ঢাকা, সোমবার, ১৮ জুন ২০১৮, ৪ আষাঢ় ১৪২৫
Bijoynews24.com
প্রথম পাতা » Slider » শেখ হাসিনার সরকার স্বাস্থ্য সেবা জনগনের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এমপি
শুক্রবার ● ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
Email this News Print Friendly Version

শেখ হাসিনার সরকার স্বাস্থ্য সেবা জনগনের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এমপি


---ব্রেলভীর চৌধুরী, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়মীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম এমপি পতœীতলায় উপজেলার খিরশীন ও মধইল এলাকায় শুক্রবার ৮ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রের নব-নির্মিত ২টি ভবনের আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন। পরে বিকেলে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ পতœীতলা উপজেলা শাখার উদ্যোগে নজিপুর শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম (নজিপুর পাবলিক মাঠ) এ বিশাল জনসভায় বক্তব্য রাখেন।

মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রের নব-নির্মিত ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার স্বাস্থ্য সেবা জনগনের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বাল্য বিয়ে রোধ, মাতৃ মৃত্যু ও নবজাতকের মৃত্যুর হার রোধ করতে গ্রামীন স্বাস্থ্য সেবা উল্লেখ যোগ্য হারে বাড়ানোর লক্ষে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। গ্রামীন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আরো ডাক্তার নিয়োগের আশ্বাস প্রদানও করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনার সরকার উন্নয়নের রুপকার। শেখ হাসিনার সরকারের দেশ পরিচালনার প্রধান স্বর্ত হচ্ছে উন্নয়নের উন্নয়ন। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারো নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানান।

হেল্থ ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থা (এইচইডি) এর আর্থিক সহযোগীতায় শুক্রবার সকাল ৯টায় উপজেলার খিরশীন এলাকায় আলহাজ্ব নুরুল হুদা চৌধুরী ও আলহাজ্ব হালিমা চৌধুরাণীর দানকৃত ৪৯ শতক জমির উপর ৪ কোটি ১২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এবং উপজেলার মধইল বাজার এলাকায় আনোয়ারা চৌধুরাণীর দানকৃত এক একর জমির উপর ৪ কোটি ৪৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রের নব-নির্মিত ২টি ভবনের উদ্বোধন শেষে খিরশীন ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরাধীন এমসিএইচ-সার্ভিসেস ইউনিটের উদ্যোগে উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারী, সেবাদানকারী ও জন প্রতিনিধিগনের সমন্বয়ে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী মোস্তফা সারোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য সেনসিটিজেশন ওয়ার্কসপে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়মীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম এমপি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ নওগাঁ জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব শহীদুজ্জামান সরকার এমপি, জমি দাতার জেষ্ঠ পুত্র রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অবসর প্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডাঃ সাইফুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতা বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন প্রকল্প (বিএমডিএ)র সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ঠান্ডু, মহাদেবপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ছলিম উদ্দীন তরফদার সেলিম এমপি, সাবেক মহিলা এমপি শাহীন মনোয়ারা হক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর রাজশাহীর পরিচালক যুগ্ম-সচিব মলয় কুমার রায়, এমসিএইচ-সার্ভিসেস এর পরিচালক এবং লাইম ডাইরেক্টর (এমসিআরএইচ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর) এর ডাঃ মোহাম্মদ শরীফ, নওগাঁ জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান, সিভিল সার্জন ডাঃ মমিনুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নওগাঁর উপ-পরিচালক ড. কুস্তরী আমীনা কুইন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা পারভিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব ইছাহাক হোসেন, সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুল গাফফার, সহ-সভাপতি বাবু নির্মল কুমার ঘোষ, আলহাজ্ব আব্দুল খালেক চৌধুরী, নজিপুর পৌর মেয়র রেজাউল কবির চৌধুরী বাবু, ঘোষনগর ইউপি চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক সহ অন্যান্য কর্মকর্তা, নেতাকর্মীবৃন্দ ও সূধীজন প্রমূখ।

পরে বিকেলে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ পতœীতলা উপজেলা শাখার উদ্যোগে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব ইছাহাক হোসেনের সভাপতিত্বে নজিপুর শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম (নজিপুর পাবলিক মাঠ) এ বিশাল জনসভায় বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা, উপজেলার দলীয় নেতৃবৃন্দ প্রমূখ।

######

নওগাঁয় ভূমি অফিসের সীমাহীন দূর্নীতিতে বিপাকে প্রকৃত ভূমি মালিকরা

ব্রেলভীর চৌধুরী, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁর পতœীতলা উপজেলার ভূমি অফিসের সীমাহীন দূর্ণীতিতে বিপাকে প্রকৃত ভূমি মালিকরা। রেহায় নেই খোদ সরকারী জমি, জমাও। সাধারন মানুষ তাদের জমিজমা নিয়ে ভীষন বিপদের মধ্যে রয়েছে। উপজেলার খাস খতিয়ানের প্রায় অর্ধশত একর জমি ভূমি অফিসের অসাধু কর্মকর্তা ও দালালদের যোগসাজসে ব্যক্তি মালিকানায় খারিজ করায় বিপাকে পড়েছে লীজ গ্রহীতারা। লীজ গ্রহীতাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে দফায় দফায় তদন্ত হলেও অসাধু কর্মকর্তা, কর্মচারী ও দালালদের দৌরাত্বে লীজ গ্রহীতারা সহ সাধারন মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারিত ও চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

