Home  » অন্যান্য

আসামে পুলিশের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ মাওবাদী নিহত : ফের গাড়িতে তুলে বধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ মালদহে

Posted-শুক্রবার, ১১ মে, ২০১২ Time-১:১১ pm ◊ বাংলা- ২৮ বৈশাখ ১৪১৯ সাল । বিভাগ-অন্যান্য  

দীপক রায়, বিজয় নিউজ ২৪ ডটকম,প:ব: ভারত: আসামে পুলিসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে এক মহিলা কমান্ডার সহ ৪ মাওবাদী নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে মাওবাদীদের এক শীর্ষ নেতা রয়েছে বলে পুলিস মনে করছে।  বুধবার তিনসুকিয়া জেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামে মাওবাদী-পুলিস সংঘর্ষ হয়। তিনসুকিয়া জেলার পুলিস সুপার নুমাল মাহাতো জানিয়েছেন, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আসাম-অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত লাগোয়া গ্রাম দেওপাঞ্জ বরগোরায় পুলিস অভিযান চালায়। একটি গোপন ডেরায় ৬ মাওবাদী লুকিয়ে ছিল। বিশাল বাহিনী গোটা বাড়িটিকে ঘিরে ফেললে মাওবাদীরা এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। দু’পক্ষের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ গুলির লড়াই চলে। ২ মাওবাদী পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও ৪ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারায়। নিহতদের নাম সিদ্ধার্থ বোরাগোঁয়াই, রাজীব গগৈ, অরূপ চেটিয়া ও কমলা বোরাগোঁয়াই। তল্লাশি চালিয়ে ৩ টি একে ৪৭ রাইফেল, ১ টি পিস্তল, কয়েকটি গ্রেনেড ও প্রচুর বিস্ফোরক পাওয়া গেছে। তবে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়েছেন অচিন্ত্য দাস নামে এক পুলিস কর্মী। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনসুকিয়া সরকারী জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ফের গাড়িতে তুলে বধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ মালদহে

পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার ইংরেজবাজার থানার রথবাড়ি এলাকার একটি শপিং মলের সামনে থেকে এক গৃহবধূকে গাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। জানা গিয়েছে, অনেক রাতেও গৃহবধু বাড়ি না ফেরায় তাঁর স্বামী স্থানীয় থানায় খবর দেন। পুলিশ গভীর  রাতে শপিং মল থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে নলডুবি এলাকার একটি রাস্তা থেকে মহিলাকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করায়। ডাক্তারি পরীক্ষায় অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
মালদহের নেত্রী তথা রাজ্যের নারী ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সাবিত্রী মিত্র বলেন, ‘ন্যক্কারজনক ঘটনা। জেলা পুলিশ সুপারকে দ্রুত দুষ্কৃতীদের খুঁজে বার করতে বলেছি।’ ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী বলেন, ‘যে এলাকা থেকে ওই গৃহবধূকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তা দুষ্কৃতীদের স্বর্গরাজ্য বলে পরিচিত। পুলিশ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত ধরুক।’
মালদহ জেলা পুলিশ সুপার জয়ন্ত পাল বলেন, ‘গণধর্ষণের মামলা রুজু করে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। মহিলা সুস্থ হলেই আরো বিশদে জেরা করে যত দ্রুত সম্ভব অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হবে।’ তবে সরকার ও পুলিশ যাই বলুন না কেন, এই রাজ্যে গণধর্ষণের ঘটনা মাত্রা ছাড়িয়েছে বলে জাতীয় মহিলা কমিশন জানিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে গত মাস ছয়েকে সারা রাজ্যে ধর্ষণের
ঘটনা একের পর এক বেড়েই চলেছে।

Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Share on Facebook!Seed Newsvine!Reddit!