ঢাকা, শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮, ৫ শ্রাবণ ১৪২৫
Bijoynews24.com
প্রথম পাতা » Slider » জাল হাদীসের পাশপাশি উদ্ভট কিসসা কাহিনি বলে পীরপন্থীরা সাধারণ মানুষদের মগজ ধোলাই করছে
সোমবার ● ২ জুলাই ২০১৮
Email this News Print Friendly Version

জাল হাদীসের পাশপাশি উদ্ভট কিসসা কাহিনি বলে পীরপন্থীরা সাধারণ মানুষদের মগজ ধোলাই করছে

---1.পীর ধরার ১ নং দলীল:
পীরপন্থীরা পীর ধরা ও পীরের
হাতে বাইয়াতের জন্য কুরআন ও
হাদীসের অপব্যখ্যা সহ অনেক দূর্বল
ও জাল হাদীসের পাশপাশি উদ্ভট
কিসসা কাহিনি বলে সাধারণ
মানুষদের মগজ ধোলাই করছে।
এখানে ধারাবাহিকভাবে সেইসব
বিষয় আলোচনা করবো ও মগজ
সংশোধনের চেষ্টা করবো।
পীর ধরার ১নং দলীল: আল্লাহ
বলেন-
হে ঈমানদারগণ, তোমার
আল্লাহকে ভয় কর, এবং আল্লাহ্
প্রাপ্তির পথে “উসিলা” তালাশ
কর। (৫:৩৫)
পীরপন্থীরা বলে থাকেন-“কাউলুল
জামির” কিতাবে ২৮ পৃষ্ঠা ও হযরত
মোজাদ্দেক আল ফেসানী (রঃ) এর
মকতুবাত শরীফের দ্বিতীয় খন্ডের,
১২৬ পৃষ্ঠায় এই উসিলা শব্দের অর্থ
“পীর গ্রহণ করা, বলে উল্লেখ করা
হয়েছে।
সংশোধন: আসুন দেখি পুরো
আয়াতের বাংলা অনুবাদ ও এর
তাফসীর:
“হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর,
তাঁর নৈকট্য লাভের উপায়
অম্বেষণ কর ও তাঁর পথে সংগ্রাম
কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে
পারো। (সূরা ৫ মায়িদা:৩৫)
অনুবাদটি আহসানুল বায়ান,
তাইসিরুল কুরআন ও ইসলামিক
ফাউন্ডেশন থেকে নেয়া।
আলোচ্য আয়াতে এর মানে হচ্ছে, ঐ
জিনিস যার মাধ্যমে আকাঙ্ক্ষিত
বস্তু লাভ করা যায় অথবা কোন বস্তুর
নিকটবর্তী হওয়া যায়। ‘আল্লাহর
নৈকট্য লাভের উপায় অন্বেষণ করো’
এর ভাবার্থ হচ্ছে; এমন কর্ম সম্পাদন
করা, যার দ্বারা তুমি আল্লাহর
সন্তুষ্টি ও সান্নিধ্য অর্জন করতে
পার। নেক আমলের মাধ্যমে
আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা।
হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, জান্নাতের
সুউচ্চ স্থানকেও ‘অসীলা’ বলা হয়;
যা নবী (সাঃ)-কে প্রদান করা হবে ।
আর এই জন্যেই নবী (সাঃ) বলেছেন ;
যে ব্যক্তি আযানের পর এই দু’আ পাঠ
করবে, তার জন্য আমার সুপারিশ
হালাল হয়ে যাবে। (বুখারীঃ আযান
অধ্যায় ও মুসলিমঃ নামায অধ্যায়)
অসীলার দু’আ যা আযানের পর
পঠনীয়, তা হচ্ছে-
ﺍﻟﻠﻬﻢ ﺭﺏ ﻫﺬﻩ ﺍﻟﺪﻋﻮﺓ ﺍﻟﺘﺎﻣﺔ ، ﻭﺍﻟﺼﻼﺓ
ﺍﻟﻘﺎﺋﻤﺔ ، ﺁﺕ ﻣﺤﻤﺪﺍ ﺍﻟﻮﺳﻴﻠﺔ ﻭﺍﻟﻔﻀﻴﻠﺔ ،
ﻭﺍﺑﻌﺜﻪ ﻣﻘﺎﻣﺎ ﻣﺤﻤﻮﺩﺍ ﺍﻟﺬﻱ ﻭﻋﺪﺗﻪ ، ”
‘‘আল্লা-হুম্মা রাববা হা-যিহিদ
দা’অতিত্ তা-ম্মাহ, অসস্বালা-তিল
ক্বা-য়িমাহ, আ-তি মুহাম্মাদানিল
অসীলাতা অলফাযীলাহ, অবআসহু