অনুসন্ধানে জানাগেছে, পতœীতলায় রাজস্ব অফিসের অধীনে ৬টি ইউনিয়ন ভূমি অফিস রয়েছে। সম্প্রতি উপজেলার পতœীতলা ইউপির মহেষপুর এলাকার প্রায় ১১ একর, বাজিতপুর ও সম্ভুপুর মৌজার ১৫/৮৫, ১৬/৮৫, ১৭/৮৫ ও ১৮/৮৫ ভিপি কেসের প্রায় ২৬ একর সরকারী জমি ভূমি অফিসের অসাধু কর্মকর্তা, কর্মচারী ও দালালদের যোগসাজসে প্রায় কয়েক কোটি টাকা উৎকোচের বিনিময়ে ব্যক্তি মালিকানায় খারিজ, খাজনা করে দেয়ায় উক্ত সরকারী ভিপি জমির লীজ গ্রহীতাদের পক্ষে জনৈক মোহাম্মদ আলী, গোলাম মোস্তফা ও সাইজ উদ্দীনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইতি পূর্বে বিভিন্ন ইলেক্ট্রিক মিডিয়া ও জাতীয় পত্রিকায় খবর প্রকাশের পর দফায় দফায় উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষ সহ রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে তদন্ত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, কর্মচারীরা বহাল তবিয়তে রয়েছে।

এব্যাপারে এলাকার ভূমিহীনদের পক্ষে গত ২৫ জুলাই ২০১৭ ইং মোহাম্মদ আলী এবং গোলাম মোস্তফা ও সাইজ উদ্দীন গত ১৫/০১/২০১৮ ইং তারিখে ভূমি সচিব ও বিভাগীয় কশিশনার বরাবর সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, ১৯৯৮ সালে ভূমি আপিল বোর্ড (২-৫৫/৯৮ নম্বর মামলা) পোরশার নিতপুরের বাসিন্দা মৃত যমুনা প্রসাদ ভগদ নামের এক ব্যক্তির ১ হাজার ১শ বিঘা জমি খাস খতিয়ান ভুক্ত ঘোষনা করে। এসব খাস জমি পোরশা, সাপাহার ও পতœীতলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মহেষপুর মৌজার আরএস ৬১৩ নম্বর খতিয়ানের ১০ একর ৭৪ শতক (৩২ বিঘা ৮শতক) জমি স্থানীয় ভূমিহীন ২৬জন ব্যক্তি ইজারা নেওয়ার জন্য ২০০৫ সালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে আবেদন করেন।

ইজারা না পেলেও ওই ভূমিহীন ব্যক্তিরা ২০০৫ সাল থেকে জমিগুলো ভোগদখল করছিলেন। কিন্তু ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে পতœীতলার মহেষপুর গ্রামের আশরাফ আলী ও আবদুস সালাম, তকিপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম ও আবদুল জব্বার, উষ্টি গ্রামের সুরেন কুমার এবং সাপাহারের করলডাঙ্গা গ্রামের আবদুল কাদের ওই সব জমি তাঁদের রেকর্ডভুক্ত বলে ভূমিহীনদের উচ্ছেদ করে দেন। কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা আতাউর রহমান তৎসময় ভারপ্রাপ্ত ভূমি কর্মকর্তার সহযোগীতায় প্রায় ৬০ লাখ টাকা উৎকোচের বিনিময়ে জালিয়াতি করে ওই ১০ একর ৭৪ শতক জমি কয়েকজন ব্যক্তির নামে খারিজ করে দেন।

অপরদিকে ১৯৪৭ সালে মহাদেপুরের এনায়েতপুর গ্রামের সুরেন্দ্রনাথ বকশি ভারতে চলে যাওয়ায় তার রেখে যাওয়া অত্র এলাকার বাজিতপুর, সম্ভুপুর, হাসেমবেগপুর, চকরাম, ওড়নপুর, মহেষপুর, আদিমৌজা, বজরুক মাহমুদপুর, মালাহার, জিওল সহ বেশ কয়েকটি মৌজায় প্রায় ১শ একর জমি সরকারী খাস খতিয়ানে অর্পিত সম্পত্তি হিসাবে গৃহীত হয়। ১৯৮৫ সাল থেকে সরকারী জমি পতœীতলা উপজেলার বাজিতপুরের গোলাম মোস্তফা, সম্ভুপুরের সাইজ উদ্দীন সহ অত্র এলাকার প্রায় ৩৫/৪০ জন ভূমিহীন ব্যক্তি ১৫/৮৫, ১৬/৮৫, ১৭/৮৫ ও ১৮/৮৫ ভিপি কেসের বাজিতপুর ও সম্ভুপুর মৌজার প্রায় ২৬ একর জমি লীজের মাধ্যমে ভোগ দখল করে আসলেও হঠাৎ করে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে উপজেলার জনৈক জয়নব বেওয়া ও আনোয়ারা বেওয়া সহ অন্যান্য নামে ভূমি অফিসের অসাধু কর্মকর্তা ও দালালদের যোগসাজসে গোপনে বড় অঙ্কের উৎকোচের বিনিময়ে ৩৯১৫/১৬-১৭, ৩৯৯৯/১৬-১৭ নং খারিজের মাধ্যমে উক্ত সম্পত্তি ব্যক্তি মালিকানায় খারিজ, খাজনা করে দেয়ায় ভুক্তভোগীরা খারিজ বাতিলের জন্য ভূমি সচিব ও বিভাগীয় কমিশনার বরাবর সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন।

