আবারও ওয়ান ইলেভেনের আলামত লক্ষ্য করা যাচ্ছে : শিল্পমন্ত্রী
বিজয় নিউজ ২৪ ডটকম: দেশকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির পরিচালিত ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের মধ্যে আবার ওয়ান-ইলেভেনের (১/১১) আলামত লক্ষ করা যাচ্ছে। ইলিয়াস আলীর ঘটনাসহ সাম্প্রতিক অন্যান্য ঘটনা প্রমাণ করে, বিগত ওয়ান-ইলেভেনের ক্রীড়নকরা আবার মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার অপচেষ্টায় লিপ্ত বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া।মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল) আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।মানববন্ধনে বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল) এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড ধীরেন সিংহ, আবু হামেদ সাহাবুদ্দিন, লুৎফর রহমান, অধ্যাপক প্রদ্যুৎ কুমার ফনি, অ্যাডভোকেট বীরেন সাহা, হারুন চৌধুরী, শ্রমিক নেতা এম. দেলোয়ার হোসেন, যুবনেতা ম. মোশাহিদ ও ছাত্রনেতা কনক বড়ুয়া বক্তব্য রাখেন।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি এদেশে গুম ও হত্যার রাজনীতির সূচনা করে। সে সময় দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মাধ্যমে জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় চিহ্নিত অপশক্তি সম্প্রতি ইলিয়াস আলীর ঘটনাসহ অন্যান্য ঘটনা ঘটিয়ে সরকারের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। এ অপশক্তিকে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ না করলে ভবিষ্যতে ইলিয়াস আলীর ঘটনার মত আরও ঘটনা ঘটানো হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি কায়েমি স্বার্থবাদী অপশক্তির ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সব প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
দিলীপ বড়ুয়া বলেন, অতীতে প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা আহসান উলাহ মাস্টার ও বরেণ্য অর্থনীতিবিদ কিবরিয়া হত্যাকাণ্ড ঘটলেও দেশে এ ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়নি। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে, চিহ্নিত অপশক্তি অদৃশ্য তৃতীয় শক্তির ইন্ধনে দেশকে অস্থিতিশীল করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার কূটকৌশল অবলম্বন করছে। এ অপশক্তির লেজুড়বৃত্তি করে প্রধান বিরোধী দল দেশে গণতান্ত্রিক ধারা নস্যাৎ করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।শিল্পমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, বাংলাদেশে আর কখনো ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপরাজনীতি সফল হবে না। তিনি গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসনের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ষড়যন্ত্রের পথ পরিহার করে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাজনৈতিক দাবি আদায়ের পরামর্শ দেন।