মাক্বা-মাম মাহমূদানিল্লাযী
অআত্তাহ।’’
আয়াতের পরের অংশে বলা হচ্ছে-
আল্লাহর পথে জিহাদ/লড়াই করো
যাতে তোমরা সফল হতে পারো।
অর্থ্যাৎ জিহাদও অন্যতম
নৈকট্যলাভের মাধ্যম।ইমাম তাবারী
(রহ)বলেন-
“তার পথ মানে, দ্বীন ও শরীয়াত যা
তার বান্দাহদের জন্য নির্দিষ্ট করে
দিয়েছেন।” ইসলাম ও মুসলমানদের
শত্রুদের বিরুদ্ধে জিহাদ করা যাতে
জান্নাতের অনন্ত জীবন লাভের
মাধ্যমে সফলতা লাভ করতে পারবে।
এই আয়াতে কোথায় পীর বা
ব্যক্তির কথা বর্ণিত আছে? বরং
বলা হচ্ছে আল্লাহর সন্তুষ্টি
অর্জনের জন্য কাজ করার।
2.পীর ধরার ২ নং অকাট্য দলীল:
হক্কানী ও ভন্ড উভয় প্রকারের
কাছেই পীর ধরার দলীল হলো সূরা ৯
তাওবার ১১৯ নম্বর আয়াত-
ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍ ﺍﺗَّﻘُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﻛُﻮﻧُﻮﺍ ﻣَﻊَ
ﺍﻟﺼَّﺎﺩِﻗِﻴﻦَ
বাংলা: হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা
আল্লাহকে ভয় কর এবং
সত্যবাদীদের সঙ্গী হও।
তাফসীর: আল্লাহ তাআলা এখানে
বিশ্বাসীদের উদ্দেশ্য করে তার
শাস্তি থেকে বাচার ও জান্নাতের
পথের পরিচয় দিচ্ছেন, বিশেষ করে
যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে বাচার
উপায়। (তাবারী) “আল্লাহকে ভয়
করা”-এর মানে হলো, ফরয আদায়
করা ও নিষিদ্ধ বিষয়াবলী থেকে
বেচে থাকা। আর সত্যবাদীদের
সাথে থাকো দুনিয়াতে। অধিকাংশ
বিদ্বানদের মতে, সত্যবাদী বলতে
নবী করীম সা. ও তার সাহাবীদের
বুঝানো হয়েছে, অর্থ্যাৎ সাধারণ
মুসলমানদের আদেশ করা হচ্ছে তারা
যেন মুনাফিকদের সংস্পর্শ থেকে
দুরে থাকে এবং সত্যবাদী আবুবকর,
উমর (রা) প্রমুখ সাহাবীদের সঙ্গী
হয়। (তাবারী)
সত্যবাদিতার কারণে আল্লাহ
তাআলা সেই তিনজন সাহাবী
(রাঃ)-এর শুধু অপরাধই ক্ষমা করে
দেননি; বরং তাঁদের তওবার কথা
পূর্ববতী আয়াতরূপে অবতীর্ণ
করেছেন। এই আয়াতে সত্যবাদীদের
সাথে থাকা বা সত্যবাদী হতে বলা
হচ্ছে (এর একটি কেরাত হচ্ছে, ﻳﺎ ﺃﻳﻬﺎ
ﺍﻟﺬﻳﻦ ﺁﻣﻨﻮﺍ ﺍﺗﻘﻮﺍ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﻛﻮﻧﻮﺍ ﻣﻦ ﺍﻟﺼﺎﺩﻗﻴﻦ ),
অর্থ এই যে, যে ব্যক্তির মাঝে
আল্লাহ-ভীতি থাকবে সে
সত্যবাদীও হবে। আর যে মিথ্যুক হবে,
জেনে রাখুন যে, তার অন্তর আল্লাহ-
ভীতি থেকে খালি হবে।
ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহ
থেকে বর্ণিত যে তিনি বলেন,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা
অবশ্যই সত্যকে অবলম্বন করবে।
কেননা সত্য সৎ কর্মের দিকে ধাবিত
করে আর সৎকর্ম ধাবিত করে
জান্নাতের দিকে। কোন ব্যক্তি যদি
সত্য বলতে থাকে এবং সত্যের প্রতি
সদা মনযোগ রাখতে থাকে শেষ
পর্যন্ত আল্লাহর কাছেও সিদ্দীক
