ঢাকা, শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮, ৫ শ্রাবণ ১৪২৫
Bijoynews24.com
প্রথম পাতা » Slider » রোহিঙ্গারা বিচার চায়, নিরাপদে বাড়ি ফিরতে চায় - জাতিসংঘ মহাসচিব
মঙ্গলবার ● ৩ জুলাই ২০১৮
Email this News Print Friendly Version

রোহিঙ্গারা বিচার চায়, নিরাপদে বাড়ি ফিরতে চায় - জাতিসংঘ মহাসচিব

 ---Bijoynews :  রোহিঙ্গাদের মুখে তাদের ওপর বয়ে যাওয়া বর্মী বর্বরতার করুণ কাহিনীগুলো শুনে মর্মাহত জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। কক্সবাজাস্থ রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছেড়ে আসার মুহূর্তে মহাসচিব তার আবেগঘন অনুভূতি প্রকাশ করেন টুইট বার্তায়। লিখেন-

কক্সবাজারে আজ যে মাত্রার দুর্ভোগ এবং সংকট আমি দেখেছি তার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। আমি সেখানে রোহিঙ্গাদের মুখ থেকে হৃদয় ভেঙে যাওয়ার মতো সব কাহিনী শুনেছি। এই অনুভূতিটা চিরদিন আমাদের সঙ্গে থেকে যাবে। এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আমরা অনুরোধ, আসুন আমরা তাদের সমর্থনে পাশে দাঁড়াই।

 

গতকাল জাতিসংঘ মহাসচিবসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের কাছে পেয়ে কক্সবাজারস্থ ক্যামেপ থাকা নির্যাতিত রোহিঙ্গা শরণার্থীরা তাদের ওপর চলা নির্যাতন ও ধর্ষণের জন্য বর্মী বিচার চান। এ নিয়ে মহাসচিব টুইট বার্তা লিখেন- মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের কক্সবাজারে পালিয়ে আসা নতুন রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে হত্যা আর ধর্ষণের যে বিস্তর বিবরণ আমি শুনেছি, সেটা অকল্পনীয়। তারা তাদের ওপর চলা বর্বরতার ন্যায় বিচার চায়। তারা নিরাপদে তাদের বাড়িতে ফিরে যেতে চায়। জাতিসংঘের মহাসচিব দুপুরে কক্সবাজারের কুতুপালং শরণার্থী শিবির ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি রোহিঙ্গা নারী-পুরুষদের মুখ থেকে তাদের মাতৃভূমি থেকে পালিয়ে আসার করুণ কাহিনীগুলো শোনেন।  রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের আগে-পরে একের পর এক টুইট বার্তায় জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেজ নিজের অনুভূতি, রোহিঙ্গাদের অবস্থা ও অবস্থানের করুণ চিত্র তুলেন। লিখেন- রোহিঙ্গারা বিশ্বের সবচেয়ে  বৈষম্য ও ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে একটি।

রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট একটি মানবিক ও মানবাধিকারের দুঃস্বপ্ন। এই শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়ায় আমি বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি লিখেন- রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয়দানের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনসাধারণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করতে বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিমকে সঙ্গে নিয়ে কক্সবাজারে এসেছি। অপর এক টুইট বার্তায় জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশের জনগণ উদারতা ও মানবিকতার সর্বোচ্চ পরিচয় দিয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। অন্য এক টুইট বার্তায় তিনি বর্ষা মৌসুমে ঝুঁকির মুখে থাকা ২ লাখ রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুকে জরুরী ভিত্তিতে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে দেয়ার তাগিদ দেন। মহাসচিবের ভাষায়- ‘বর্ষা মৌসুমে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিরাপত্তা আমাদের অগ্রাধিকার। কমবেশি ২ লাখ লোককে নিরাপদ স্থানে সরাতে হবে। আমি আজ তাদের সঙ্গে দেখা করেছি, বর্ষা মৌসুমে রোহিঙ্গাদের আশা-ভরসা পানিতে ভেসে যাক, এটা আমরা মানতে পারি না।’

রোহিঙ্গা ক্যামপ পরিদর্শনের সময় জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর প্রধান ফিলিপো গ্রান্ডি, আন্তর্জাতিক রেড ক্রসের প্রেসিডেন্ট পিটার মুরার উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউএনএইচসিআরর সঙ্গে কর্মরত ও রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলার সময় কক্ষে অবস্থান করা রোহিঙ্গা আলী জোহার রোহিঙ্গাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, নাগরিকত্ব, স্বাধীনভাবে চলাফেরা ও কর্মের নিশ্চয়তাসহ সব অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত তারা মিয়ানমার ফিরতে চান না। কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল জানান, জাতিসংঘ মহাসচিব ও বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে আসা টিম ইউএনএইচসিআরর বালুখালী ট্রানজিট ক্যামপ, কুতুপালং মেইন রোহিঙ্গা ক্যামপ এবং নারীদের আলাদা জায়গা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া দুর্দশার কথা শুনেন।

