শিরোনাম:
●   মৌলভীবাজারে সড়কে দুর্ঘটনায় মোটরবাইক আরোহীর মৃত্যু ●   গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুরহাট ●   বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের মামলা, আটক হয়নি কেউ ●   গাইবান্ধায় ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে বলাৎকার ॥ দোষী ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসির মানববন্ধন ●   কুষ্টিয়ায় গরু ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা ! ●   কুষ্টিয়ায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার ! ●   কেরালায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২৪ ●   ১২’শ কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তি রয়েছে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর : দুদক ●   যে কারণে বিয়ে করেননি অটল বিহারী বাজপেয়ী ●   শিমুল থেকে শিমুর ২০ বছর
ঢাকা, রবিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৮, ৪ ভাদ্র ১৪২৫
Bijoynews24.com
শনিবার ● ২৮ এপ্রিল ২০১৮
প্রথম পাতা » Slider » শবে বরাত কি বিদাদ ?
প্রথম পাতা » Slider » শবে বরাত কি বিদাদ ?
১৯ বার পঠিত
শনিবার ● ২৮ এপ্রিল ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

শবে বরাত কি বিদাদ ?

প্---রশ্নঃ- শবে বরাত কি? #উত্তরঃ- ‘শব’ একটি ফার্সি শব্দ, যার অর্থ রাত বা রজনী৷ আর ‘বারাআত’-কে যদি আরবী শব্দ ধরা হয়, তাহলে এর অর্থ হচ্ছে সম্পর্কচ্ছেদ, পরোক্ষ অর্থে মুক্তি৷ যেমন, পবিত্র কুরআন মাজীদে সুরা বারাআত নামক সুরা রয়েছে যা তাওবা নামেও পরিচিত৷ যেমন, এরশাদ হয়েছে, بَرَاءَةٌ مِّنْ اللّٰهِ وَرَسُسْ لِهِ
‘আল্লাহ ও তার রাসুলের পক্ষ থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা’৷ (সুরা আত্-তাওবা ৯/১)৷ এখানে ‘বারাআত’ শব্দের অর্থ হল- সম্পর্ক ছিন্ন করা৷ ‘বারাআত’ শব্দটি মুক্তি অর্থেও পবিত্র কুরআন মাজীদে এসেছে৷ যেমন,
أَكُفَّارُكُمْ خَيْرٌمِّنْ أُلٰئِكَمْ أَمْ لَكُمْ بَرَاءَةٌ فِى الزُّبُرِ
‘তোমাদের মধ্যেকার কাফিররা কি তাদের চেয়ে শ্রেষ্ট? নাকি তোমাদের মুক্তির সনদ/দলীল রয়েছে কিতাবসমূহে?’ (সুরা কামার ৫৪/৪৩)৷

আর ‘বারাআত’ শব্দকে যদি ফার্সি শব্দ ধরা হয়, তাহলে এর অর্থ হবে সৌভাগ্য৷ অতএব শবে+বরাত শব্দের অর্থ দাঁড়ায় সৌভাগ্যের রাত৷ শবে+বরাত শব্দটাকে যদি আরবিতে তরজুমা করতে চান, তাহলে বলতে হবে ‘লাইলাতুল বারাআত’৷ অর্থাৎ সম্পর্ক ছিন্ন করার রাত বা রজনী৷ এখানে বলে রাখা ভাল যে, এমন অনেক শব্দ আছে যার রুপ বা উচ্চারণ আরবি ও ফার্সি ভাষায় একই রকম, কিন্তু অর্থ ভিন্ন৷ যেমন, ‘গোলাম’ শব্দটি আরবি ও ফার্সি উভয় ভাষায় একই রকম লেখা হয় এবং একইভাবে উচ্চারণ করা হয়৷ কিন্তু আরবিতে ‘গোলাম’ শব্দের অর্থ হল- কিশোর৷ আর ফার্সিতে ‘গোলাম’ শব্দের অর্থ হল- দাস৷ সারকথা হল, ‘বারাআত’ শব্দটিকে আরবি শব্দ ধরা হলে এর অর্থ সম্পর্কচ্ছেদ বা মুক্তি৷ আর ফার্সি শব্দ ধরা হলে এর অর্থ সৌভাগ্য৷

#শবে বরাত-কে না বলতে হবে কেন?