উক্ত লীজ গ্রহীতাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে দফায় দফায় তদন্ত হলেও অসাধু কর্মকর্তা, কর্মচারী ও দালালদের দৌরাত্বে লীজ গ্রহীতারা সহ সাধারন মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারিত ও চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

অভিযোগকারী মোহাম্মদ আলী, গোলাম মোস্তফা, সাইজ উদ্দীন সহ অন্যান্যরা অভিযোগকারীরা বলেন, সে সময় সহকারী কমিশনার ভূমি কর্মকর্তা না থাকায় দায়িত্বে ছিলেন তৎসময়ের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তবে ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আতাউর রহমান, আব্দুল মান্নান সহ অধিকাংশ কর্মকর্তা, কর্মচারী ও দালালদের যোগসাজসে বড় অঙ্কের উৎকোচের বিনিময়ে উর্দ্ধোতনকে হাত করে ব্যাপক অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছে।

অপরদিকে পতœীতলা উপজেলা হিন্দু অধ্যষিত এলাকা হওয়ায় দেশ স্বাধীনের পূর্বে বহু হিন্দু পরিবার ভারতে পাড়ি দেয় এবং ১৯৭১ এর যুদ্ধ চলাকালীন সময় পাকবাহিনীর অগ্নিকান্ডে পতœীতলা সাব রেজিস্ট্রি অফিস পুড়ে যাওয়ায় সুযোগ বুঝে একটি কুচক্রি মহল এসব দালালচক্র, রাজস্ব ও রেজিস্ট্রি অফিসের সংশ্লিষ্ট কিছু অসাধু কর্মকর্তা, কর্মচারীর যোগসাজসে নানা অনিয়মের মাধ্যমে সরকারী সহ ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিজমা নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি করেছে। এবাদেও ভূমি অফিসের সংশ্লিষ্ট কিছু অসাধু কর্মকর্তা, কর্মচারীরা খারিজ কেস গুলোতে উৎকোচের বিনিময়ে ভূয়া কাগজ পত্র দিয়ে একতরফা ভাবে খতিয়ান ভুক্ত প্রকৃত মালিকদের না জানিয়ে কৌশলে নামজারির মাধ্যমে খারিজ, খাজনা করিয়ে দেয়ায় জমিজমা নিয়ে প্রকৃত মালিকরা নানা জটিলতায় পড়ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর।

এবিষয়ে পতœীতলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল করিম বলেন, অভিযোগকারী মোহাম্মদ আলীর খারিজটি বাতিল করা হয়েছে। অন্যান্য অভিযোগের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে তদন্তের ব্যাপারে উপ-ভূমি সংস্কার কমিশনার রাজশাহীর একেএম বেনজামিন রিয়াজীর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আন্তর্জাতিক ইউএল সার্টিফিকেট পেলো বাংলাদেশের আরআর কাবেল

গোপালগঞ্জে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ : নিহত ৩


পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
মেয়েকে কুপ্রস্তাব, স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দিলেন স্ত্রী!
সেনা প্রধান হলেন জেনারেল আজিজ আহমেদ
যশোরে দু’গ্রুপের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী নিহত
ময়মনসিংহে নারী ‘মাদক ব্যবসায়ীর’ গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার
জকিগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে : দেড় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী
গড়াই নদী থেকে তরু‌ণের ভাসমান লাশ উদ্ধার
দাকোপে পরকীয়ার ঘটনায় স্বামীর পিটুনিতে স্ত্রীসহ প্রেমিক আহত
মেসির পেনাল্টি মিস, আর্জেন্টিনাকে রুখে দিল আইসল্যান্ড
আফগানিস্তানে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ২৫
দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর
এটিএন বাংলায় ইভা রহমানের একক সংগীতানুষ্ঠান
রাশিয়ান সুন্দরী এম্বাসেডরের সতর্কতা
কারাফটকের আগেই ব্যারিকেড, সাক্ষাত পেলেন না বিএনপি নেতারা
গণভবনে জনসাধারণের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়
বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত
বাড্ডায় আওয়ামী লীগ নেতাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা
আত্মঘাতী গোলে হারলো মরক্কো
রোনালদোর হ্যাটট্রিক
কমলাপুর, সদরঘাটে উপচেপড়া ভিড়
ভিজিএফ কার্ডের ৪৫৬ বস্তা চাল জব্দ