হিসাবে তার কথা লিপিবদ্ধ হয়।
তোমরা মিথ্যার থেকে বেঁচে
থাকবে, কেননা মিথ্যা অন্যায়ের
দিকে নিয়ে যায়, আর অন্যায়নিয়ে
যায় জাহান্নামের দিকে। কোন
বান্দা যখন মিথ্যা বলতে থাকে
এবং মিথ্যার প্রতই তার খেয়াল
থাকে এমন কি শেষ পর্যন্ত আল্লাহর
কাছেও কাযযাব (অতি মিথ্যাবাদী)
বলে তার নাম লিপিবদ্ধ হয়।
(তিরমিযী:১৯৭১)
বুখারী ও মুসলিমের হাদীসে
এসেছে, আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে
বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সত্য নেকীর
দিকে পরিচালিত করে আর নেকী
জান্নাতের দিকে পৌছায়। আর
মানুষ সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকে
অবশেষে সিদ্দীক এর দরজা লাভ
করে। আর মিথ্যা মানুষকে পাপের
দিকে নিয়ে যায়। পাপ তাকে
জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়। আর
মানুষ মিথ্যা কথা বলতে বলতে
অবশেষে আল্লাহর কাছে
মহামিথ্যাবাদী রূপে সাব্যস্ত হয়ে
যায়। (বুখারী: ৫৭৪৩)
কথায় আছে, সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস
অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ। এখানে
নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির মুরীদ
হতে বলা হয় নি বরং ভালো
লোকদের সাথে মেলামেশা
করতে বলা হচ্ছে যাতে ঈমান ও
আমলের সংরক্ষণ হয়। সাদেকীন
বহুবচন, একবচন নয়। আল্লাহ বলেন-
(দ্রষ্টব্য: তাফসীরে তাবারী,
কুরতবী, ইবনে
কাসীর,বাগাভী,সা’দী)
পরহেযগার বান্দাহর পরিচয়ে
আল্লাহ বলেন – যারা বলে, ‘হে
আমাদের প্রতিপালক! নিশ্চয় আমরা
বিশ্বাস করেছি; অতএব আমাদের
অপরাধসমূহ ক্ষমা কর এবং দোযখের
শাস্তি থেকে আমাদেরকে রক্ষা
কর।’যারা ধৈর্যশীল, সত্যবাদী,
অনুগত, দানশীল এবং রাত্রির
শেষাংশে ক্ষমাপ্রার্থী।(সূরা ৩
আলে ইমরান:১৬-১৭)
সত্যবাদীদের সম্পর্কে আল্লাহ
বলেন-
ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟْﻤُﺆْﻣِﻨُﻮﻥَ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺭَﺳُﻮﻟِﻪِ ﺛُﻢَّ
ﻟَﻢْ ﻳَﺮْﺗَﺎﺑُﻮﺍ ﻭَﺟَﺎﻫَﺪُﻭﺍ ﺑِﺄَﻣْﻮَﺍﻟِﻬِﻢْ ﻭَﺃَﻧْﻔُﺴِﻬِﻢْ ﻓِﻲ
ﺳَﺒِﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﺃُﻭﻟَٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ ﺍﻟﺼَّﺎﺩِﻗُﻮﻥَ
বাংলা: বিশ্বাসী তো তারাই,
যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি
বিশ্বাস স্থাপন করার পর সন্দেহ
পোষণ করে না এবং নিজেদের সম্পদ
ও জীবন দ্বারা আল্লাহর পথে
সংগ্রাম করে। তারাই সত্যনিষ্ঠ।
(সূরা ৪৯ হুজুরাত:১৫)
আল্লাহ আমাদের হক বুঝার
তাওফীক দিন ও কুরআন-হাদীসের
অপব্যখ্যা থেকে দুরে রাখুন! আমীন!!
৩. পীর ধরার ৩ নং অকাট্য দলীল:
ﻭَﺍﺗَّﺒِﻊْ ﺳَﺒِﻴﻞَ ﻣَﻦْ ﺃَﻧَﺎﺏَ ﺇِﻟَﻲَّ
বাংলা অর্থঃ ‘যে আমার অভিমুখী
হয়, তার পথ অনুসরণ করবে’ (সূরা আল
লুকমান এর ১৫ নং আয়াতের অংশ)
এর অর্থ এক পীরের বইতে-
অর্থঃ’আমার দিকে যে ব্যক্তি রুজু
হয়েছে অর্থাত্ আমাকে যে
পেয়েছে,জেনেছে এবং আমাকে
চেনার কায়দা জানে তাকে
পুঙ্খানুপুঙ্খ রুপে অনুসরণ করে মেনে,
সে যেমন চলে তেমন চল,যেমন করে
তেমন কর,যেমন বলে তেমন বল,সোজা
কথায় তার হাতে একটা মরা মানুষ
হও । যে ভাবে নাড়ে তেমন নড়
নিজের বুদ্ধিকে বিক্রয় করে
দাও’(সূরা আল লোকমান এর ১৫ নং
আয়াতের অংশ)দ্রষ্টব্য:”পীর ধরার
অকাট্য দলীল”লেখক: আযহারুল
ইসলাম(মানিকগন্জ-এর পীর)]
এখন আমরা দেখব পূর্ববতী এবং
সত্যযুগের তাফসীরে এই সম্পর্কে কী
বলা হয়েছে- প্রথমত পুরো আয়াতের
অর্থ-
তাফসীর: ‘যে আমার অভিমুখী হয়,
তার পথ অনুসরণ করো’ এর অর্থ হলো-
তার পথ গ্রহণ করো যে শিরক থেকে
তাওবা করে এবং ইসলামে ফিরে
আসে, এবং মুহাম্মাদ (সা)-এর অনুসরন
করো (তাবারী)
“যে আমার অভিমুখী হয়”-এর মানে
হলো- মুমিনগণ (ইবনে কাসীর)
যারা আনুগত্যে আল্লাহর নিকটবর্তী
তথা নবী সা. ও সাহাবীদের পথ
অনুসরণ (বাগাবী,কুরতবী)
আল্লাহ আমাদের হেদায়াতের
সঠিক বুঝ দান করুন ও সীরাতে
মুস্তাকিমের উপর রাখুন। তারপর
শুয়াইব আ. এর ভাষায় বলতে পারি-
৪. পীর ধরার ৪ নং অকাট্য দলীল:
আল্লাহ বলেন-
ﺍﻫْﺪِﻧَﺎ ﺍﻟﺼِّﺮَﺍﻁَ ﺍﻟْﻤُﺴْﺘَﻘِﻴﻢَ – ﺻِﺮَﺍﻁَ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ
ﺃَﻧْﻌَﻤْﺖَ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻢْ
বাংলা: আমাদেরকে সরল পথ
দেখাও; তাদের পথ — যাদেরকে তুমি
নিয়ামত দান করেছ। (সূরা ১
ফাতিহা:৬-৭)
এখানে নেয়ামতপ্রাপ্ত বলতে নাকি
পীর-মাশায়েখ বুঝানো হয়েছে।
আসুন দেখি তাফসীর কী বলে!
তাফসীর: ইবনে কাসীর (রহ.) বলেন,
তারা ঐ সকল যাদের আলোচনা
এসেছে সূরা নিসাতে-
পুরস্কারপ্রাপ্ত এই লোকদের পথ হল
আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্যের
পথ, অন্য কোন পথ নয়।
ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা
এসেছে, যারা আল্লাহর আনুগত্য ও
ইবাদতে তার অনুগ্রহপ্রাপ্ত-
ফেরেশতা, নবীগণ, সিদ্দীক, শহীদগণ
ও সালেহীন বা সৎকর্মপরায়ণ
বান্দাহর মধ্য থেকে। কারো মতে,
এর উদ্দেশ্য হলো, নবীগণ, কারো
মতে, মুমীন-মুসলমান। কারো মতে,
তারা হলেন নবী সা. ও তার সাহাবী
অথবা রাসুলুল্লাহর সাহাবী ও তার
আহলে বাইত। (তাবারী, কুরতবী,
বাগাভী, ইবনে কাসীর)
এখানে পীর,শায়খ, বুজুর্গদের বলা
হয় নি বরং বলা হচ্ছে,
নেয়ামতপ্রাপ্ত বান্দাহদের পথ তথা
সীরাতে মুস্তাকীম তথা ইসলামের
পথ তথা সুন্নাহর পথ।
আল্লাহ আমাদের সরল সঠিক
সীরাতে মুস্তাকিমের উপর চলার
তাওফিক দান করুন। আমীন!!
৫. পীর ধরার ৫নং অকাট্য দলীল:
ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍ ﺃَﻃِﻴﻌُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﺃَﻃِﻴﻌُﻮﺍ
ﺍﻟﺮَّﺳُﻮﻝَ ﻭَﺃُﻭﻟِﻲ ﺍﻟْﺄَﻣْﺮِ ﻣِﻨْﻜُﻢْ
হে মুমিনগণ! তোমরা অনুস্মরণ কর,
আল্লাহ্ পাক এর, তাঁর রাসুল পাক
(সাঃ) এর এবং তোমাদের মধ্যে
যারা উলিল আমর রয়েছে তাদের।
(৪:৫৯)
(উলিল আমর এর মানে হল ন্যায়
বিচারক/ধর্মীয় নেতা/ওলি-
আউলিয়া/পীর-মুর্শিদ ইত্যাদি শব্দ
ধরা যেতে পারে)
আসুন দেখি প্রখ্যাত
তাফসীরকারকগণ কী বলেন:
এরপর তিনি (‘উবাদাহ) বললেন,
আমাদের থেকে যে ওয়াদা তিনি
গ্রহণ করেছিলেন তাতে ছিল যে,
আমরা আমাদের সুখে-দুঃখে,
বেদনায় ও আনন্দে এবং আমাদের
উপর অন্যকে অগ্রাধিকার দিলেও
পূর্ণরূপে শোনা ও মানার উপর
বাই‘আত করলাম। আরও (বাই‘আত
করলাম) যে আমরা ক্ষমতা
সংক্রান্ত বিষয়ে ক্ষমতাসীনদের
সঙ্গে ঝাগড়া করব না। কিন্তু যদি
স্পষ্ট কুফ্রী দেখ, তোমাদের কাছে
আল্লাহর তরফ থেকে যে বিষয়ে
সুস্পষ্ট প্রমাণ বিদ্যমান, তাহলে
আলাদা কথা। (বুখারী:৬৬৪৭,
মুসলিম:৩৪৩৩)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) এর সুত্রে নাবী
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যে
ব্যক্তি আমার আনুগত্য করলো, সে
আল্লাহর আনুগত্য করলো আর যে
আমার অবাধ্যতা করলো সে
আল্লাহর অবাধ্যতা করলো। যে
ব্যক্তি আমীরের (শাসকের) আনুগত্য
করে সে আমারই আনুগত্য করলো আর
যে ব্যক্তি আমীরের অবাধ্যতা
করলো সে আমারই অবাধ্যতা
করলো। (মুসলিম:৪৫৯৫)
ইবনে আব্বাস (রা.)এর মতে, উলিল
আমর বলতে, ﺃﻫﻞ ﺍﻟﻔﻘﻪ ﻭﺍﻟﺪﻳﻦ আহলুল
ফিকহি অ দ্বীন (এর মানে হলো
আলেমগণ) । মুজাহিদ, আতা, হাসান
বসরী, আবুল আলিয়া প্রমুখের তাই
মত। ইবনে কাসীর বলেন- শব্দটি
সাধারণভাবে আমীর ও আলেমগণ
উভয়ই অন্তর্ভুক্ত। (দ্র.তাফসীরে
ইবনে কাসীর)
আল্লাহ ও তার রাসূলের আনুগত্যের
মানে হলো- কিতাব ও সুন্নাহর
অনুসরণ আর আদেশদাতার আনুগত্য
হবে আল্লাহর সন্তুষ্টিতে কেননা
আল্লাহর অবাধ্যতায় কোনো আনুগত্য
নেই।
বিস্তারিত দ্রষ্টব্য: তাবসীরে
তাবারী, কুরতবী, বাগাভী
পূর্ণ আয়াতের অনুবাদ: হে
বিশ্বাসিগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও
পরকালে বিশ্বাস কর, তাহলে
তোমরা আল্লাহর অনুগত হও, রসূল ও
তোমাদের নেতৃবর্গ (ও উলামা)দের
অনুগত হও। আর যদি কোন বিষয়ে
তোমাদের মধ্যে মতভেদ ঘটে,
তাহলে সে বিষয়কে আল্লাহ ও
রসূলের দিকে ফিরিয়ে দাও। এটিই
হল উত্তম এবং পরিণামে প্রকৃষ্টতর।
(সূরা ৪ নিসা:৫৯)
এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, আমীর
ও শাসকের আনুগত্য করা জরুরী
হলেও তা একেবারে শর্তহীনভাবে
নয়, বরং তা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের
আনুগত্যের শর্তসাপেক্ষ।
এখানে কোথায় পীর বা মুরশিদ বা
কথিত ধর্মীয় নেতা বুঝানো হয়েছে?
তাছাড়া এখানে নেতা বা
আলেমদের আনুগত্য লাগামহীন করে
দেয়া হয় নি বরং তা হবে আল্লাহ ও
তার রাসূলের আদেশের অনুকুলে।
আল্লাহ আমাদের সঠিক ও সত্য
বুঝার তাওফিক দিন। আমীন!!
৬. পীর ধরার ৬ নং দলীল:
ﻳَﻮْﻡَ ﻧَﺪْﻋُﻮ ﻛُﻞَّ ﺃُﻧَﺎﺱٍ ﺑِﺈِﻣَﺎﻣِﻬِﻢْ
স্মরণ কর! সেই দিনকে যেদিন আমি
প্রত্যেক সম্প্রদায়কে তাঁদের (ইমাম)
ধর্মীয় নেতা সহ আহ্বান করব।
[সুরা ১৭ বনী-ইসরাঈল: ৭১]
তাফসীর: পূর্ণ আয়াতের
অনুবাদ:স্মরণ কর,) যখন আমি প্রত্যেক
সম্প্রদায়কে তাদের নেতা সহ
আহবান করব। যাদেরকে ডান হাতে
তাদের আমলনামা দেওয়া হবে,
তারা তাদের আমলনামা পাঠ করবে
এবং তাদের প্রতি খেজুরের আঁটির
ফাটলে সুতো বরাবর (সামান্য
পরিমাণ)ও যুলুম করা হবে না। [১৭:৭১]
এখানে ইমাম বলতে কি বুঝানো
হয়েছে? এ ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে।
কেউ বলেছেন, এ থেকে পয়গম্বর
বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ, প্রত্যেক
উম্মতকে তাদের নবীর মাধ্যমে
ডাকা হবে। কেউ বলেন, এ থেকে
আসমানী কিতাব বুঝানো হয়েছে যা
নবীদের সাথে অবতীর্ণ হয়েছে।
অর্থাৎ, হে তাওরাতধারী! হে
ইঞ্জীলধারী! হে কুরআনধারী!