‘শবে বরাত’ সম্পর্কে পবিত্র কুরআন ও হাদীছের যে সমস্ত ব্যাখ্যা বা বর্ণনা পেশ করা হয়ে থাকে, সেগুলো বিদ’আতী পন্থীদের ব্যক্তিগত মনগড়া ব্যাখ্যা বা বর্ণনা মাত্র৷ মূলত ‘লাইলাতুল বারাআত’ কিংবা ‘শবে বরাত’ নামের কোন রাতের নাম কুরআন ও হাদীছের কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়না৷ যে সকল হাদীছে এই রাতের কথা বলা হয়েছে তার ভাষা হল- ‘লাইলাতুননিস্ফ মিং শাবান’ لَيْلَةُ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ অর্থাৎ মধ্য শাবানের রাত্রি৷ ‘লাইলাতুল বারাআত’ কিংবা ‘শবে বরাত’ শব্দ পবিত্র কুরআনেও নেই হাদীছেও নেই৷ এটা মানুষের বানানো একটা শব্দ৷ ভাবতে অবাক লাগে যে, একটি প্রথা ইসলামের নামে শত শত বছর ধরে পালন করা হচ্ছে অথচ এর আলোচনা পবিত্র কুরআনেও নেই হাদীছেও নেই ৷ অথচ আমরা দেখতে পায় যে, সামান্য নফল ইবাদতের ব্যাপারেও হাদীছের কিতাবে এক একটি অধ্যায় বা শিরোনাম রচনা করা হয়েছে৷

#শবে বরাত সর্বপ্রথম কোথায় কীভাবে আবিস্কার হয়?

শায়খ বিন বায রাহমাতুল্লাহ আলাইহি বলেন, এই রাতে (অর্থাৎ মধ্য শাবান বা ১৫ই শাবানের রাতে) মসজিদে গিয়ে একাকী কিংবা জাম’আতবদ্ধভাবে ছালাত (নামায) আদায় করা, যিকির্-আযকারে লিপ্ত হওয়া সম্পর্কে জানা যায় যে, শামের কিছু বিদ্বান এটা প্রথম শুরু করেন৷ তাঁরা এই রাতে সুন্দর পোষাক পরে আতর-সুরমা লাগিয়ে মসজিদে গিয়ে রাত্রি জাগরণ করতে থাকেন৷ পরে বিষয়টি লোকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে৷ মক্কা-মদীনার আলেমগণ এর তীব্র বিরোধিতা করেন৷ কিন্তু শামের বিদ্বানদের দেখাদেখি কিছু লোক এগুলো করতে শুরু করে৷ এইভাবে এটি জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে৷[1]

বুঝা গেল শবে বরাত উপলক্ষে বিশেষ কোন ছালাত-ছিয়াম, যিকির-আযকার, দোআ-দরূদ বা যেকোন ধরণের ইবাদত-বন্দেগী সম্পূর্ণরুপে বিদ’আত বা নব্যসৃষ্ট৷ এর সঙ্গে রাসুলুল্লাহ্ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বা ছাহাবায়ে কেরামের সুন্নাতের কোন সম্পর্ক নেই৷ আর যে ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাতের অনুসরণ করেনা তার সম্পর্কে কী নির্দেশ এসেছে দেখুন! হযরত আবু হুরায়রাহ রাযিয়াল্লাহু আনহুমা হ’তে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ ছাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমার সকল উম্মাতই জান্নাতে প্রবেশ করবে, কেবল ঐ ব্যক্তি ছাড়া যে (জান্নাতে যেতে) অস্বীকার করে। ছাহাবীগণ জিজ্ঞাসা করলেন, জান্নাতে যেতে কে অস্বীকার করে হে আল্লাহর রাসূল? জবাবে রাসূলুল্লাহ্ ছাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, যে আমার (সুন্নাতের) অনুসরণ করল সে জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর যে আমার (সুন্নাতের) অবাধ্যতা করল সে অস্বীকার করল।[2]

