ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইলেন সৌদি প্রিন্সেস সারা
Posted-সোমবার, ৯ জুলাই, ২০১২ Time-৮:২৩ pm ◊ বাংলা- ২৫ আষাঢ় ১৪১৯ সাল ।
বিভাগ-রাজনৈতিক
বিজয় নিউজ ২৪ ডটকম : ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে সৌদি রাজকুমারি সারা বিনতে তালাল বিন আবদুল আজিজ বলেছেন, দেশটির সরকার তার ওপর দৈহিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছে। এ ছাড়া তার সম্পদও আটক করেছে সৌদি সরকারব্রিটিশ পত্রিকা দ্য সানডে টেলিগ্রাফকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এসব অভিযোগ করেছেন।
রাজকুমারি জানিয়েছেন, ব্রিটেনে সৌদি দূতাবাসের বাইরে তার ওপর হামলা চালিয়েছিল একজন কর্মকর্তা। ওই কর্মকর্তা তার বাহু ধরে তাকে আটকাতে চেয়েছিল বলে জানান সারা।
সৌদি রাজকুমারি বলেছেন, ‘আমি এখন খুবই ভীত-সন্ত্রস্ত । তারা জানে আমি ফিরে যেতে পারব না। এখানে হুমকি রয়েছে। এটা সৌদি সরকারের মুখে চপেটাঘাত।’
সারার আইনজীবী শুক্রবার ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে তার রাজনৈতিক আশ্রয় লাভের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।
সৌদি কর্তৃপক্ষ সারাকে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। অবশ্য সারার অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হবে কিনা বা ব্রিটিশ সরকার তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়ার বিষয় বিবেচনা করছে কিনা তা স্পষ্ট নয়।
সৌদি রাজকুমারি সারা ২০০৭ সাল থেকে ব্রিটেনে বসবাস করছেন। তিনি দাবি করেছেন, রাজনৈতিক কারণে তার বিরুদ্ধে হামলা ও হুমকিসহ নানা অপরাধ চালানো হয়েছে। তাকে ও তার সন্তানদের অপহরণের চেষ্টা চালানো হয়েছে বলেও সারা অভিযোগ করেছেন।
নিজেকে সংস্কারবাদী দাবি করে সৌদি রাজকুমারি সারা বলেছেন, আধুনিক ইসলামী পন্থাই তার পথ। সারার চাচা যুবরাজ নায়েফ বিন আবদুল আজিজ তার প্রধান সমর্থক ছিলেন। নায়েফ কয়েক সপ্তাহ আগে মারা গেছেন। তিনি সারার বাবা ৮০ বছর বয়স্ক যুবরাজ তালাল বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের বিরোধী ছিলেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বয়োবৃদ্ধ রাজপুত্রদের অসুস্থতার কারণে সৌদি আরবে ক্ষমতার শূন্যতা জোরদার হচ্ছে এবং দেশটিতে শিগগিরই রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দেখা দিতে পারে। নানা ধরনের বৈষম্য দূর করাসহ রাজনৈতিক সংস্কার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝে মধ্যেই প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে এসব প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ অমানবিক পন্থায় দমন করছে সৌদি সরকার।









হেফাজতের উদ্দেশ্য ছিল সরকার উৎখাত: তথ্যমন্ত্রী