শিরোনাম:
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫
Bijoynews24.com
রবিবার ● ৮ এপ্রিল ২০১৮
প্রথম পাতা » Slider » ব্র্যাক সেন্টার ইনে “টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের অবদান” বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত
প্রথম পাতা » Slider » ব্র্যাক সেন্টার ইনে “টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের অবদান” বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত
৬৬ বার পঠিত
রবিবার ● ৮ এপ্রিল ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ব্র্যাক সেন্টার ইনে “টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের অবদান” বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

---প্রেস রিলিজ : বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন ৭ এপ্রিল  শনিবার বিকেলে  ব্র্যাক সেন্টার ইন-এর কনফারেন্স কক্ষে “টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের অবদান” বিষয়ক সেমিনার আয়োজন করে। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান  এ এফ এম ইয়াহিয়া চৌধুরী, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব  মোঃ নজিবুর রহমান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী  সেলিমা খাতুন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব  মোঃ ইউনুসুর রহমান, অর্থ বিভাগের সচিব  মুহম্মদ মুসলিম চৌধুরী। মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক, প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও বিএনএফ-এর সাধারণ পরিষদের সদস্য ড. নিয়াজ আহমদ খান।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনএফ-এর পরিচালনা পরিষদের সম্মানিত সদস্য ও ফিন্যান্সিয়াল রির্পোটিং কাউন্সিল-এর চেয়ারম্যান  সি, কিউ, কে মুসতাক আহমদ (সিনিয়র সচিব, অবঃ) ও  নজমুল হক, সাধারণ পরিষদের সম্মানিত সদস্য  আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী (সাবেক সচিব, অবঃ), বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব  মোঃ শফিকুল ইসলাম, পিএসসি’র সদস্য  উজ্জল বিকাশ দত্ত, সাবেক সচিব ড. প্রশান্ত কুমার ---রায়, এনজিও বিয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক জনাব কে এম আব্দুস সালাম, প্রফেসর ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী, পরিবীক্ষণ উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোঃ নূরুল ইসলাম, বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কর্মকর্তাবৃন্দ ও ১১টি সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ।

এ যাবৎ ১,১২০টি সহযোগী সংস্থার মধ্যে সর্বমোট ১২২.০৫৫ কোটি টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এ সেমিনারে ৬টি সহযোগী সংস্থার মধ্যে ---১৫.৫০ লক্ষ টাকার অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়। এ অনুদানের অর্থে সহযোগী সংস্থাসমূহ হতদরিদ্রদের কোমর তাঁতে সহায়তা, বিনামূল্যে গাভী ও ছাগল প্রদান, ভ্যান গাড়ি প্রদান, ওয়াটসান ও সেলাই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে এবং কর্মমানে অনন্য অবদানের জন্য ৫টি সহযোগী সংস্থাকে পুরস্কৃত করা হয়। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীন একটি স্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য সরকারের অর্থে দেশের জাতীয় পর্যায়ে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে আঞ্চলিক ও স্থানীয় পর্যায়ে কর্মরত এনজিওসমূহের মধ্যে অনুদান প্রদান করে থাকে।

