ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ জুন ২০১৮, ৭ আষাঢ় ১৪২৫
Bijoynews24.com
প্রথম পাতা » Slider » তিন মামলায় খালেদার জামিন প্রশ্নে আদেশ আজ
সোমবার ● ২৮ মে ২০১৮
Email this News Print Friendly Version

তিন মামলায় খালেদার জামিন প্রশ্নে আদেশ আজ

---Bijoynews : বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কুমিল্লায় হত্যা ও নাশকতার মামলা এবং নড়াইলে
মানহানির মামলায় জামিন শুনানি শেষ হয়েছে। বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে গতকাল এ শুনানি হয়। বিএনপি চেয়ারপারসনের জামিন প্রশ্নে আজ আদেশ দেবেন বলে জানান সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাসে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে করা দুটি মামলা এবং নড়াইলে মানহানির অভিযোগে করা একটি মামলায় জামিন পেতে ২০শে মে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। গতকাল সকালে শুনানি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের আর্জির প্রেক্ষিতে আদালত দুপুর ২টায় শুনানির সময় নির্ধারণ করেন। খালেদা জিয়ার পক্ষে প্রথমে আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন ও পরে মাহবুব উদ্দিন খোকন শুনানি করেন।

 

রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল শুনানি করেন। গতকাল আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে আরো উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী মওদুদ আহমদ, এ জে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন, মাহবুব মাসুদ আহমেদ তালুকদার, সানাউল্লাহ মিয়া, আমিনুল ইসলাম, কায়সার কামাল, বদরুদ্দোজা বাদল প্রমুখ।
শুনানি শেষে খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, এই মামলার (কুমিল্লায় হত্যা মামলা) ৭৭ জন আসামিদের মধ্যে ৪২ জন জামিন পেয়েছেন। আমরা জজ কোর্টে জামিনের আবেদন করেছিলাম। আদালত আমাদের দীর্ঘ সময় দিয়েছিলেন। এরপরই আমরা হাইকোর্টে এসেছি। তিনি বলেন, কুমিল্লায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে তাতে সেখানে বিশেষ ক্ষমতা আইন অ্যাফেক্ট করে না।

তিনি বলেন, নড়াইলে দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় মানহানির যে মামলা দায়ের করা হয়েছিল সে বিষয়ে আমরা বলেছি এটি জামিনযোগ্য অপরাধ। খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, খালেদা জিয়া বয়স্ক, অসুস্থ একজন মহিলা। আমাদের ফৌজদারি আইনের বিধানে বলা আছে কোনো নারী যদি অপরাধ করেন এবং তিনি যদি অসুস্থ হন তাহলে যাবজ্জীবন সাজা পাওয়ার মতো অপরাধ করলেও জামিন পেতে পারেন। খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, খালেদা জিয়ার মামলায় আমরা সকল সিনিয়র আইনজীবীরা সম্মিলিতভাবে কাজ করছি। আমাদের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির কথা যা বলা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া। খালেদা জিয়ার অন্য আইনজীবী মওদুদ আহমদ বলেন, সরকারের একটি মহল বলছে যে, আমরা আইনজীবীরা ঐক্যবদ্ধ নই। এ ধরনের বক্তব্য উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত। দেশের মানুষ যাতে আমাদের ভুল বুঝে, আমাদের নেতাকর্মীরা যাতে আমাদের প্রতি সন্দেহ প্রকাশ করে এ কারণেই এ ধরনের কথা বলা হচ্ছে। মওদুদ আহমদ বলেন, আমরা নিজেদের মধ্যে আলাপ- আলোচনা করেই এসব মামলা পরিচালনা করছি। খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আদালতে বলেছি, নিম্ন আদালতগুলো প্রোপারলি জুরিসডিকশন এক্সারসাইজ করছে না। সে জন্যই আমরা হাইকোর্টে এসেছি। আমরা শুনানি সম্পন্ন করেছি। আদালত আগামীকাল (আজ) জামিনের ব্যাপারে আদেশ দেবেন। আশা করি খালেদা জিয়া জামিন পাবেন।