তিনি আরও জানান, কথা বলা শেষে আন্তোনিও গুতেরেস, কিমসহ অন্য অতিথিরা রোহিঙ্গা ক্যামেপ সহযোগিতা দেয়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার ত্রাণ কেন্দ্র, চিকিৎসা সেন্টার ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখেন। সোমবার বেলা ১১টার দিকে তারা উখিয়ার রোহিঙ্গা ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে পরিচিত টিভি রিলে কেন্দ্র এলাকায় পৌঁছান। এর আগে বেলা ১০টার দিকে সৈকত পারের কলাতলীর তারকা হোটেল সায়মন বিচ রিসোর্ট থেকে তাদের গাড়ি বহর বের হয় এবং মেরিন ড্রাইভ হয়ে সড়কপথে উখিয়ার পথে রওয়ানা হন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম। কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছার পর ভারি বর্ষণ শুরু হওয়ায় বিমান বন্দরেই কিছুক্ষণ অবস্থান নেন। এরপর তাদের নিয়ে যাওয়া হয় সৈকত পারে হোটেল সায়মনে। সেখানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি সমপর্কে ধারণা দেয়া হয়। এর আগে অর্থাৎ ২০০৮ সালের ইউএনএইচসিআর-এর শীর্ষ পদে থাকা অবস্থায় জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যামপ পরিদর্শনে এসেছিলেন। জাতিসংঘ মহাসচিবের দায়িত্ব নেয়ার পর বাংলাদেশে এটাই তাঁর প্রথম সফর। তবে বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম দুই বছর আগেই একবার বাংলাদেশ ঘুরে গেছেন।

জাতিসংঘের কর্মকর্তারা জানান, জাতিসংঘ মহাসচিবসহ বিশ্ব সংস্থার প্রতিনিধিরা প্রতিনিয়ত বাংলাদেশে আগত রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদার সঙ্গে তাদের প্রত্যাবাসন সম্পর্কে অগ্রগতির পর্যবেক্ষণ করছেন। সরজমিনে পরিস্থিতি দেখে যাওয়ার পর তাদের মূল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণ আরো জোরদার হবে। কর্মকর্তারা জানান- তাদের সফরের আরো লক্ষ্য হচ্ছে- রোহিঙ্গা পরিস্থিতি সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকারকে মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনায় আরো সংলাপের ব্যবস্থা করতে উদ্বুদ্ধ করা এবং রোহিঙ্গাদের অবস্থার ব্যাপক সমাধানের জন্য জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতার কথা পুনর্ব্যক্ত করা। রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনকে সামনে রেখে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট কিম বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতির ব্যাপারে আমরা সকলে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।

বাংলাদেশের উদার সমর্থনের প্রশংসা করে প্রেসিডেন্ট বলেন, শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়া উদার দেশগুলোকে শাস্ত্তি দেয়া উচিত নয়। পরিস্থিতিকে মানবিক ট্র্যাজেডি উল্লেখ করে বিশ্বব্যাংকের প্রধান বলেন, এই সমস্যাটির শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। গত বছরের আগস্ট থেকে মিয়ানমারে সহিংসতার কারণে বাধ্য হয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় আশ্রয় নেয় সাত লাখের অধিক রোহিঙ্গা। এটি বিশ্বের বৃহত্তম এবং দ্রুত বর্ধনশীল শরণার্থী শিবির তৈরি করে। এর ফলে এদেশের পরিবেশ, অবকাঠামো এবং সামাজিক সেবায় প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়েছে। রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি দেখতে দুই দিনের সফরে শনিবার ঢাকায় আসেন আন্তোনিও গুতেরেস ও জিম ইয়ং কিম। তারা জানিয়েছেন, এ সংকট এবং রোহিঙ্গাদের দুর্দশা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে মিয়ানমারের ওপর চাপ বাড়ানোর কথা বলেন জাতিসংঘ মহাসচিব। আর রোহিঙ্গা সংকটে ভূমিকার জন্য বাংলাদেশের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম বলেন, এই সংকট উত্তরণে আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের আরো অনেক কাজ বাকি, আর সেজন্যই তিনি ও জাতিসংঘ মহাসচিব বাংলাদেশে এসেছেন।

