতে পারে।

অথচ গৃহীত মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ তে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তির পাশাপাশি পাচারের শিকার ব্যক্তির ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন, পরিবারের সাথে একত্রীকরণ ইত্যাদি সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও, আইনে পাচার সংক্রান্ত মামলাসমূহ পরিচালনার জন্য মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা বলা হলেও এখনও এই ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বর্তমানে মানব পাচার সংক্রান্ত মামলাগুলি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে প্রতিষ্ঠিত আদালতে বিচার কর্যিক্রম চলছে।

বাংলাদেশে মানব পাচার সংক্রান্ত মামলার পরিস্থিতি যদি আমরা দেখি তাহলে দেখবো, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের জানুয়ারি-মে মাস পর্যন্ত দায়ের করা প্রায় ১৮২টি পাচারের মামলায় একজন পাচারকারীও আটক হয়নি।

বাংলাদেশ পুলিশ হেড কোয়ার্টার এর জানুয়ারী-মে প্রতিবেদন অনুযায়ী মানব পাচারের মোট ২১৫টি মামলা হয়েছে । আর যে সকল মামলার রায় প্রদান করা হয়েছে সেগুলোর ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে, দন্ডিত ব্যক্তিরা পলাতক থাকার কারণে রায় কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না।

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমনে সরকারী কার্যক্রমের জোরদারকরণের লক্ষ্যে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন-২০১২ ও বিধিমালা ২০১৭ এর নির্দেশনা মোতাবেক “মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল” দ্রুততার সাথে প্রতিষ্ঠা করা উচিত যার মাধ্যমে পাচার আইনের মামলাসমূহকে দ্রুত বিচারের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল গঠনে পাচার প্রবণ এলাকা ও প্রাথমিকভাবে বিভাগীয় পর্যায়ে ট্রাইব্যুনাল গড়ে তোলার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।

এই বিষয়টি নিয়ে কর্মরত অধিকার কর্মীরা মনে করেন, এই বিষয়ে ব্যাপকভিত্তিক জনসচেতনতা তৈরী হলে এই সমস্যা মোকাবেলা করা সহজতর হবে।

বেসরকারি হিসাব অনুযায়ী, যারা পাচারের শিকার হচ্ছে, তাদের ৬০ ভাগেরও বেশি কিশোরী, যাদের বয়স ১২ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে এবং পাচারকৃত নারীদের পতিতাবৃত্তি, ধনী ব্যক্তিদের রক্ষিতা, অশ্লীল ছবি তৈরিতে ব্যবহার, বাসাবাড়ি ও কলকারখানায় লাভজনক শ্রমিক হিসেবে ব্যবহার, শিশুদের বিকলাঙ্গ/অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকৃতির মাধ্যমে ভিক্ষাবৃত্তিতে ব্যবহার ও নিঃসন্তান দম্পতিদের কাছে চড়া মূল্যে হস্তান্তর এবং মাদক চোরাচালান ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ কাজে ব্যবহার করা হয় বলে জানা যায়। যা চরমভাবে মানবাধিকারকে লংঘিত করছে।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, গত ১০ বৎ্সরে বাংলাদেশ হতে তিন লক্ষাধিক নারী ও শিশু ভারতে পাচার হয়েছে। তবে বিভিন্ন এনজিওর হিসাব মতে, পাচারকৃত নারী ও শিশুর সংখ্যা ৫ লক্ষাধিক।

পাচার প্রতিরোধে জাতীয়, আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক সমন্বয় ও নেটওয়ার্কিং বিশেষ প্রয়োজন এবং পাচার প্রতিরোধে সরকারী ও বেসরকারী সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

এ বিষয়ে উপ-পরিচালক (প্রশাসন), যুগ্ম জেলা জজ, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা, আইন ও বিচার বিভাগ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জনাব আবেদা সুলতানা রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে পাচার প্রতিরোধ সংক্রান্ত সম্প্রতি এক সভায় জানান, দেশের ৬৪টি জেলায় সরকার ৬৪টি লিগ্যাল এইড প্রদানের মাধ্যমে সরকারী সহায়তা দিচ্ছে। অথচ আইন সম্পর্কিত অজ্ঞতা, প্রচার এবং অসচেতনতার কারণে সহিংসতার শিকার ব্যক্তি আইনের শাসন থেকে বঞ্চিত হয়। তিনি আরও জানান, সারাদেশে প্রায় ৩৫০০ লিগ্যাল এইড প্রদানকারী রয়েছে যা দেশের ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত।

কমিউনিটি ও নেটওয়ার্কিং কার্যক্রম শক্তিশালী করার মাধ্যমে শিশু পাচার প্রতিরোধ (পিসিটিএসসিএন) প্রকল্প নিবিড়ভাবে সমন্বয় করে কাজ করছে। পিসিটিএসসিএন কন্সোর্টিয়াম এর অন্যতম সদস্য কমিউনিটি পার্টিসিপেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট (সিপিডি) পিসিটিএসসিএন প্রকল্প বাস্তবায়নে অন্যান্য সদস্যদের সাথে কাজ করছে।