কোন একটি নির্দিষ্ট রাত্রি বা দিবসকে শুভ ও অশুভ গণ্য করা ইসলামী নীতির বিরোধী৷ রাত্রি ও দিবসের সৃষ্টা হচ্ছেন আল্লাহ৷ তাই কোন একটি রাত বা দিনকে অধিক মঙ্গলময় হিসাবে গণ্য করতে গেলে সেখানে আল্লাহর নির্দেশ অবশ্যয়ই যরূরী৷ ‘অহী’ ব্যতিত মানুষ এ ব্যাপারে নিজে থেকে কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারেনা৷ যেমন, পবিত্র কুরআন ও হাদীছের মাধ্যমে আমরা ‘লাইলাতুল ক্বদর’ ও মাহে রামাযানের বিশেষ মর্যাদা এবং ঐ সময়ের ইবাদত-বন্দেগীর বিশেষ ফযীলত সম্পর্কে জানতে পেরেছি৷ এক্ষণে যদি শবেবরাত, শবেমে’রাজ, জুম’আতুল বিদা ইত্যাদির বিশেষ কোন ফযীলত এবং বিশেষ ইবাদত সম্পর্কে কিছু থাকত, তাহলে তা রাসূলুল্লাহ্ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অবশ্যয়ই তাঁর ছাহাবীদেরকে জানিয়ে যেতেন৷ তিনি নিজে করতেন এবং তাঁর ছাহাবীগণও তার উপরে আমল করতেন৷ শুধু নিজেরা আমল করতেন না, বরং মুসলিম উম্মাহর নিকটে তা প্রচার করে যেতেন এবং তা কখনোই গোপন রাখতেন না৷ কারণ তাঁরাই হচ্ছেন ইসলামের প্রথম কাতারের বাস্তব রূপকার৷ তাঁরাই দ্বীনকে এই দুনিয়ায় সর্বাধিক ত্যাগের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন৷ আল্লাহ্ তাঁদের উপর রহম করুন–আমীন! কিন্তু তাঁদের মধ্যে এবং পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছে এ সবের কিছুই পাওয়া যায়না৷ বরং এ কথাই পাওয়া যায় যে, জুম’আর দিন ও রাত হল সবচেয়ে সম্মানিত৷ অথচ জুম’আর রাতকে ইবদত-বন্দেগীর জন্য এবং দিনকে ছিয়ামের (রোযার) জন্য খাছ করা নিষিদ্ধ৷[3] অতএব ছহীহ দলীল ব্যতিত কোন একটি রাত বা দিনকে ইবাদতের জন্য নির্দিষ্ট করা কিভাবে জায়েয হতে পারে? বিবেক-বুদ্ধি সম্পন্ন ও সু-চিন্তাশিল ব্যক্তিগণ ভেবে দেখবেন আশা করি৷

উল্লেখ্য যে, বাজারে পুর্ণাঙ্গো নামায শিক্ষা সহ অন্যান্য বাংলা বই সমূহতে শবে বরাত সম্পর্কে বহুত ফায়দা বা ফযীলতের ব্যাপক আলোচনা করা হয়েছে৷ তার মধ্যে অন্যতম ও বহুল প্রচারিত বাংলা বই ‘মোকছুদুল মো’মিনীন’ (১৯৮৫) ২৩৫-২৪২ পৃষ্টা এবং ‘মোকছুদুল মোমিন’ (১৯৮৫) ৪০২-৪০৮ পৃষ্টায় শবে বরাতের ফযীলত বলতে গিয়ে হাদীছের নামে যে ১৬টি বর্ণনা উদ্ধৃত হয়েছে তার সবই বানোয়াট ও ভিক্তিহীন৷

সারকথা হল- শবে বরাত কোন ইসলামী পর্ব নয়৷ ঐ নিয়তে ছালাত-ছিয়াম (নামায-রোযা), দান-ছাদাক্বা কিছুই আল্লাহর দরবারে কবূল হবেনা৷ বরং আল্লাহর রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাতের বিরোধী হওয়ার কারণে এবং ঐ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানাদিতে অর্থ ও সময়ের অপচয়ের কারণে আখেরাতে গ্রেফতার হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে৷ সুতরাং আমাদেরকে সকল প্রকারের বিদ’আত এবং বিদ’আতী সব ইবাদত-বন্দেগী হ’তে বেঁচে থাকতে হবে৷ নিম্নের হাদীছটি লক্ষ্য করুন!

হযরত আলী রাযিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু হতে বর্ণিত। নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমাদের এই দ্বীনে যে ব্যক্তি বিদ’আত উদ্ভাবণ করবে কিংবা কোন বিদ‘আতীকে আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহ তা‘আলা, ফেরেশতা ও সকল মানুষের লা’নত। তার কোন ফরজ কিংবা নফল ‘ইবাদাত কবূল হবে না।[4] ছহীহ মুসলিমে এসেছে, যে ব্যক্তি এমন আমল করবে যে আমলের ব্যপারে আমাদের নির্দেশনা নেই, তা প্রত্যাখ্যাত/বাতীল’ ‏ مَنْ عَمِلَ عَمَلاً لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ‏‏৷[5] নাসাইয়ে এসেছে, দ্বীনের মধ্যে সকল প্রকার নব উদ্ভাবিত বিষয় সমূহ বিদ’আত এবং প্রত্যেক বিদ’আতই গোরাহী/ভ্রষ্টতা এবং প্রত্যেক গোমরাহীর/ভ্রষ্টতার পরিণাম জাহান্নাম’ وَكُلُّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ وَكُلُّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ، وَكُلُّ ضَلَالَةٍ فِي النَّارِ ৷[6] অতএব সাবধান!