কুতুপালং ক্যাম্পে ব্রিফিংকালে গুতেরেস ও কিম- নাগরিকত্ব দিয়ে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে হবে: ওদিকে পরিদর্শনের সমাপনী লগ্নে বিকেল ৩টার দিকে কুতুপালং ডি-৫ ব্লকে প্রেস ব্রিফিংকালে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, ঘরবাড়ি, স্বজন ও দেশহারা রোহিঙ্গারা বিশ্বের সবচেয়ে নিপীড়িত গোষ্ঠী। মিয়ানমার সেনাদের দমন-নিপীড়ন, হত্যা-ধর্ষণ প্রভৃতি বর্বরোচিত নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা এখানে আশ্রয় নিয়েছে। তারা যেভাবে জীবন-যাপন করছে তা অত্যন্ত করুণ। তবে বাংলাদেশ সরকার তাদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্বে প্রশংসা কুড়িয়েছে। ব্রিফিংয়ে আলজাজিরার এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে গুতেরেস বলেন, প্রকৃত পক্ষে রোহিঙ্গা মুসলিমরা মিয়ানমারের নাগরিক, তাই এখানে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিকত্ব দিয়ে মিয়ানমারকে তাদের ফেরত নিতে হবে, যেহেতু রোহিঙ্গারা স্বদেশে নিরাপদে ফিরতে চায়।

ব্রিফিংয়ে বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইং কিম বলেন, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে এখানে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা নিঃস্ব। তাদের বিশ্ব ব্যাংক ইতিপূর্বে থেকে অনেক আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে আসছে। রোহিঙ্গারা এখানে যতদিন থাকবে ততদিন পর্যন্ত বিশ্ব ব্যাংক রোহিঙ্গাদের সাহায্য সহযোগিতা প্রদান করার আশ্বস্ত করে বলেন, বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশের পাশে থেকে রোহিঙ্গারা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে স্বদেশে ফিরে যেতে পারে তার জন্য কাজ করছে। তার আগে বিশ্বের র্শীষ স্থানীয় দুই সংস্থার প্রধানকে কাছে পেয়ে রোহিঙ্গারা তাদের উপর বর্মী বাহিনীর বর্বর নির্যাতনের বর্ণনা করেন। সেখান থেকে বেরিয়ে আসা রোহিঙ্গা নারী শফিকা বেগমের(২৫) বলেন, তারা এখানে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের স্ব সম্মানে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করছেন এবং প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত থাকা খাওয়া ও চিকিৎসা সেবা ব্যবস্থা করবেন বলে আমাদের জানিয়েছেন।

গুরুত্বপূর্ণ ওই অতিথির রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি, জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন, শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম, পুলিশ সুপার ড. ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল, উখিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাইলাউ মার্মা, উখিয়ার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) একরামূল ছিদ্দিক সঙ্গে ছিলেন।


কুষ্টিয়ার মিরপুরে বজ্রপাতে ৫জনের মৃত্যু, আহত-৩

মনের মতো গল্পের নায়িকা


পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
পঞ্চগড়ে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় ছাত্রীর আত্মহত্যা
ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি স্ত্রীর মামলায় গ্রেপ্তার
শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা ‘সেই ওসি’কে স্ট্যান্ড রিলিজ!
আপত্তিকর অবস্থায় গায়িকাসহ গ্রেপ্তার গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুদ রানা
ঘরে মেডিকেল ছাত্রীসহ মায়ের গলাকাটা লাশ, বারান্দায় ঝুলছে বাবা
যশোরে ৭০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষনের পর শ্বাসরোধে হত্যা
স্বামীকে তালাক দিয়ে এসে দেখেন পরকীয়া প্রেমিক উধাও!
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল
আকাশে দুই বিমানের মুখোমুখি সংঘর্ষ, সবাই নিহত
৫৫ কলেজে পাস করেনি কেউ
গোপালগঞ্জে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত
ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ থেকে এবারও শতভাগ পাস
গাইবান্ধায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত
সোনাপুর যুব সংঘ এর উদ্যোগে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
পঞ্চগড়ে বিজিবির ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে জুডো প্রতিযোগিতা
শিক্ষার কি হাল হকিকত !
কক্সবাজারে র‌্যাব-বিজিবির ‘বন্দুকযুদ্ধ’, নিহত ২
নবীনগরে তথ্যমন্ত্রীর সভা প্রতিহতে অনড় আওয়ামী লীগ
আত্মহত্যা করলেন তামিল অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা
এইচএসসির ফল প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর