শিরোনাম:
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৮, ১ ভাদ্র ১৪২৫
Bijoynews24.com
শনিবার ● ১৩ জানুয়ারী ২০১৮
প্রথম পাতা » Slider » চিরিরবন্দরে অচল পা কেটে বাচঁতে চায় প্রতিবন্ধী রবিন্দ্র
প্রথম পাতা » Slider » চিরিরবন্দরে অচল পা কেটে বাচঁতে চায় প্রতিবন্ধী রবিন্দ্র
৫ বার পঠিত
শনিবার ● ১৩ জানুয়ারী ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

চিরিরবন্দরে অচল পা কেটে বাচঁতে চায় প্রতিবন্ধী রবিন্দ্র

---মোহাম্মাদ মানিক হোসেন চিরিরবন্দর(দিনাজপুর)প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরের বাক প্রতিবন্ধী রবিন্দ্র রায় (৫০) অচল পা কেটে বাকি জীবন বাচঁতে চায়। উপজেলার নশরতপুর ইউনিয়নের ছতিশ মাষ্টার পাড়া গ্রামের মৃত হরপতি রায়ের পূত্র রবিন্দ্র রায় জন্ম থেকেই বাক প্রতিবন্ধী। প্রতিবন্ধী হলেও ফুটবল খেলা থেকে শুরু করে সকল ধরনের খেলাধুলায় পারদর্শী ছিলেন রবিন্দ্র। লেখাপড়া না করায় সাত বছর বয়স থেকেই করতো কৃষি কাজ। বিভিন্ন জায়গায় ক্ষেতখামার ও মানুষের বাড়িতে কাজ করে ভালোই দিন যাচ্ছিলো তার। ১৯৯৮ সালে বিয়ে করে সে। বিয়ে করে প্রথমে দুই ছেলে সন্তানের জনক হলেও জন্মগত কারনেই দুই ছেলেই মারা যায়। দুই ছেলের মৃত্যুর কষ্ট নিয়েই আবারো জীবন চলতে থাকে তার। কিন্তু ভাগ্যর কি নিমর্ম পরিহাস ২০০৮ সালে হঠাৎতে একদিন কৃষি কাজে যাওয়ার পথে সড়ক দূঘর্টনায় তার বাম পা থেতলে যায়। দূঘর্টনার পর বাড়িতে অচল হয়ে পরে ছিলো বছর খানেক। এরই মধ্যে চিকিৎসার কাজে তার গচ্ছিত টাকা খরচ হয়ে যায়। বিভিন্ন জায়গায় ডাক্টার দেখিয়েও হয়নি কোন লাভ। অচল পা নিয়ে সংসারে দেখা দেয় অভাব-অনটন। অভাব-অনটনের সংসারে অচল স্বামীর দিকে তাকিয়ে স্ত্রী জোসনাও মানুষের বাড়িতে কাজ করে অর্থ উর্পাজন করা শুরু করে। কিন্তু তা দিয়েও হয় না। বেঁচে তাকার তাগিতে রবিন্দ্র রায় অচল পা নিয়ে শুরু করে ভিক্ষা বৃত্তি। দশ বছর যাবত ভিক্ষা করেই চলছে তার জীবনযাপন। ৬ মাস হয়েছে রবিন্দ্র আবারো ছেলে সন্তানের বাবা হয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে অচল পা নিয়ে ভিক্ষা করেও মুসকিল হয়ে গেছে তার। ভিক্ষা করেই ছেলেকে মানুষ করার চিন্তা থাকলেও বর্তমানে তাও পারছে না রবিন্দ্র। ডাক্টার পা কেটে ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন। পা না কাটলে ধীরে ধীরে পুরো শরীর অচল হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। নিচে থেকে পা ফুলে ব্যাপক হারে ওজন বৃদ্ধি হচ্ছে। যা বহন করে ভিক্ষা করা ভীষন কষ্টকর হয়ে দাড়িয়েচ্ছে তার। অকেজো পা কে ঝামেলা মনে করে দূর্বিসহ দিন কাটাচ্ছে রবিন্দ্র। টাকার অভাবে কাটতে পারছে না অচল পা।

স্থানীয় রণজিত কুমার রায় বলেন, ১০-১১ বছর আগে কৃষি কাজ করেই ভালোই দিন যাচ্ছিলো রবিন্দ্র রায়ের। আর্থিক অবস্থা ভালোই ছিল। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ তাকে ভিক্ষা করতে হচ্ছে। বাক-প্রতিবন্ধী হয়েও আবার পা টাকে হারিয়েছে রবিন্দ্র । দেখে আমাদের খারাপ লাগে কিন্তু কি করব বলুন।

বাক-প্রতিবন্ধী রবিন্দ্র রায় ইশিরায় সাংবাদিকদের জানান, আমি কঠিন রোগে ভুগছি। রোগের চিকিৎসা করাতে আমার সব কিছুই শেষ হয়ে গেছে। এখন সম্বলহীন। বাড়িতে ছোট একটা ছেলে আর স্ত্রী রয়েছে। তাদের মুখে দুবেলা খাবার দিতে পারি না। কোনো কাজও করতে পারি না। ১০ বছর যাবত ভিক্ষা করে সংসার চললেও কিন্তু এখন শেষ পর্যন্ত ভিক্ষা করেও আর শান্তি পাচ্ছি না। অচল পায়ের ভারে শরীরের ওজন দিগুন হয়ে গেছে। অর্থের অভাবে অচল পা কাটতে পারছি না। আমি অচল পাকে কেটে ফেলে আরো কিছুদিন বাচঁতে চাই। রবিন্দ্র রায়ের স্ত্রী জোসনা রায় তার পা কেটে চিকিৎসার জন্য হৃদয়বান মানুষের কাছে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন। সহয়তার জন্য-রেজাউল ইসলাম-০১৭২২৮০৯১৪২ ।



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
কক্সবাজার আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ১৩ তরুণী আটক
হজ ফ্লাইট শেষ, যেতে পারেননি ৬০৬ জন
শোকের দিনে বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ
প্রথমবার আসিফ-শিরিন শিলা
শাকিব-শ্রাবন্তীকে নিয়ে গুঞ্জন
শনিবার ব্যাংক খোলা
সৌদিতে আরও ৫ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি, সন্তানের খোঁজে থানায় মা
কুষ্টিয়ায় অসহায় বীর মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে তিন ঘন্টার মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দিলেন ডিজিএম আশরাফ খান !
ফুলবাড়ীতে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমানরে ৪৩তম মৃত্যু র্বাষকিী পালতি
হরিণাকুন্ডুতে চাঁদাবাজী করতে গিয়ে দুই ভুয়া সাংবাদিক গ্রেফতার
লালপুরে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দেয়াল পত্রিকা “অঙ্গনা‍”র মোড়ক উম্মোচন
পলাশবাড়ীতে বঙ্গবন্ধু’র ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত
প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যাবার সময় আটক এসআই খলিলকে প্রত্যাহার
পঞ্চগড়ে জাতীয় শোক দিবস পালন
“কুষ্টিয়ায় বিএনএফ’র উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন”
ঈদ-উল-আযহার ছুটি উপলক্ষে ইবির হল বন্ধ হচ্ছে কাল
স্যার কথা বলবেন বলে তুলে নেয়া হয় ইমিকে
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
বার বার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছি, পিছিয়ে যাইনি : প্রধানমন্ত্রী