কমিউনিটি ও নেটওয়ার্কিং শক্তিশালীকরণের মাধ্যমে সরকারী ও বেসরকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করে শক্তিশালী শিশু পাচার প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। এবং শিশু পাচারের বিভিন্ন বিষয়সমূহ চিহ্নিতকরণ ও মোকাবেলার জন্য পরিষেবা ও এডভোকেসী নেটওয়ার্কিং শক্তিশালী করণের মাধ্যমে সরকারী ও বেসরকারী সংস্থাগুলোর মাধ্যমে সমন্বয় ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা দরকার।

শিশু পাচারের ভয়াবহতার কথা তুলে ধরে শিশু, অভিভাবক ও অন্যান্য স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে সচেতনাতা বৃদ্ধি করা দরকার। সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মসূচী আয়োজনের মাধ্যমে এটা করা যেতে পারে।

সচেতনতা তৈরীর ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভ’মিকা খুবই জরুরী। গণমাধ্যমকে এই ব্যাপারে এগিয়ে আসা দরকার।

পিসিটিএসসিএন প্রকল্প নিয়ে কর্মরত অধিকার কর্র্মীদের মতে, সচেতনতা কার্যক্রমে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক ও সমাজের অন্যান্য প্রভাবশালী ব্য্রক্তিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে পাচার প্রতিরোধ এবং নারী ও শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ফলাফল আশা করা যেতে পারে।

প্রতি শুক্রবার দেশের মসজিদ গুলিতে প্রচুর লোকের সমাগম হয়ে থাকে। এই উপলক্ষ্যে যদি মসজিদের ইমাম তার সাপ্তাহিক ধর্মীয় বক্তৃতায় পাচার বিরোধী বিষয়বস্তু তুলে ধরে, তাহলে ইতিবাচক ফলাফল আশা করা যেতে পারে।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে মতবিনিময় ছাড়াও স্থানীয় লোকজনের সাথে উঠান বৈঠক করা যেতে পারে এতে করে পাচার বিরোধী সচেতনাতা গড়ে উঠবে।

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম যেমন সংগীতানুষ্ঠান, নাটক, পালাগান প্রভৃতি আয়োজনের মাধ্যমে পাচার বিরোধী বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে।

পাচার রোধে স্থানীয় সম্প্রদায়, স্থানীয় সংগঠন এবং সুশীল সমাজ এর সাথে কাজ করা উচিত।


তাছাড়া, পাচারকৃত শিশুদের উদ্ধারের পর যাতে এইসব শিশুদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা হয় এবং তাদের পুনর্বাসন ও জীবন পুনর্গঠন হয় সে লক্ষ্যে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

যে সমস্ত গরীব পরিবার জীবিকার প্রয়োজনে তাদের শিশুদেরকে কাজে পাঠায় তাদের জীবিকার ব্যাপারে সহযোগিতা করা দরকার।

এটা সকলেরই জানা উচিত যে, স্বাধীনতা, মর্যাদা ও সমতা সকল শিশু ও নারীদের অধিকার। এই অধিকার সমুন্নত রাখার জন্য সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে উদ্যোগ থাকা বাঞ্ছনীয়। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার অধিকাংশই নারী ও শিশু। তাই, আমাদের জাতীয় স্বার্থের প্রয়োজনে তাদের নিরাপত্তা ও সুন্দর ভবিষ্যত নিশ্চিত করা দরকার। www.bijoynews24.com



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
মৌলভীবাজারে সড়কে দুর্ঘটনায় মোটরবাইক আরোহীর মৃত্যু
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুরহাট
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের মামলা, আটক হয়নি কেউ
গাইবান্ধায় ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে বলাৎকার ॥ দোষী ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসির মানববন্ধন
কুষ্টিয়ায় গরু ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা !
কুষ্টিয়ায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার !
কেরালায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২৪
১২’শ কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তি রয়েছে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর : দুদক
যে কারণে বিয়ে করেননি অটল বিহারী বাজপেয়ী
শিমুল থেকে শিমুর ২০ বছর
আড্ডায় মাতলেন জয়া-প্রিয়াঙ্কা
তিন দিনের রিমান্ডে ফারিয়া
ফ্যাশন শোতে হাঁটলেন সোনাগাছির বারবণিতারা
জিয়া পরিবারের দুষ্কর্মের মুখোশ উন্মোচন করা জরুরী: তথ্যমন্ত্রী
ডোমারে গ্রাম পুলিশের গোডাউন থেকে ভিজিএফ চাল আটক,গোডাউন সিলগালা
জাতীয় অনলাইন প্রেসক্লাব মুন্সীগঞ্জ জেলা কমিটির চা চক্র অনুষ্ঠিত
আল্লারদর্গা বাজারে এক রাতে ৪ দোকানে সার্টার ভেঙ্গে চুরি : ১ ঘন্টা সড়ক অবরোধ !
আগামীকাল শপথ নিবেন ইমরান খান
মাদক কারবারিদের তালিকায় পুলিশ ও নেতাদের নাম
গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালসহ উপজেলার হাসপাতাল গুলিতে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি প্রতিনিধিদের দৌরাত্ব বৃদ্ধি : অসহায় রোগিরা