অনার্স পরীক্ষার টেবুলেশন শিটে ভুলের কারণে চবি ছাত্র কাশেমের ভবিষ্যৎ অন্ধকার
মো: আলাউদ্দিন, বিজয় নিউজ ২৪ ডটকম, চবি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের এক ছাত্র অনার্স পরীক্ষার ফলাফলে জালিয়াতির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। অভিযোগকারী
ছাত্রের নাম এমএ কাশেম।রোববার বেলা ১২ টায় ক্যাম্পাসের চাকসু ভবনে অবস্থিত সাংবাদিক সমিতির অফিসে তিনি এই অভিযোগ করেন। ২য় শ্রেণীতে পাশ করার কথা থাকলেও ভুলের কারণে তিনি পেয়েছেন ৩য় শ্রেণী। টেবুলেশন শিটে নম্বর কমিয়ে দিয়ে তাকে ৩য় শ্রেণী দেওয়ায় চাকরির প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারছেন না বলে তিনি অভিযোগ করেন। কর্তৃপক্ষ তা আজ পর্যত্ম সংশোধন না করায় ১২ বছর ধরে এর দায়ভার বহন করে চলেছেন এমএ কাশেম।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ১৯৯৯ সালের নম্বর ফর্দের ভুল সংশোধনের জন্য গত ১২ বছর ধরে হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও শিক্ষামন্ত্রণালয়ে আবেদন করলেও আজ পর্যত্ম তা সংশোধন করা হয়নি। এ ভুল সংশোধনের বিষয়ে ২০০২ সালের ২৫ আগস্ট শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক এজেএম নুরুদ্দীন চৌধুরীর কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠির ভিত্তিতে তৎকালীন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. মোফাখখার পরীক্ষকদের নম্বর ফর্দ ও টেবুলেশন শিটে ভুল দেখতে পান বলে জানান কাশেম। কিন্তু ভুল পাওয়া সত্ত্বেও সে সময় তা সংশোধন করেনি কর্তৃপক্ষ।
কাগজপত্র যাচাই করে দেখা গেছে, এমএ কাশেমের (রোল ৯৫/৫৯) হিসাব বিজ্ঞান ২য় পত্রের খাতায় (৪০২ নম্বর কোর্স) ১ম পরীক্ষক ড. হারুনুর রশিদ ২৭ নম্বর এবং ২য় পরীক্ষক আলিমদাদ খান ২৫ নম্বর দেন। মাত্র ২ নম্বরের ব্যাবধান থাকায় নিয়ম অনুসারে এ খাতা ৩য় পরীক্ষক দেখার কথা নয়। কিন্তু খাতা ৩য় পরীক্ষক হিসেবে ১৯৯৯-২০০০ সাল পর্যত্ম শিক্ষা ছুটিতে থাকা ড. মো. আইয়ুব ইসলামের কাছে পাঠানো হয়। ৩য় পরীক্ষক তাতে দেন ১৭ নম্বর। সে হিসেবে ১ম, ২য় ও ৩য় পরীক্ষকদের মধ্যে যে কোনো দু’জনের নম্বরের গড় ১৬ না হলেও টেবুলেশন শিটে দেখানো হয়েছে ১৬। যা পরবর্তীতে মার্কশিটেও দেখানো হয়।
এদিকে, ৩য় পরীক্ষকের দেয়া নম্বর ফর্দের সাথে ১ম পরীক্ষকের নম্বর ফর্দের অমিল পাওয়া গেছে। এছাড়া, নম্বর ফর্দের তারিখ অনুসারে ১ম পরীক্ষকের খাতা দেখার দু’দিনের মধ্যে ৩য় পরীক্ষক খাতা দেখেন। কিন্তু ২য় পরীক্ষক সে সময় ঢাকা থাকায় যা কখনো সম্ভব নয়। তবে এ বিষয়ে তৎকালীন অনার্স পরীÿা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক কেএম গোলাম মহিউদ্দিন বলেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস থেকে আমাদের জানানো হলে আমরা তা সংশোধন করে দেব। এছাড়া বিভাগ থেকে আমাদের করার কিছু নেই।
বর্তমান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. মোজাফ্ফর হোসাইন বলেন, এটি অনেক আগের ঘটনা। এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারছি না।









হেফাজতের উদ্দেশ্য ছিল সরকার উৎখাত: তথ্যমন্ত্রী