শুনানি শেষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, এই মামলায় (কুমিল্লায় হত্যা মামলা) আমাদের বক্তব্য ছিল, তিনি (খালেদা জিয়া) নিম্ন আদালতে দরখাস্ত না করে সরাসরি হাইকোর্টে আসতে পারেন না। যদি হাইকোর্টে জামিন দেয়া হয় তাহলে অন্যান্য হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ লোক সেশনস কোর্টে না গিয়ে সরাসরি হাইকোর্টে জামিনের প্রার্থনা করবে এবং হাইকোর্টকে এই ব্যাপার নিয়েই ব্যস্ত থাকতে হবে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মানহানির মামলায় নিম্ন আদালত আদেশ দিয়েছিলেন যে, ২৫শে মে প্রতিবেদন আসার পর মামলাটি শুনবেন। কিন্তু তারা (খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা) ওই তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা না করে ২০ তারিখেই (২০শে মে) হাইকোর্টে চলে আসলেন। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এই মামলায় বিচারিক আদালত ৭ই জুন তারিখ ধার্য করেছেন। সেখানে উনি কোন রিজেকশন অর্ডার ছাড়াই হাইকোর্টে চলে এসেছেন। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, তাদের (খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা) একই বক্তব্য যে, ওনাকে (খালেদা জিয়া) এখনই জামিন দিয়ে দিতে হবে। আদালতে আমি বলেছি, জামিন পাওয়ার কতগুলো পদ্ধতি, কতগুলো পন্থা আছে।

একটি আদালতে যদি দরখাস্ত বিচারাধীন থাকে, সেটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উচ্চ আদালতে এসে প্রতিকার পেতে পারেন না। সচরাচর আমাদের দেশে নিয়ম হলো যে কোর্টে মামলা আছে সেই কোর্ট বা তার উপরস্থ কোর্টে এগুলো এডজাস্ট করে তারপর হাইকোর্টে আসতে হবে। তিনি বলেন, এই মামলাগুলো আগামীকাল (আজ) আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত। গত ৮ই ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ে খালেদা জিয়াকে ৫ বছর এবং অন্য আসামিদের ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। রায়ের পর খালেদা জিয়াকে রাখা হয়েছে পুরান ঢাকার পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে। গত ১২ই মার্চ হাইকোর্ট খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেন। গত ১৭ই মে আপিল বিভাগ এক রায়ে খালেদা জিয়ার জামিন বহাল রাখেন। পাশাপাশি সাজার রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার করা আপিল শুনানি আগামী ৩১শে জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন সর্বোচ্চ আদালত। তবে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় জামিন বহাল থাকলেও অন্য মামলায় খালেদা জিয়াকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোয় তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না বলে জানান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।


‘বন্দুকযুদ্ধে’ পৌর কাউন্সিলরসহ নিহত ১১

এ্যানির বিশেষ


পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
শ্বাসরুদ্ধকর অপেক্ষা
নতুন সেনা প্রধান লে.জে. অাজিজ অাহমেদের বর্নিল জীবন
যে যুবতী ফুটবল মাঠে পোশাকের তোয়াক্কা করেন না
ফুলবাড়ী রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারীদের হাতে : দেখার কেউ নেই
আনুষ্কার সঙ্গে সম্পর্ক, মুখ খুললেন প্রভাস
৪ মিনিটে মিশরের জালে আরো ২ গোল রাশিয়ার
প্রচারণায় কেন্দ্রীয় নেতারা উত্তেজনা বাড়ছে
অপরিবর্তিত বন্যা পরিস্থিতি : কুশিয়ারা নদীর বাঁধে নতুন করে ভাঙ্গন : শহর রক্ষা বাঁধ সংস্কারে কাজ শুরু
গাইবান্ধায় মাদক বিরোধী অভিযানে : গ্রেফতার ৭
খালেদা জিয়ার মুক্তি ও চিকিৎসার দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ বৃহস্পতিবার
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষাৎ
পর্যটকের ভীড়ে মুখর পাহাড় ঘেরা বান্দরবান!
জাপানের ঐতিহাসিক জয়
২১ জুলাই প্রধানমন্ত্রীকে গনসংবর্ধনা দেওয়া হবে
কুতুবদিয়া থানার সাবেক ওসি আলতাফ জেলহাজতে
ড. মোশারফের গাড়িবহরে বাসের ধাক্কা, ছাত্রদল নেতা নিহত
উখিয়ায় ক্যাম্পে রোহিঙ্গা নেতাকে গলাকেটে হত্যা
আনুশকা রেগে গেলেন যে কারণে
বিমানে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেল সৌদি আরব দল
রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক নিহত