Home  » ক্রাইম রিপোর্ট

সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদ : মূল হোতা এসি শহীদুল সাসপেন্ড

Posted-মঙ্গলবার, ২৯ মে, ২০১২ Time-১:১৯ am ◊ বাংলা- ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯ সাল । বিভাগ-ক্রাইম রিপোর্ট  
বিজয় নিউজ ২৪ ডটকম: আগারগাঁওয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা। গতকাল সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে সাংবাদিক নেতারা এই দাবি জানান। এদিকে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), জাতীয় প্রেস ক্লাব ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) যৌথভাবে আজ ঢাকার বাইরে ও কাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। গতকাল সাংবাদিকদের মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের কারণে তোপখানা রোডে যান চলাচল বন্ধ থাকে। বিক্ষোভ মিছিলে সাংবাদিকরা পুলিশের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। সেখানে এসব সংগঠনের সব সদস্যদের উপস্থিত থাকার অুনরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়াও বিকল্পধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান বি. চৌধুরী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের নেতাসহ বিভিন্নম্ন সংগঠন নিন্দা জানিয়েছে।
ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শফিউদ্দিন আহম্মেদ বিটুর সভাপতিত্বে এ বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, বিএফইউজে অপরাংশের সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল ভূঁইয়া, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী রওনাক হোসেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নূর উদ্দিন আহমেদ নূরু, বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মীর আহম্মেদ মীরু, সাংবাদিক আজমল হক হেলাল, ক্র্যাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান, ক্র্যাব বহুমখী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক নেসারুল হক খোকন, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব জার্নালিস্টের (সাউথ এশিয়া) প্রোগ্রাম ম্যানেজার সুকুমার মুরালিধরন, বাংলাদেশ টেলিভিশন ক্যামেরাম্যান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হারুনুর রশীদ, ফটো সাংবাদিক রহিম পিউ প্রমুখ। সমাবেশ পরিচালনা করেন বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি একেএম মহসীন।
বিক্ষোভ সমাবেশে বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী বলেন, এসি শহিদুল ইসলামকে প্রত্যাহার ও আমাদের আন্দোলন চালাকালেই তাকে পুনঃরায় পোস্টিং দিয়ে আমাদের সঙ্গে প্রহসন করা হয়েছে। এটা কোনো শাস্তি নয়, আইওয়াশ মাত্র। এ ব্যাপারে থানায় মামলাও নেয়া হয়নি। তিনি ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে সাংবাদিক নির্যাতনে দায়ীদের বিরুুদ্ধে মামলা নিয়ে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃৃৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসি শহিদুলের বিরুদ্ধে মামলা করে তাকে চাকরিচ্যুত করা না হলে দেশব্যাপী কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হবে। তাহলে পুলিশ-সাংবাদিক ভাই ভাই আর থাকবে না। তিনি বলেন, আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। এ অবস্থায় আর কিছু করার থাকে না। এ সময় ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিক নির্যাতনে সফল’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিএফইউজের একাংশের মহাসচিব আবদুল জলিল ভূঁইয়া বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ নির্মম নির্যাতন চালিয়ে ৩ ফটোসাংবাদিককে আহত করেছে। এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন কিছুদিন আগে বলেছিলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ কিংবা শাসকদলের লোক নির্যাতন চালাবে না। তিনি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ নির্দেশের পর সাংবাদিক নির্যাতন ভয়াবহভাবে বেড়ে গেছে। এমন দিন নেই, সাংবাদিকরা নির্যাতিত হচ্ছে না। শনিবার প্রথম আলোর তিনজন ফটোসাংবাদিককে পুলিশ যেভাবে মারধর করেছে, তা ছিল বর্বরোচিত। আমি এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাই এবং দায়ী পুলিশের শাস্তি দাবি করছি। একই সঙ্গে এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ঢাকা মহিলা পলিটেকনিকের ছাত্রীদের বিক্ষোভের ছবি তুলতে গিয়ে পুলিশের নির্মমতার শিকার হন ৩ জন ফটোসাংবাদিক। তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের গ্রেফতার করে দৃৃৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা বলেন, সাগর-রুনিকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। সাংবাদিকদের সঙ্গে অশালীন আচরণের কারণে ধানমন্ডি থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবি করা হলেও তা মানা হয়নি। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল প্রথম আলোর তিন ফটোসাংবাদিকের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। সরকারের পেটোয়া বাহিনীর কাছে সাংবাদিক নির্যাতন স্টাইলে পরিণত হয়েছে। ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ ইসলাম খান তপু বলেন, পুলিশ প্রতিনিয়ত সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দায়ী পুলিশ সদস্যদের গ্রেফতার করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ঢাকা মহিলা পলিটেকনিকের ছাত্রীদের বিক্ষোভের ছবি তুলতে গিয়ে পুলিশের নির্মম নির্যাতনের শিকার হন প্রথম আলোর তিনজন ফটোসাংবাদিক। তারা হলেন খালেদ সরকার, জাহিদুল করিম ও সাজিদ হোসেন। তারা বর্তমানে ট্রমা সেন্টারে চিকিত্সাধীন আছেন। এ ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) পুলিশের নয় সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। আর ঘটনার মূল হোতা এসি শহিদুলকে প্রত্যাহার করে আবার রাঙামাটিতে পোস্টিং দেয়া হয়েছে। সাংবাদিকের ওপর পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন এ কর্মসূচির আয়োজন করলেও সর্বস্তরের সাংবাদিকেরা এতে অংশ নেন।
তিন সাংবাদিক পেটানোর মূল হোতা এসি শহীদুল সাসপেন্ড : রাজধানীর আগারগাঁওয়ে দৈনিক প্রথম আলোর তিন ফটোসাংবাদিককে পেটানোর মূল হোতা তেজগাঁও জোনের পুলিশের সেই এসি শহীদুল ইসলামকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এর আগে বেলা ১১টার দিকে তাকে রাঙামাটির পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বদলি করা হয়। খবর পেয়ে সাংবাদিকরা পুলিশ সদর দফতরে গিয়ে এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এরপর রাতে আবার তার এই বদলির আদেশ স্থগিত করে তাকে সাময়িক বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করে চট্টগ্রামের পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়। গতরাতে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হাসান মাহমুদ খন্দকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত শনিবার দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁও ঢাকা মহিলা পলিটেকনিকের ছাত্রীদের বিক্ষোভের ছবি তুলতে গিয়ে পুলিশের নির্মমতার শিকার হন প্রথম আলোর তিনজন আলোকচিত্র সাংবাদিক। তারা হলেন খালেদ সরকার, জাহিদুল করিম ও সাজিদ হোসেন। বর্তমানে তারা ট্রমা সেন্টারে চিকিত্সাধীন। এ ঘটনায় ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) পুলিশের নয় সদস্যকে সাসপেন্ড করা হয়। আর ঘটনার মূল হোতা এসি শহীদুলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়। এরপর ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই তাকে নতুন কর্মস্থল রাঙামাটিতে বদলি করা হয়েছিল।
দুপুরে পুলিশের আইজি হাসান মাহমুদ খন্দকার জানিয়েছিলেন, বেলা ১১টার দিকে শহীদুল ইসলামের বদলি কার্যকর হয়। একই দিন অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক (প্রশাসন) এ কে এম শহীদুল হক জানান, শহীদুল ইসলামকে বেতবুনিয়ায় বদলির আদেশ পরিবর্তন করে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বেনজির আহমেদ গতকাল বিকালে আহত তিন সাংবাদিককে দেখতে ট্রমা সেন্টারে যান। এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকরা অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরে সহযোগিতা করাসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তখন পুলিশ কমিশনার বলেন, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ইতোমধ্যেই নেয়া হয়েছে। আর কী কী ব্যবস্থা নেয়া যায়, সে বিষয়ে তদন্ত কমিটি কাজ করছে। ঘটনাটিকে দুঃখজনক মন্তব্য করেন ডিএমপি কমিশনার।