আল্লাহ আমাদেরকে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে নিজ নিজ আমল সমূহকে পরিশুদ্ধ করে নেয়ার তাওফিক দান করূন এবং রাসূলুল্লাহ্ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাতের যথাযথভাবে অনুসরণের তাওফিক দান করুন–আমীন!

[1]. সৌদী আরবের গ্রান্ড মুফতী শায়খ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায (১৩৩০-১৪২০/১৯১২-১৯৯৯) ‘আত-তাহযীরু মিনাল বিদা’ (মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় : ১৩৯৬ হিজরী) ১২-১৩ পৃষ্টা, অনুবাদ (হাদীছ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ১৪৩২/২০১১) ২২ পৃষ্টা৷

[2]. ছহীহ বুখারী হা/৭২৮০, মিশকাত হা/১৪৩, ‘কুরআন ও সুন্নাহকে শক্তভাবে ধরে থাকা’ অধ্যায়; ‘রাসূলুল্লাহ্ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাতের অনুসরণ’ অনুচ্ছেদ;৷

[3]. ছহীহ মুসলিম হা/২৫৭৪, ‘ছওম’ অধ্যায়, মিশকাত হা/২০৫২, ‘ছওম’ অধ্যায়; ‘নফল ছিয়াম প্রসঙ্গে’ অনুচ্ছেদ৷

[4]. ছহীহ বুখারী হা/৩১৭৯, ‘জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন’ অধ্যায়, ‘যারা অঙ্গীকার করে তা ভঙ্গ করে তাদের গুনাহ’ অনুচ্ছেদ।

[5]. ছহীহ মুসলিম হা/৪৩৮৫, ‘বিচার সংক্রান্ত’ অধ্যায়; ‘বাতিল সিদ্ধান্ত খণ্ডন এবং বিদ’আতী কার্যকলাপ প্রত্যাখ্যান’ অনুচ্ছেদ, হাদীছের শেষাংশ৷

[6]. নাসাই হা/১৫৭৮, ১৫৮১, ‘উভয় ঈদের ছালাত’ অধ্যায়, ‘খুৎবা কীরূপ?’ অনুচ্ছেদ; ইরওয়া আল-গালীল, আলবানী, হা/৬০৮৷



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
মৌলভীবাজারে সড়কে দুর্ঘটনায় মোটরবাইক আরোহীর মৃত্যু
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুরহাট
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের মামলা, আটক হয়নি কেউ
গাইবান্ধায় ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে বলাৎকার ॥ দোষী ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসির মানববন্ধন
কুষ্টিয়ায় গরু ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা !
কুষ্টিয়ায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার !
কেরালায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২৪
১২’শ কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তি রয়েছে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর : দুদক
যে কারণে বিয়ে করেননি অটল বিহারী বাজপেয়ী
শিমুল থেকে শিমুর ২০ বছর
আড্ডায় মাতলেন জয়া-প্রিয়াঙ্কা
তিন দিনের রিমান্ডে ফারিয়া
ফ্যাশন শোতে হাঁটলেন সোনাগাছির বারবণিতারা
জিয়া পরিবারের দুষ্কর্মের মুখোশ উন্মোচন করা জরুরী: তথ্যমন্ত্রী
ডোমারে গ্রাম পুলিশের গোডাউন থেকে ভিজিএফ চাল আটক,গোডাউন সিলগালা
জাতীয় অনলাইন প্রেসক্লাব মুন্সীগঞ্জ জেলা কমিটির চা চক্র অনুষ্ঠিত
আল্লারদর্গা বাজারে এক রাতে ৪ দোকানে সার্টার ভেঙ্গে চুরি : ১ ঘন্টা সড়ক অবরোধ !
আগামীকাল শপথ নিবেন ইমরান খান
মাদক কারবারিদের তালিকায় পুলিশ ও নেতাদের নাম
গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালসহ উপজেলার হাসপাতাল গুলিতে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি প্রতিনিধিদের দৌরাত্ব বৃদ্ধি : অসহায় রোগিরা