Home  » চট্টগ্রাম বিভাগ

কক্সবাজার সৈকতে কন্ঠ শিল্পী আবিদসহ ৩ জনের প্রাণহানির ১ম মৃত্যু দিবস কাল ঘটনার স্মৃতি রক্ষার্থে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ও বিজ্ঞাপনী সংস্থা ‘মাত্রা’র সহযোগিতায় এ্যাম্বুলেন্স প্রদান

Posted-শনিবার, ২৮ জুলাই, ২০১২ Time-৩:০৩ am ◊ বাংলা- ১৩ শ্রাবণ ১৪১৯ সাল । বিভাগ-চট্টগ্রাম বিভাগ  

সোহরাব হোসেন চৌধুরীইবজয় নিউজ ২৪ ডটকম, কক্সবাজার: গত বছর ২৯ জুলাই ২০১১ সালে বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে সাঁতার কাটতে নেমে প্রাণ হারায় হালের তরুণ প্রতিভাবান কন্ঠ শিল্পী আবিদসহ তিনজন। আগামীকাল ২৯ জুলাই পার হতে যাচ্ছে তাদের ১ম মৃত্যু বাষির্কী। আবিদ সাথে এ ঘটনায় তার থাকা আশিক ও মুত্তাকিনও প্রাণ হারায়। হৃদয় বিদারক এ ঘটনার একটি বছর পুর্ণ হতে চলেছে আগামী কাল।

জানা গেছে, তাদেরই স্মরণে বিভিন্ন কর্মসুচী হাতে নেয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে স্মৃতি রক্ষার্থে কক্সবাজার সী-বীচ কমিটিকে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের সৌজন্যে বিজ্ঞাপনী সংস্থা ‘মাত্রা’ একটি এ্যাম্বুলেন্স প্রদান করেছে। এ্যাম্বুলেন্সটি আনুষ্ঠানিক ভাবে গত ২৭ জুলাই বিকেলে প্রদান করা হয়। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে এ্যাম্বুলেন্সটি কক্সবাজার সী-বীচ কমিটিকে তুলে দেয়ার সময় সাথে ছিলেন-কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জয়নুল বারী, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর কে.এস তাবরেজ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব নাছির উদ্দিন ইউছুপ বাচ্চু ও বিজ্ঞাপনী সংস্থা ‘মাত্রা’র ম্যানেজিং পার্টনার সালাহ উদ্দিন আরিফসহ অন্যান্যারা।

উলে­খ্য যে, কন্ঠ শিল্পী আবিদ, আশিক ও মুত্তাকিন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পানিতে ডুবে বিগত ২০১১ সালের ২৯ জুলাই মৃত্যুবরণ করেছিলেন। তাঁরা বিজ্ঞাপনী সংস্থা ‘মাত্রা’য় কাজ করতেন তাঁরা। দিনটি স্মরণে আগামী কাল ২৯ জুলাই মাত্রা নিয়েছে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বলে জানা গেছে ।

————————-

কক্সবাজার সৈকতে রাখাইন উৎসব, বিরুপ প্রতিক্রিয়া পর্যটকদের

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে রাখাইনদের শুক্রবারের উৎসবের নামে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদের কান্ডে পর্যটক ও সুশীল সমাজের মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা যায়।

সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ডায়েবেটিক পয়েন্টে রাখাইন সম্প্রদায় উৎসবের নামে গত ২৭ জুলাই জুমার আগ থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত একটানা আনন্দ-উত্তেজনা চলেছে। রাখাইন নর-নারীরা সৈকতে নেচে-গেয়ে উল­াসে মেতেছে।

অভিযোগ রয়েছে, অধিকাংশ রাখাইন উৎসবের নামে মদ-গাজা মক্ত ছিল। এরা এসব পান করে সৈকতকে একেবেরে বিষিয়ে তুলেছে। এদের ফলে পর্যটকরা অস্বস্তিতে পড়ে। পর্যটকরা নানা মন্তব্য করতে দেখা যায়।

সুশীল সমাজের মতে, পবিত্র রমজানে রাখাইনদের উৎসব বা আনন্দ-উত্তেজনার দরকার কিসে? এ উৎসব রমজানের ধর্মীয় পবিত্রতায় ব্যাঘাত ঘটছে। পাশাপাশি পর্যটন শিল্পে বিরুপ প্রভাব এবং পর্যটকদের মাঝে খারাপ মন্তব্য দেখা দিচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দু’জন নারী গোসল করারত অবস্থায় ঢেউয়ের ধাক্কায় পানিতে হাবডুবু খেয়েছে। তবে ভাগ্য সহায় হয়েছে যে, তাঁরা কয়েক জনের তৎপরতায় বেঁচে গেছে।

এ সময় কয়েকজন দশনার্থী জানান, বেঁচে যাওয়া দু’নারী সম্ভবত কিছুটা মদ পান করা অবস্থায় ছিল।

দশনার্থী আমান ও রফিক রানা বলেন, রমজানে রাখাইনদের এ জাতীয় উৎসব বেমানান। দেখে মনে হয়েছে, এটি রাখাইন উৎসব নয়, মদ-গাঁজার উৎসব।

Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Share on Facebook!Seed Newsvine!Reddit!