নতুন এক প্রজাতির মানুষের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা
বিজয় নিউজ ২৪ ডটকম : নতুন এক প্রজাতির মানুষের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। কেনিয়ায় উদ্ধার করা একটি ফসিল নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা এমন দাবি করেছেন। তাদের বিশ্বাস নতুন এ প্রজাতির মানুষের বসবাস ছিল এখন থেকে ২০ লাখ বছর আগে। নতুন এই প্রজাতিটির বৈজ্ঞানিক নাম হোমো রুডোলফেনসিস। এর আগে আফ্রিকায় দু’ধরনের মানব প্রজাতির বসবাস ছিল বলে স্বীকার করা হয়। নতুন এই প্রজাতিটি আবিষ্কারের ফলে সেই সংখ্যা এখন দাঁড়ালো ৩। অনলাইন বিবিসি এ খবর দিয়েছে। এই আবিষ্কারের বিষয়ে নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে নেচার জার্নালে। এতে বলা হয়েছে, নৃবিজ্ঞানীরা ১৭ লাখ ৮০ হাজার থেকে ১৯ লাখ ৫০ হাজার বছরের তিনটি ফসিল উদ্ধার করেন কেনিয়া থেকে। এর মধ্যে একটি হলো মুখাবয়ব, অন্য দু’টি হলো দাঁতসহ চোয়াল। ১৮ লাখ বছর আগে ‘হোমো ইরেকটাস’ পৃথিবীতে মানুষের সবচেয়ে পুরোনো প্রজাতি ছিল বলে ধারণা করতেন গবেষকরা। এই প্রজাতির মানুষের মাথার আকার ছিল ছোট। কিন্তু ৫০ বছর আগেই গবেষকরা আবিষ্কার করেন, এর চেয়েও পুরানো প্রজাতি ‘হোমো হ্যাবিলিস’ ওই সময় একই সঙ্গে পৃথিবীতে বাস করতো। গবেষক দলের নেতৃত্বে ছিলেন নাইরোবির টারকানা বেসিন ইনস্টিটিউটের গবেষক মিয়াভ লিকে। তিনি জানান, মানুষের প্রজাতির মধ্যে ভিন্নতা ছিল। অন্যান্য প্রাণীর ক্ষেত্রে যেভাবে বিবর্তন-প্রক্রিয়া ঘটেছে, মানুষের ক্ষেত্রেও একই রকম বিবর্তন ঘটেছে। পাথরের ব্যবহার শেখা অবধি এ প্রজাতির মানুষের মধ্যে পার্থক্য তৈরি হয়নি। লন্ডনের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের গবেষক ক্রিস স্ট্রিংগার বলেন, একেক অঞ্চলে একেক রকমের মানুষের বিবর্তন ঘটেছিল। প্রকৃতি বিভিন্ন ধরনের মানুষ তৈরি করেছিল। এর মধ্যে কেবল বর্তমান প্রজাতিটিই বিবর্তন-প্রক্রিয়ায় টিকে থাকতে সমর্থ হয়েছে। গবেষণাপত্রের সহ-লেখক গবেষক ফ্রেড স্পুর এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, বিবর্তনের ক্ষেত্রে আগে মনে করা হতো সরাসরি বানর থেকে মানুষের বিবর্তন ঘটেছে। সনাতন প্রাইমেট থেকে সরল রেখায় বিবর্তন ঘটেছে বলে মনে করা হলেও বিষয়টি সরল রেখায় ঘটেনি।









হেফাজতের উদ্দেশ্য ছিল সরকার উৎখাত: তথ্যমন্ত্রী