সাংবাদিকদের আল্টিমেটাম : রাজধানীতে তিন ফটোসাংবাদিকের ওপর পুলিশের অনঅভিপ্রেত ও বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে আজ রাজধানীর বাইরে সাংবাদিক সমাজ বিক্ষোভ করবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দায়ী পুলিশদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়া হলে ঢাকায় আগামীকাল সকাল ১১টায় বিক্ষোভ পালন করবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), জাতীয় প্রেস ক্লাব ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। গতকাল বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএফইউজে মহাসচিব আবদুল জলিল ভূঁইয়া, ডিইউজে সভাপতি আবদুস শহীদ, ডিইউজে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি শফিউদ্দিন আহমেদ বিটু ও সাধারণ সম্পাদক নূর উদ্দিন আহমেদ নূরু উপস্থিত ছিলেন। আজ ও আগামীকালের কর্মসূচিতে এসব সংগঠনের সব সদস্যের উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন সংগঠন নিন্দা জানিয়েছে।
বিকল্পধারা বাংলাদেশ : বিকল্পধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সাবেক প্রেসিডেন্ট বি. চৌধুরী দেশে অব্যাহত সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, কোনো সভ্য দেশে সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা নজিরবিহীন। এ বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ১১০ জন গণমাধ্যমকর্মীর ওপর পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনা জেনে ধারণা হয় যে, সরকার সাংবাদিকদের প্রতিপক্ষ মনে করে এসব ঘটাচ্ছে। তিনি বলেন, আমি সুষ্পষ্টভাবে বলতে চাই, সাংবাদিক নিপীড়ন করে তাদের সত্য প্রকাশ থেকে বিরত রাখার যেনো অপচেষ্টা দেশবাসী মেনে না নেন এবং কখনও মেনে নেবেনও না।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট : সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট এক বিবৃতিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, পুলিশের অযাচিত ও অসহিষ্ণু আচরণ মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় সেজন্য নেতারা দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন সংগঠনের সভাপতি নাসিরউদ্দিন ইউসুফ, সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফ, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সভাপতি লিয়াকত আলী লাকি, সাধারণ সম্পাদক ঝুনা চৌধুরী, আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সভাপতি আসাদুজ্জামান নূর এমপি, সাধারণ সম্পাদক আহকাম উল্লাহ, গণসঙ্গীত সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ফকির আলমগীর, সহ-সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, পথনাটক পরিষদের সভাপতি মান্নান হীরা, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, কাহীত কবিতা পরিষদের সভাপতি কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজী ও সাধারণ সম্পাদক কবি আসলাম সানী।
ক্র্যাব : বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন ক্র্যাব সভাপতি আখতারুজ্জামান লাভলু ও সাধারণ সম্পাদক ইশারফ হোসেন ইশা এক বিবৃতিতে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন।
গণসংহতি আন্দোলন : গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, কেন্দ্রীয় সমন্বয় পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম, আবুল হাসান রুবেল, ফিরোজ আহমেদ শ্যামলী শীলসহ নেতারা এক বিবৃতিতে পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপর পুলিশের বর্বর হামলার তীব্র নিন্দা জানান।
বাংলাদেশ মফস্বল মানবাধিকার সাংবাদিক ফোরাম : সংগঠনের চেয়ারম্যান সাখাওয়াত্ ইবনে মঈন চৌধুরী ও ভাইস চেয়ারম্যান মো. বাহাউদ্দিন এক বিবৃতিতে সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
তথ্য অধিকার আন্দোলন : তথ্য অধিকার আন্দোলন এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংগঠনের সদস্যসচিব জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের ঘটনা দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত।
Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Share on Facebook!Seed Newsvine!Reddit!