Home  » রংপুর বিভাগ

উদর পিন্ডি বুদর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা ! পার্বতীপুরে ফেনসিডিল নিয়ে দু’দলের সংঘর্ষের নেপথ্য কাহিনী

Posted-বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০১২ Time-২:১৬ am ◊ বাংলা- ১০ ফাল্গুন ১৪১৮ সাল । বিভাগ-রংপুর বিভাগ  

রেজওয়ানা হক বন্যা,বিজয় নিউজ ২৪ ডট কম. বিশেষ প্রতিনিধি,পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ পার্বতীপুরে ফেনসিডিল নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের মহিলাসহ ৮ জন আহত হয়েছে। আহতরা হলেন- হাবড়া বাজারের সলে(৩০), মকলেছার(৩০), বেলী(৫৫), পলাশবাড়ী ইউনিয়নের ঝাউপাড়ার আলিফ(৪০), বুদা (২৫), মোস্তাকিম (৩৫), মন্ডলপাড়ার রাশেদুল(২৫) ও হাফে চকিদার(৫২) আহত হয়।

মঙ্গলবার দপুরে সরজমিনে জানা গেছে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারী শনিবার বেলা ১টায় উপজেলার হাবড়া বাজার থেকে সোলায়মান (সোলে) ভবানীপুর যাচ্ছিল। এসময় তাকে দেখে পলাশবাড়ী ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সদস্য হাফেজুল ইসলামের (হাফে চেকিদার) পুত্র আসাদুল (৩০) সোলেকে ফেনসিডিল ব্যবসায়ী বলে ফাসানোর চেষ্টায় একটি ব্যাগ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। ব্যাগটির ভেতরে কি আছে তা দেখার সময় হাফে চৌকিদার সোলেকে ফেনসিডিল ব্যবসায়ী বলে আটক করে। এসময় সোলের সাথে চৌকিদার হাফে ও তার ছেলে আসাদুলের তর্কবিতর্ক হয়। ফেনসিডিলগুলো তার হাফের ছেলে ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার কথা বললে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এসময় এসআই মিজান ঘটনাস্থলের অদুরে থেকে ঘটনা প্রত্যক্ষ করছিল বলে সোলে জানায়। সংঘর্ষে বিষয়টি হাবড়া এলাকাবাসীর মাঝে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থল থেকে সোলেকে হাফে চৌকিদারের কাছ থেকে উদ্ধার করে। কিছুক্ষণ পরে হাফে চৌকিদারের পুত্র আসাদুল তার দলবল নিয়ে সোলে তার পরিবারের প্রতি হামালা চালায়। এ সময় সোলে তার মা, ভাইসহ উভয়পক্ষের ৮জন আহত হয়। সে সময় সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে এবং সেখা্ন থেকে ১৬ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

এদিকে, একটি নির্ভরযোগ্য সুত্র দাবি করে বলেছে হাফে চৌকিদার এলাকার নিরিহ মানুষকে ফেন্সিডিল দিয়ে ফাঁসিয়ে এসআই মিজানের নিকট ধরিয়ে দেয়। আর এভাবে নিরিহ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয় এসআই মিজানের সহযোগিতায়। এছাড়াও হাফে চৌকিদার ও তার ছেলে আসাদুল ফেনসিডিল ব্যবসার পাশাপাশি পার্বতীপুর থানার এসআই মিজান সোর্স বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ কতটুকু সত্য তা নিরপেক্ষভাবে খততেয়ে দেখেন বলে এসআই মিজান জানান। তিনি বলেন, সোলের নামে ফেনসিডিলের মামলা আছে কিনা তা থানার রেকডপত্র দেখতে হবে। তবে হাবড়া এলাকার অনেকজনকে ফেনসিডিলসহ আটক করে চালান করেছি।

Digg this!Add to del.icio.us!Stumble this!Add to Techorati!Share on Facebook!Seed Newsvine!Reddit!