ইত্যাদি বলে ডাকা হবে। কেউ বলেন,
এখানে ‘ইমাম’ অর্থ, আমলনামা।
অর্থাৎ, প্রত্যেক ব্যক্তিকে যখন
ডাকা হবে, তখন তার আমলনামা তার
সাথে থাকবে এবং সেই অনুযায়ী
তার ফায়সালা হবে। (তাফসীরে
তাবারী, ইবনে কাসীর)
শেষের মতকে ইমাম ইবনে কাসীর
এবং ইমাম শাওকানী প্রাধান্য
দিয়েছেন।
৭. পীর ধরার ৭ নং দলীল:
ﺇِﻥَّ ﺭَﺣْﻤَﺖَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻗَﺮِﻳﺐٌ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻤُﺤْﺴِﻨِﻴﻦَ
নিশ্চয়ই আল্লাহ্ পাকের রহমত
(মুহসিনিন) আউলিয়া কিরামগনের
নিকটবর্তী । [সুরা ৭ আরাফ: ৫৬]।
তাফসীর: আয়াতের অনুবাদ:
পৃথিবীতে শান্তি স্থাপনের পর ওতে
বিপর্যয় ঘটায়ো না এবং তাঁকে ভয়
ও আশার সঙ্গে আহবান কর। নিশ্চয়
আল্লাহর করুণা সৎকর্মপরায়ণদের
নিকটবর্তী। (৭:৫৬)
আল্লাম ইবনে কাসীর বলেন: নিশ্চয়ই
আল্লাহর রহমত সৎকর্মশীলদের
বেষ্টন করে আছে, তারা হলো- যারা
তার আদেশের অনুসরণ করে ও মন্দকে
ত্যাগ করে। যেমন আল্লাহ বলেন-
আর আমার দয়া তা তো প্রত্যেক
বস্তুতে পরিব্যাপ্ত। সুতরাং আমি তা
(দয়া) তাদের জন্য নির্ধারিত করব
যারা মুত্তাকী হয়, যাকাত দেয় ও
আমার নিদর্শনসমূহে বিশ্বাস করে।
যারা নিরক্ষর রসূল ও নবীর অনুসরণ
করে…… (৭:১৫৬-১৫৭)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি
বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মৃত্যুর তিন
দিন পূর্বে তাকে আমি এ কথা বলতে
শুনেছি যে, তোমাদের প্রত্যেকেই
যেন আল্লাহর প্রতি নেক ধারণা
পোষণরত ( ﻳُﺤْﺴِﻦُ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ) অবস্থায়
মৃত্যুবরণ করে। (মুসলিম:৬৯৬৫)
দেখুন: তাফসীরে ইবনে কাসীর,
কুরতবী
পীর ধরার ৮নং দলীল:
সাবধান! নিশ্চয় আল্লাহর অলিগণের
কোন ভয় নেই এবং তারা কোন বিষয়
এ চিন্তিতও নহেন। [সুরা ১০ ইউনুস:
৬২]।
আসুন দেখি আয়াতটির অর্থও
তাফসীর_
ﺃَﻟَﺎ ﺇِﻥَّ ﺃَﻭْﻟِﻴَﺎﺀَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻟَﺎ ﺧَﻮْﻑٌ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻢْ ﻭَﻟَﺎ ﻫُﻢْ
ﻳَﺤْﺰَﻧُﻮﻥَ
মনে রেখো যে, আল্লাহর বন্ধুদের না
কোন আশংকা আছে আর না তারা
বিষণ্ণ´ হবে।
তাফসীর: আওলিয়া’ শব্দটি ওলীর
বহুবচন। যার আভিধানিক অর্থ হল,
নিকটবর্তী। এর পরিপ্রেক্ষিতে
আওলিয়াউল্লাহর অর্থ হবে, ঐ সকল
নেক ও খাঁটি মু’মিন ব্যক্তিগণ, যাঁরা
আল্লাহর আনুগত্য করে এবং তাঁর
অবাধ্যতা থেকে দূরে থেকে
আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে সক্ষম
হয়েছেন।
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) সূত্রে
বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয়ই
আল্লাহর বান্দাদের মাঝে এমন কিছু
লোক আছে যারা নবী নন এবং
শহীদও নয়। কিয়ামাতের দিন মহান
আল্লাহর দরবারে তাদের মর্যাদার
কারণে নবীগণ ও শহীদগণ তাদের
প্রতি ঈর্ষান্বিত হবেন। সাহাবীগণ
