মানিকগঞ্জে গৃহবধুর আত্মহত্যা : নিহতের পরিবারের অভিযোগ হত্যা
রাশেদুল ইসলাম খান,বিজয় নিউজ ২৪ ডটকম,মানিকগঞ্জ :মানিকগঞ্জে এক পাষন্ড স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে আত্ম হত্যা করেছে অমত্মঃস্বত্বা গৃহবধু ইয়াছমিন আক্তার(১৭)। তবে নিহতের পরিবারে অভিযোগ ইয়াছমিনকে তার স্বামী পরিকল্পিভাবে হত্যা করে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখে। গতকাল নিহতের লাশ ময়না তদন্ত শেষে দাফন করা হয়। নিহতের স্বামী সিদ্দিকুর রহমানকে পুলিশ আটক করেলেও একটি প্রভাবশালী মহল বিষয়টি মিমাংসার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। ঘটনা ঘটেছে রোববার মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার উপাজানি গ্রামে।
নিহতের বাবা আফজাল হোসেনের অভিযোগ, তার মেয়ে বছর খানের আগে পাশ্ববর্তী হরিরামপুর উপজেলার বিজয় নগর গ্রামের মোকসেদের ছেলের সিদ্দিকের সাথে ভালবাসার টানে ঘর ছেড়ে কোর্ট ম্যারিজ করে বিয়ে করে। বিয়ের বিষয়টি তারা সহজ ভাবে মেনে না নিলেও পরে মেনে নেয়া হয়। তার পরও একটি স্বর্নের চেইন,কান ফুল ও ছেলেকে নগদ ২৫ হাজার টাকা দেয়া হয়।
তিনি জানান,তাদের মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে না। তাকে সিদ্দিক হত্যা করে রশি দিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছিল। অনেক অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করেও ইয়াছমিন স্বামীর সংসার করে আসছিল। মেয়ে ছিল ৬ মাসের অন্তঃস্বত্বা। শশুর বাড়ি থেকে গত শনিবার বিকেলে ইয়াছমিন বাবার বাড়ি আসে। পর দিন রোববার দুপুরে সিদ্দিক আমার মেয়ের উপর নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখে। এর পর দ্রুত সিদ্দিক আমাদের বাড়ি থেকে চলে যায়।
তিনি আরো অভিযোগ করেন, একটি প্রভাব শালী মহলের কিছু মানুষ বিষয়টি মিমাংসা করার জন্য চাপ প্রয়োগ করে চলেছে।
এব্যাপারে ঘিওর থানার ওসি আশরাফুল ইসলাম জানান, আত্মহত্যার প্ররোচনায় নিহতের স্বামী সিদ্দিককে আটক করা হয়েছে। নিহত ইয়াছমিনের লাশ ময়না তদন্তের জন্য রোববার রাতেই মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে বিষয়টি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সেটা ময়না তদন্তের রিপোর্টের পর বোঝা যাবে বলে তিনি জানান।








