Home  » আইন-আদালত

অর্থমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা

Posted-বৃহস্পতিবার, ২৪ মে, ২০১২ Time-৩:৩০ pm ◊ বাংলা- ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯ সাল । বিভাগ-আইন-আদালত  

বিজয় নিউজ ২৪ ডটকম: মদন মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ইংরেজি বিভাগের এক শিক্ষকের নিয়োগ অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করার দাবিতে কলেজের গভর্নিংবডির সভাপতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন কলেজের একই বিভাগের খণ্ডকালীন প্রভাষক জামাল আব্দুন নাসের। সিলেটের সহকারী সিনিয়র জজ আসিফ ইকবালের আদালতে বুধবারে ওই মামলাটি দায়ের করা হয়।


মামলার অন্য বিবাদিরা হচ্ছেন মদন মোহন কলেজের অধ্যক্ষ কৃপাসিন্ধু পাল, ইংরেজি বিভাগের সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক শাহনাজ মর্জিনা, কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, সিলেট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, আওয়ামী লীগ নেতা বিজিত চৌধুরী, শ্রী সুখেন্দু বিকাশ দাস, এমাদ উলাহ শহীদুল ইসলাম শাহীন অ্যাডভোকেট, শ্রী রমেন্দ্র কুমার দাস, ডা. হিমাংশু লাল রায়, অ্যাডভোকেট কিশোর কুমার কর, মো. ফরিদ আহমদ, ড. আবুল ফতেহ, সাদেকা খানম, জয়ন্ত দাস, মো. রফিকুল ইসলাম এবং মদন মোহন কলেজের পক্ষে অধ্যক্ষ কৃপা সিন্ধু পাল।

মদন মোহন কলেজের খণ্ডকালীন প্রভাষক মো. জামাল আব্দুন নাসের তার আর্জিতে উল্লেখ করেন, তিনি ৮ বছর যাবত মদন মোহন কলেজে ইংরেজি বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু কলেজে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ লাভের সব যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাকে বাদ দিয়ে তার চেয়ে অনেক অনেক কম যোগ্যতাসম্পন্ন শাহনাজ মর্জিনাকে কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বাদি জামাল অভিযোগ করেন, কলেজের অধ্যক্ষ কৃপাসিন্ধু পাল ‘যোগাযোগী ও ছলচাতুরীর মাধ্যমে’ অপেক্ষাকৃত কম যোগ্যতাসম্পন্ন এবং বিএ পাস করার দীর্ঘ ৮ বছর পর এমএ পাশ করা অনিয়মিত শিক্ষার্থী শাহনাজ মর্জিনাকে মদন মোহন কলেজের মতো একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন। জামাল নাসের উল্লেখ করেন, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত নীতিমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে__প্রভাষক পদে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্সসহ দ্বিতীয় শ্রেণীর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪ বছর মেয়াদি দ্বিতীয় শ্রেণীর অনার্স ডিগ্রি অথবা দ্বিতীয় শ্রেণীর স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে। কিন্তু মদন মোহন কলেজে নিয়োগদানের ক্ষেত্রে এসব নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ৮ বছর ধরে তিনি মদনমোহন কলেজে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে ইংরেজি পাঠদান করছেন। ২০১০ সালের ৭ ডিসেম্বর পত্রিকায় ওই কলেজে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এর ১১ মাস পর এ বছরের ১৮ এপ্রিল ইংরেজির প্রভাষক হিসেবে শাহনাজ মর্জিনাকে কর্তৃপক্ষ নিয়োগ দেন। তিনি বলেন, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ৩ মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করার প্রজ্ঞাপন থাকলেও এক্ষেত্রে তা লংঘন করা হয়।

Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Share on Facebook!Seed Newsvine!Reddit!