নাইজেরিয়ায় বন্যায় ১৩৭ জনের মৃত্যু
বিজয় নিউজ ২৪ ডটকম : নাইজেরিয়ায় চলতি বছরের জুলাই থেকে শুরু হওয়া বন্যায় এ পর্যন্ত ১৩৭ জন নিহত ও ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
স্থানীয় রেডক্রস রোববার এই পরিসংখ্যান জানিয়েছে।
বছরের মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নাইজেরিয়ায় বর্ষাকাল। এই সময়ে দেশটি মৌসুমী বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যাকবলিত হয়ে পড়ে। কখনও কখনও তা প্রাণঘাতী আকার ধারণ করে।
বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলো এবং ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর অবস্থা করুণ হয়ে পড়ে। দেশটির পয়োঃনিষ্কাসন ব্যবস্থাও অত্যন্ত দুর্বল।
স্থানীয় রেডক্রসের মুখপাত্র ওমর মাইরিগা জানিয়েছেন, প্রায় ১৫টি স্থানীয় সরকার অঞ্চল বন্যাকবলিত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে দেশটির পূর্বমধ্যাঞ্চলীয় আদামাওয়া, তারাবা এবং বেনুয়ি প্রদেশগুলোর অবস্থা সবচেয়ে খারাপ।
মাইরিগা বলেন, “আমাদের আশঙ্কা মৃতের সংখ্যা আরো বাড়বে।” বন্যায় ইতোমধ্যে ৩৬ হাজার ৩শ’ ৩১ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তবে দেশটিতে কৃষি ও শিল্পখাতে এখনো পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় রেডক্রস রোববার এই পরিসংখ্যান জানিয়েছে।
বছরের মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নাইজেরিয়ায় বর্ষাকাল। এই সময়ে দেশটি মৌসুমী বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যাকবলিত হয়ে পড়ে। কখনও কখনও তা প্রাণঘাতী আকার ধারণ করে।
বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলো এবং ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর অবস্থা করুণ হয়ে পড়ে। দেশটির পয়োঃনিষ্কাসন ব্যবস্থাও অত্যন্ত দুর্বল।
স্থানীয় রেডক্রসের মুখপাত্র ওমর মাইরিগা জানিয়েছেন, প্রায় ১৫টি স্থানীয় সরকার অঞ্চল বন্যাকবলিত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে দেশটির পূর্বমধ্যাঞ্চলীয় আদামাওয়া, তারাবা এবং বেনুয়ি প্রদেশগুলোর অবস্থা সবচেয়ে খারাপ।
মাইরিগা বলেন, “আমাদের আশঙ্কা মৃতের সংখ্যা আরো বাড়বে।” বন্যায় ইতোমধ্যে ৩৬ হাজার ৩শ’ ৩১ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তবে দেশটিতে কৃষি ও শিল্পখাতে এখনো পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় রেডক্রস রোববার এই পরিসংখ্যান জানিয়েছে।
বছরের মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নাইজেরিয়ায় বর্ষাকাল। এই সময়ে দেশটি মৌসুমী বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যাকবলিত হয়ে পড়ে। কখনও কখনও তা প্রাণঘাতী আকার ধারণ করে।
বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলো এবং ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর অবস্থা করুণ হয়ে পড়ে। দেশটির পয়োঃনিষ্কাসন ব্যবস্থাও অত্যন্ত দুর্বল।
স্থানীয় রেডক্রসের মুখপাত্র ওমর মাইরিগা জানিয়েছেন, প্রায় ১৫টি স্থানীয় সরকার অঞ্চল বন্যাকবলিত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে দেশটির পূর্বমধ্যাঞ্চলীয় আদামাওয়া, তারাবা এবং বেনুয়ি প্রদেশগুলোর অবস্থা সবচেয়ে খারাপ।
মাইরিগা বলেন, “আমাদের আশঙ্কা মৃতের সংখ্যা আরো বাড়বে।” বন্যায় ইতোমধ্যে ৩৬ হাজার ৩শ’ ৩১ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তবে দেশটিতে কৃষি ও শিল্পখাতে এখনো পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।









হেফাজতের উদ্দেশ্য ছিল সরকার উৎখাত: তথ্যমন্ত্রী