সাকিবের হাত ধরে কোয়ালিফাইং রাউন্ডে কলকাতা
বিজয় নিউজ ২৪ ডটকম: দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে কোয়ালিফাইং রাউন্ডে উঠেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। পুনে ওয়ারিয়র্সকে ৩৪ রানে হারিয়ে শীর্ষ চারে খেলার
যোগ্যতা অর্জন করে শাহরুখ খানেক দল। কলকাতাকে জেতালেন সাকিব আল হাসান অলরাউন্ড পারফরমেন্স দিয়ে। বাঁহাতি অলরাউন্ডার ৪২ রানের পাশাপাশি দুটি উইকেটও নিয়েছেন।
কলকাতা নাইট রাইডার্স: ১৩৬/৪ (২০ ওভার)
পুনে ওয়ারিয়র্স: ১০২/৮ (২০ ওভার)
ফল: কলকাতা নাইট রাইডার্স ৩৪ রানে জয়ী
শাহারা স্টেডিয়ামের স্লো উইকেটে ১৩৬ রানের শোভন স্কোর করে কলকাতা। ৪০ রানে গুরুত্বপূর্ণ দুই ব্যাটসম্যান গৌতম গম্ভীর (১০ রান) ও জ্যাক ক্যালিস (১৩ রান) সাজঘরে ফিরলেও ক্ষতিটা পুষিয়ে দেন ব্রান্ডন ম্যাককালাম ও সাকিব ৬৭ রানের জুটি গড়ে। ৪৩ বলে ৪১ রান নিয়ে ওয়েন পার্নেলের বলে ক্যাচ আউট হন ম্যাককালাম। দলীয় ইনিংসে আরও ১০ রান যোগ হতে সাকিবও সাজঘরের পথ ধরেন। তিন চার ও দুই ছয়ে ৩০ বলে ৪২ রান করেন শীর্ষ অলরাউন্ডার। এছাড়া ইউসুফ পাঠানের ১৫ রান মিলে চার উইকেটে নির্ধারিত ২০ ওভারে চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করায় কলকাতা। চার ওভারে ১৮ রান দিয়ে দুই উইকেটে নেন পুনের পার্নেল।
১৩৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কলকাতার স্পিনারদের তোপের মুখে পড়েন পুনের ব্যাটসম্যানরা। নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারাতে থাকে দলটি। চার ওভারে ১৮ রান দিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলী ও আনুসতাপ মজুমদারের উইকেট নেন সাকিব। ইউসুফ দুই ওভারে ১২ রান দিয়ে ফিরিয়েছেন দুই ব্যাটসম্যানকে। নির্ধারিত ২০ ওভারে আট উইকেট হারিয়ে ১০২ রান করতে পারে পুনে। ঘরের মাঠে জেসি রাইডারের ২২ রানই পুনের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ।
অলরাউন্ড পারফরমেন্স দিয়ে ম্যাচ সেরার পুরস্কারও জিতেছেন সাকিব। আইপিএলের এবারের মৌসুমে দ্বিতীয়বারের মতো ম্যাচ সেরা হলেন বাংলাদেশি ক্রিকেটার।
পয়েন্ট তালিকায় দিল্লির পরেই কলকাতা। ১৬ ম্যাচে ২১ পয়েণ্ট তুলেছে তারা। সমান ম্যাচে এক পয়েন্ট বেশি পেয়ে লিগের খেলা শেষ করেছে দিল্লি। তৃতীয় স্থানে থাকা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ১৫ ম্যাচে পেয়েছে ১৮ পয়েন্ট। লিগের শেষ ম্যাচটি রাজস্থান রয়্যালসের কাছে তারা হারলেও সমস্যা নেই। এক ম্যাচ কম খেলেও কোয়ালিফাইং রাউন্ডে উঠে গেছেন শচীন টেন্ডুলকাররা। চতুর্থ দল হিসেবে কোয়ালিফাইং রাউন্ডে খেলবে চেন্নাই সুপার কিংস অথবা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালোর। চেন্নাই লিগের খেলা শেষ করেছে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে। এক ম্যাচ কম খেলে বেঙ্গালোরের সংগ্রহেও ১৭ পয়েন্ট। রোববার ডেকান চার্জার্সের কাছে না হারলে কোয়ালিফাইং রাউন্ডে খেলবে বেঙ্গালোরই।