বললেন, হে আল্লাহর আমাদের
অবহিত করুন, তারা কারা? তিনি
বলেন, তারা ঐ সব লোক যারা
আল্লাহর মহানুভবতায় পরস্পরকে
ভালোবাসে, অথচ তারা পরস্পর
আত্মীয়ও নয় এবং পরস্পরকে সম্পদও
দেয়নি। আল্লাহর শপথ! তাদের
মুখমন্ডল যেমন নূর এবং তারা নূরের
আসনে উপবেশন করবে। তারা ভীত
হবে না, যখন মানুষ ভীত থাকবে।
তারা দুশ্চিন্তায় পড়বে না, যখন
মানুষ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকবে। তিনি
এ আয়াত তিলাওয়াত করলেনঃ
‘‘জেনে রাখো! আল্লাহর বন্ধুদের
কোনো ভয় নেই এবং তারা
দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হবে না।’’(সূরা ইউনুসঃ
৬২) আবু দাউদ:৩৫২৭
আল্লাহর ওলীদের পরিচয় সম্পর্কে
আল্লাহ পরের আয়াতে বলেন-
ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍ ﻭَﻛَﺎﻧُﻮﺍ ﻳَﺘَّﻘُﻮﻥَ
তারা হচ্ছে সেই লোক, যারা
বিশ্বাস করেছে এবং সাবধানতা
অবলম্বন করে থাকে।
অর্থ্যাৎ দুটি গুণে গুণান্বিত। ১.ঈমান
২. তাকওয়া
দ্রষ্টব্য: তাফসীরে তাবারী, কুরতবী,
ইবনে কাসীর
পীর ধরার ৯ নং দলীল:
তাদের সম্মুখে ও পশ্চাতে যা আছে,
তা তিনি (আল্লাহ) জানেন। তারা
(নবীজি রাসুলে পাক সাল্লাল্লাহু
আলাইহে ওয়া সাল্লাম এবং
আল্লাহর প্রিয় অলীগণ) শুধু তাদের
জন্যে সুপারিশ করে, যাদের প্রতি
আল্লাহ সন্তুষ্ট এবং যারা আল্লাহর
ভয়ে ভীত”। [সুরা ২১ আম্বিয়া: ২৮]
মূল আয়াত ও অনুবাদ: ﻳَﻌْﻠَﻢُ ﻣَﺎ ﺑَﻴْﻦَ
ﺃَﻳْﺪِﻳﻬِﻢْ ﻭَﻣَﺎ ﺧَﻠْﻔَﻬُﻢْ ﻭَﻟَﺎ ﻳَﺸْﻔَﻌُﻮﻥَ ﺇِﻟَّﺎ ﻟِﻤَﻦِ
ﺍﺭْﺗَﻀَﻰٰ ﻭَﻫُﻢْ ﻣِﻦْ ﺧَﺸْﻴَﺘِﻪِ ﻣُﺸْﻔِﻘُﻮﻥَ
তাদের সম্মুখে ও পশ্চাতে যা কিছু
আছে তা তিনি অবগত। তারা
সুপারিশ করে কেবল তাদের জন্য
যাদের প্রতি তিনি সন্তুষ্ট এবং
তারা তাঁর ভয়ে ভীত-সন্ত্রস্ত।
যদিও নেককার তথা সৎকর্মপরায়ণ
লোকদের পরকালে সুপারিশ
প্রমাণিত (একমাত্র আল্লাহ যাদের
অনুমতি দিবেন, সুতরাং দুনিয়াতে
কেউ জানে না কে আল্লাহর ওলী
আর কে সুপারিশ করতে পারবে) তবুও
এই আয়াতে তাদের কথা বলা হয় নি,
এখানে ফিরিশতাদের কথা বলা
হচ্ছে।
ফিরিশতাগণও সুপারিশ করবেন।
সহীহ হাদীসেও এর সমর্থন পাওয়া
যায়। কিন্তু ঐ সুপারিশ ঐ সকল
লোকেদের জন্য হবে যাদেরকে
আল্লাহ পছন্দ করবেন। আর এ কথা
পরিষ্কার যে, আল্লাহ তাআলা তাঁর
অবাধ্য বান্দাদের জন্য নয়; বরং
গোনাহগার বাধ্য বান্দাদের জন্য,
অর্থাৎ ঈমানদার ও
তাওহীদপন্থীদের জন্যই সুপারিশ
পছন্দ করবেন। দ্রষ্টব্য: তাবারী,
ইবনে কাসীর
পীর ধরার ১০ নং দলীল:
★ আল্লাহ পাক বলেন, “তোমরা সব
আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও”। (সূরা
ইমরান-৭৯)
পুরো আয়াত:
ﻣَﺎ ﻛَﺎﻥَ ﻟِﺒَﺸَﺮٍ ﺃَﻥْ ﻳُﺆْﺗِﻴَﻪُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟْﻜِﺘَﺎﺏَ ﻭَﺍﻟْﺤُﻜْﻢَ
ﻭَﺍﻟﻨُّﺒُﻮَّﺓَ ﺛُﻢَّ ﻳَﻘُﻮﻝَ ﻟِﻠﻨَّﺎﺱِ ﻛُﻮﻧُﻮﺍ ﻋِﺒَﺎﺩًﺍ ﻟِﻲ ﻣِﻦْ
ﺩُﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻟَٰﻜِﻦْ ﻛُﻮﻧُﻮﺍ ﺭَﺑَّﺎﻧِﻴِّﻴﻦَ ﺑِﻤَﺎ ﻛُﻨْﺘُﻢْ