---প্রধান অতিথি বলেন যে, বিএনএফ একটি সফল প্রতিষ্ঠান, বিএনএফ মডেল সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে হবে, স্বল্পোন্নত দেশের স্ট্যাটাস হতে বাংলাদেশের উত্তরণের যোগ্যতা অর্জনের লক্ষ্যে ৩টি সূচকেই বিএনএফ ভূমিকা রাখছে।  আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী বলেন যে, অন্য প্রতিষ্ঠানে টাকা দিলে টাকা শেষ হয়ে যায়। কিন্তু বিএনএফ এ টাকা দিলে টাকা শেষ হয় না। এখানে একদিকে টাকা বৃদ্ধি পায় অন্য দিকে হতদরিদ্রদের ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি পায়।  সেলিমা খাতুন বলেন যে, সরকারের একার পক্ষে উন্নয়ন সম্ভব না, এনজিও সরকারের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। জনগোষ্ঠিকে শিক্ষিত করতে পারলে সহজেই স্বাস্থ্য, সেনিটেশন, ইত্যাদি বিষয়ে সহজেই সচেতন করা সম্ভব হবে এবং বায়োগ্যাসকে জনপ্রিয় করতে পারলে একদিকে রান্নার কাজে গ্যাস ব্যবহার করা যাবে অন্যদিকে পরিবেশ নিরাপদ থাকবে, স্বাস্থ্য ভালো থাকবে এবং জমিতে ব্যবহারের জন্য জৈব সার পাওয়া যাবে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মহোদয় বলেন যে, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব রবার্ট ম্যাকনমারা উন্নয়নের জন্য এনজিও গঠনের ---প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। তাঁর এ বক্তব্যের পর বিশ্বে এনজিও’র সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজিবুর রহমান বলেন এখন এনজিও সরকারের উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। অর্থ বিভাগের সচিব মহোদয় বলেন যে, এসডিজি বাস্তবায়নে পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও সমন্বয় ইস্যু মুল সমস্যা। এসডিজি বাস্তবায়ন করতে হলে অবশ্যই সমন্বয় করে কাজ করতে হবে, কেন্দ্রীয়ভাবে বাস্তবায়ন না করে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় সমন্বয় করে বাস্তবায়ন করতে হবে। এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক বলেন যে, এসডিজি বাস্তবায়নে এনজিওদের ভূমিকা কি হবে এবং বাস্তবায়ন করতে গেলে অর্থ কোথা থেকে আসবে সে বিষয়ে সরকার চিন্তাভাবনা করছে। বক্তারা আরও বলেন যে, বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন একটি স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান, অর্থ পেলে এ প্রতিষ্ঠান আরও ভালোভাবে কাজ করতে পারবে। সেকারণে বিএনএফ-এর ফান্ড বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাক মুক্ত ঘোষণার লক্ষ্যে এক হাজার কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। এ কর্মসূচিতে বিএনএফ-কে অন্তর্ভূক্ত করার অনুরোধ জানানো হয়।

---সেমিনারে উপস্থিত অতিথিদের স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএনএফ’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো; সদর আলী বিশ্বাস। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সেবা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক শামসুল আলম স্বপন, সেভিয়ারের নির্বাহী পরিচালক জাহিদ হাসান টুকুন প্রমুখ।



পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
চট্টগ্রামে গণধর্ষণের শিকার দুই কিশোরী
পদ্মার ডান তীরে ভাঙন ফের আতঙ্ক
২৯শে সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের নাগরিক সমাবেশ
ঢাকায় বৃহস্পতিবার বিএনপি’র সমাবেশ
ডিআরইউ’র বিবৃতি : ডিজিটাল আইন স্বাধীন সাংবাদিকতার অন্তরায়
দুর্নীতিবাজদের নিয়ে জোট করে সরকার উৎখাতের চেষ্টা হচ্ছে
বৃহত্তর ঐক্যের কর্মসূচি প্রণয়নে লিয়াজোঁ কমিটি হচ্ছে
সিলেটে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ
মালয়েশিয়ায় ৫৫ বাংলাদেশি শ্রমিক গ্রেপ্তার
আলোচনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৪৩ ধারা
চাকরি না পেয়ে সুইসাইড নোট লিখে খুবি ছাত্রের আত্মহত্যা
গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে কুষ্টিয়ার নবাগত পুলিশ সুপারের মতবিনিময়
সিএনজি থেকে লাফ দিয়েও বাঁচতে পারলনা প্রিয়া!
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস এবার ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে দর্শনার্থীদের জন্যে নির্মাণ করে দিলেন অত্যাধুনিক বিশ্রমাগার
জকিগঞ্জে আবারো শ্রেণি কক্ষে এক শিক্ষিকাকে ঘুমে পেলেন উপজেলা চেয়ারম্যান
কুষ্টিয়ায় হঠাৎ বাস বন্ধ করে দিলেন পরিবহনশ্রমিকেরা
স্বাধীনতা বিরোধী জঙ্গী সঙ্গীদের ক্ষমতায় যেতে দেওয়া হবে না —তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া ওসির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মলনে সোস্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড়
পঞ্চগড়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে স্কুল ব্যাংকিং সম্মেলন ও মেলা অনুষ্ঠিত
কমলগঞ্জে বিদেশে পাঠানোর নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