ﺗُﻌَﻠِّﻤُﻮﻥَ ﺍﻟْﻜِﺘَﺎﺏَ ﻭَﺑِﻤَﺎ ﻛُﻨْﺘُﻢْ ﺗَﺪْﺭُﺳُﻮﻥَ
(হে ঐশীগ্রন্থধারিগণ!) কোন
মানুষের পক্ষে এটা হতে পারে না
যে, আল্লাহ তাকে কিতাব, প্রজ্ঞা
ও নবুঅত দান করেন, তারপর সে
লোকদেরকে বলে, ‘তোমরা
আল্লাহকে ছেড়ে আমার দাস হয়ে
যাও।’ বরং সে বলে, ‘তোমরা
রাব্বানী (আল্লাহ-ভক্ত) হও’;যেহেতু
তোমরা কিতাব শিক্ষা দাও এবং
যেহেতু তোমরা অধ্যয়ন কর।
তাফসীর: এখানে খ্রিষ্টানদের
ব্যাপারে বলা হচ্ছে। তারা ঈসা
(আঃ)-কে প্রভু বানিয়ে রেখেছে।
অথচ তিনি হলেন একজন মানুষ। তাঁকে
কিতাব, হিকমত এবং নবুঅত দানে
ধন্য করা হয়েছিল। আর এ দাবী কেউ
করতে পারে না যে, আল্লাহকে বাদ
দিয়ে আমার পূজারী ও দাস হয়ে
যাও, বরং তিনি তো এ কথাই বলেন
যে, তোমরা আল্লাহ ওয়ালা হয়ে
যাও। ‘রব্বানী’ রব্ব শব্দের সাথে
সম্বন্ধ।
রব্বানী অর্থ হলো: জ্ঞানী বা
বিদ্বান বা ফকীহ বা সৎকর্মশীল বা
ইবাদতগুজারী ও মুত্তাকী….. দ্রষ্টব্য:
তাফসীরে কুরতবী, ইবনে কাসীর।


দুলাভাই কর্তৃক ধর্ষিতা কিশোরীর চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা

উখিয়ায় জাতিসংঘ মহাসচিব ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট


পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
পঞ্চগড়ে এইচএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ায় ছাত্রীর আত্মহত্যা
ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি স্ত্রীর মামলায় গ্রেপ্তার
শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা ‘সেই ওসি’কে স্ট্যান্ড রিলিজ!
আপত্তিকর অবস্থায় গায়িকাসহ গ্রেপ্তার গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুদ রানা
ঘরে মেডিকেল ছাত্রীসহ মায়ের গলাকাটা লাশ, বারান্দায় ঝুলছে বাবা
যশোরে ৭০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষনের পর শ্বাসরোধে হত্যা
স্বামীকে তালাক দিয়ে এসে দেখেন পরকীয়া প্রেমিক উধাও!
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল
আকাশে দুই বিমানের মুখোমুখি সংঘর্ষ, সবাই নিহত
৫৫ কলেজে পাস করেনি কেউ
গোপালগঞ্জে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত
ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ থেকে এবারও শতভাগ পাস
গাইবান্ধায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত
সোনাপুর যুব সংঘ এর উদ্যোগে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
পঞ্চগড়ে বিজিবির ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে জুডো প্রতিযোগিতা
শিক্ষার কি হাল হকিকত !
কক্সবাজারে র‌্যাব-বিজিবির ‘বন্দুকযুদ্ধ’, নিহত ২
নবীনগরে তথ্যমন্ত্রীর সভা প্রতিহতে অনড় আওয়ামী লীগ
আত্মহত্যা করলেন তামিল অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা
এইচএসসির ফল প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর