শিরোনাম:
●   কাফন মিছিলের পর শাবিতে এবার গণঅনশনের ডাক ●   ●   কুষ্টিয়ায় পরিবেশ বান্ধব জিকজাক ইট ভাটার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ওরা কারা ? ●   কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নবাসী তাদের প্রিয় নেত্রী সম্পা মাহমুদকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানিয়েছে ●   ঢাকাসহ সারাদেশে রেড অ্যালার্ট জারি ●   অবশেষে ‘‘সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী সেতুুর’’ (গড়াই সেতু) টোলে পে-অর্ডারর জাতিয়াতির টাকা ফেরৎ দিল ব্যাংক ●   কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মশাল প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি ●   দৌলতপুরে কৃষি, ব্যাংক কর্মকর্তার ১৩ বছরের কারাদণ্ড ●   ‘একটি গোষ্ঠী ঘটনার জন্ম দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়’ ●   আবরারের মাও যেন বলতে পারে, ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি
ঢাকা, রবিবার, ২২ মে ২০২২, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

Bijoynews24.com
সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭
প্রথম পাতা » বক্স্ নিউজ | রাজশাহী | শিরোনাম » রাজশাহীতে চিকিৎসা সেবার মান নিয়ে শংকিত নগরবাসী
প্রথম পাতা » বক্স্ নিউজ | রাজশাহী | শিরোনাম » রাজশাহীতে চিকিৎসা সেবার মান নিয়ে শংকিত নগরবাসী
সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

রাজশাহীতে চিকিৎসা সেবার মান নিয়ে শংকিত নগরবাসী


---হাবিব জুয়েল, রাজশাহী:: রাজশাহী নগরীতে বেড়েই চলেছে হাসপাতাল-ক্লিনিকের সংখ্যা। এর সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডায়গনস্টিক সেন্টার। নগরীতে প্রায় ২০০ বেসরকারি হাসপাতাল থাকলেও নগরীতে ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টারের প্রকৃত সংখ্যা কত জানা নেই কারো। চিকিৎসা সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি জনগণের চিকিৎসা সেবা।

অভিযোগ রয়েছে কতিপয় ডাক্তার তাদের দায়িত্বের কথা ভুলে গিয়ে হাসপাতালের অনেক রোগীকে রেফার্ড করে দেয় বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে, কমিশনের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা আদায়ের উদ্দেশ্যে। এভাবে সরকারি হাসপাতালে বহাল তবিয়তে চাকরি রক্ষা করেই অবাধে ৪ থেকে ৫টি প্রতিষ্ঠানে চালিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসা বাণিজ্য। তারা এতগুলো প্রতিষ্ঠানে ব্যস্ত থাকায় কোনো স্থানেই সুষ্ঠুভাবে চিকিৎসা সেবা দিতে পারছেন না। মানসম্মত চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। প্রতি দিনই হয়রানি হচ্ছেন সাধারণ রোগী ও অভিভাবক। এর সাথে যোগ হয়েছে রোগী ধরা দালালদের উপদ্রপ। এ যেন গোদের ওপর বিষফোঁড়া।

এছাড়াও যে হারে হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সংখ্যা বাড়ছে তাতে জনগণের চিকিৎসা সেবার অভাব থাকার কথা নয়। অথচ তা হচ্ছে না। সেখানে আয়া ও নার্সদের সেবা প্রদানের চেয়ে দুর্ব্যবহারে অতিষ্ঠ রোগী ও অভিভাবকরা। আর ডাক্তারের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসায় রোগী মারা যাবার ঘটনাতো ঘটতেই আছে। সম্প্রতি নগরীর লক্ষ্মীপুরে নতুনভাবে চালু হওয়া এক নামকরা হাসপাতালে নাটোর থেকে আসা সড়ক দুর্ঘটনায় আহত আব্দুল জলিল নামের এক রোগীর ভুল ইঞ্জেকশনে মৃত্যুর পর হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনা সবার জানা। এ ধরনের ঘটনা নগরীর অধিকাংশ হাসপাতালে ঘটে চলেছে।

এদিকে সরকার জনগণের চিকিৎসা সেবার জন্য হাসপাতাল ও চিকিৎসক তৈরিতে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করছে। এ অর্থ জনগণের। অথচ কতিপয় ডাক্তার ও নার্সদের কারণে প্রকৃত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। ডাক্তারদের বাড়ি, গাড়ি, ব্যাংক ব্যালেন্স বাড়লেও, বাড়ছে না চিকিৎসা সেবার মান। এ যেন জনগণের অর্থ দিয়েই জনগণকে ভাজা।

নগরীর সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে রোগীর প্রচন্ড ভিড় লক্ষ্য করা যায়। দিনের পর দিন যে হারে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে তাতে রোগীর জায়গা পাওয়া দুস্কর। এর সুযোগ নিয়েছে ব্যবসায়ী ও কতিপয় ডাক্তার। এই সুযোগে ব্যবসায়ীরা খুলে বসেছে ক্লিনিক ও হাসপাতাল আর ডাক্তারের চিকিৎসা বাণিজ্য বাড়ছে। নিয়ম অনুযায়ী ডাক্তারি পাস করেই তাদের একমাত্র পেশা হিসেবে জনগণের চিকিৎসা সেবাকে বেছে নেয়ার কথা। কিন্তু তা হয়নি। অসাধু কিছু কিছু ডাক্তার সরকারি হাসপাতালে চাকরিতে অবহেলা ও প্রাইভেট চিকিৎসাকে প্রাধান্য দিচ্ছেন এবং তারা অর্থ উপার্জনে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।

এদিকে নগরীতে টেস্ট বাণিজ্য এখন তুঙ্গে। চিকিৎসা উদ্দেশ্যে নয়,বাণিজ্যিক ভিত্তিতে নগরীর যত্রতত্র গড়ে উঠেছে ডায়গনস্টিক সেন্টার। এর সাথে ডায়গনস্টিক সেন্টারগুলোতে চলছে কমিশনভিত্তিক পরীক্ষা। কমিশনের বিনিময়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট তৈরির মাধ্যমে রোগীদের প্রতারিত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। একই রোগীর পরীক্ষায় একেকটি ডায়গনস্টিক সেন্টার থেকে একেক রকম রিপোর্টও পাওয়া যায়। এসব রিপোর্ট নিয়ে রোগী ও তাদের স্বজনেরা চরম বিভ্রান্তিতে পড়েন। আর এই চিকিৎসার অর্থ যোগাতে নিঃস্ব হচ্ছেন অনেকে। অন্যদিকে অসাধু চিকিৎসক ও ডায়গনস্টিক সেন্টার মালিকরা অর্থের পাহাড় গড়ে তুলছে এই টেস্ট বাণিজ্য করে। সেদিকে কোন ভ্রুক্ষেপ নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।

বিশস্ত সূত্রে জানা গেছে যে ডায়গনস্টিক সেন্টারে সরবরাহকৃত স্লিপে ডাক্তার টিক মার্ক দিয়ে দেন এই বলে যে কোন্ কোন্টি টেস্ট করাতে হবে। রোগী ডায়গনস্টিক সেন্টারে তার পছন্দ মতো টেস্ট করাতে চাইলেও তা করতে দেয়া হয় না। কোন কোন সময় রোগীর ইচ্ছামত টেস্ট করালেও ডাক্তার ঐ রিপোর্ট গ্রহণ করেন না। চিকিৎসকের নির্ধারিত সেন্টার থেকে পুনরায় একই টেস্ট করিয়ে আনতে হবে বলে চাপ দেয়া হয়। আর কমিশন নিশ্চিত হবার পরই রোগীর চিকিৎসা হয়ে থাকে।

এ ব্যাপারে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক আব্দুস সোবহান বলেন, সমাজের অবক্ষয় সর্বত্র। সরকার চিকিৎসা সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে। আমরা চেষ্টা করছি চিকিৎসকরা জনসেবক হিসেবে যেন কাজ করেন। এ জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এতে আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই।

 

 

---প্রথমবারের মত পালিত হচ্ছে রাজশাহী মুক্ত দিবস

হাবিব জুয়েল, রাজশাহী:: ১৯৭১ সালের ১৮ ডিসেম্বর রাজশাহীকে শত্রুমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। এই দিনটিকে পালন করার জন্য রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে ১৮ ডিসেম্বর বিকেল ৩টায় এক সমাবেশের আয়োজন করেছে আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদ। স্বাধীনতার পর যা প্রথম।

এ নিয়ে বদ্ধভূমিতে স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন, রাজশাহীতে গণহত্যা নিয়ে সরকারি উদ্যোগে প্রামাণ্যচিত্র তৈরিকরণ, মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য নির্মাণ, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের শাখা স্থাপনসহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে নগরীতে লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে।

মুক্তিযুদ্ধের তথ্য সংগ্রাহক ওয়ালিউর রহমান বাবু বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের ৪৬ বছর পর সমাবেশ আকারে প্রথমবারের মতো এবার রাজশাহী মুক্ত দিবস পালন করা হবে। এর আগে এই দিবস পালন করা হয়েছে। তবে খুব ছোট এবং ঘরোয়া পরিবেশে। কিন্তু রাজশাহীতে অনেক অনুষ্ঠান করা হয় ঘরের বাইরে। সে চিন্তা থেকে আমরা এবার বাইরে বড় আকারে মুক্ত দিবস সমাবেশ করে পালন করবো। এতে করে সব শ্রেণি পেশার মানুষ রাজশাহীর স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস জানতে পারবেন।

মুক্তিযুদ্ধকালে রাজশাহী ছিল ৭ নম্বর সেক্টরের অধীনে। সেক্টর কমান্ডার মেজর নাজমুল হক শহীদ হবার পর এই সেক্টরের দায়িত্ব নেন কর্নেল কাজী নুরুজ্জামান (বীর উত্তম)। এর আগে পাকিস্তানি সৈন্যরা রাজাকার আলবদর পাকিস্তানপন্থী অবাঙালি ও দোসরদের মদদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বধ্যভূমিতে নির্যাতন করে প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার বন্দিকে হত্যা করে।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, ৭ নম্বর সেক্টর লাল গোলা সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর গিয়াস উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী (বীর বিক্রম )ও শেখপাড়া সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর রশিদের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা উত্তর, পূর্ব পশ্চিম ও দক্ষিণে পদ্মা নদীর চরাঞ্চলে প্রতিরোধ গড়ে তুলে রাজশাহী শহরের দিকে এগিয়ে আসছিল। মিত্রবাহিনীর যুদ্ধ বিমানকে স্বাগত জানাতে আকাশের দিকে তাকিয়ে অপেক্ষা করতে থাকে স্বাধীনতাকামীরা। পাকিস্তানি সৈন্যদের পরাজয় তখন কেবল সময়ের ব্যাপার। রাজধানী ঢাকার কাছে পৌঁছে গেছে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর বিশাল বহর। এ খবর ছড়িয়ে পড়তে থাকলো মুখে মুখে। রোজা রাখেন নানা বয়সী স্বাধীনতাকামী নারী পুরুষেরা। ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা হাত তুলে কৃতজ্ঞতা জানাতে থাকে সৃষ্টিকর্তার কাছে। বাড়িঘরে বেতার যন্ত্রের সামনে অপেক্ষা করে অবরুদ্ধ স্বাধীনতাকামী মানুষেরা। পাকিস্তানপন্থীরা দাঙ্গা বাঁধানোর অপচেষ্টা করতে থাকলো। বাড়িঘর থেকে বেরিয়ে পড়লো অবরুদ্ধ থাকা স্বাধীনতাকামীরা। স্বজন হারানোর শোক বিজয়ের আনন্দে উচ্ছ্বাসিত হয়ে উঠতে থাকলো চারিদিকে। আত্মগোপন করলো রাজাকার, আলবদর ও পাকিস্তানপন্থীরা। মুখোশ পাল্টিয়ে বেশ কিছু দোসর মুক্তিযোদ্ধাদের স্বাগত জানাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

এরপর মুক্তিবাহিনীর অগ্রগামী একটি দল সাদা পতাকা উড়িয়ে সাদা পাগড়ি আর আত্মসমর্পনের বার্তা নিয়ে রাজশাহী শহরের উপকণ্ঠে আসে। পাকিন্তানি সেনাদের গুলিতে প্রাণ হারালো অনেকে। স্বজনদের ভিড় তখন বন্দিশালার আশপাশে। বেরিয়ে আবেগে আপ্লুত বন্দিরা।

বিজয়ী মক্তিযোদ্ধাদের ফুলের পাপড়ি আর গোলাপ পানি ছিটিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। বরণ করা হয় মিত্রবাহিনীকেও। বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষেরা খাদ্য সরবরাহ করে। অবাঙালি মহল্লা থেকে উদ্ধার করা হয় অস্ত্র। বিভিন্ন টর্চার ক্যাম্প, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ধার হতে থাকে নির্যাতিত নারী পুরুষরা। স্বজন ঘনিষ্ঠরা বধ্যভূমিগুলিতে স্বজনদের লাশ খুঁজতে থাকে।

১৯৭১ সালের ১৮ ডিসেম্বর সকালে রাজশাহীর মাদ্রাসা হাইস্কুল মাঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর ৭নম্বর সেক্টারের সাব সেক্টর ৪ এর তৎকালিন কমান্ডার মেজর গিয়াস উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা তুলে রাজশাহীকে মুক্ত ঘোষণা করেন। তাকেই এই অঞ্চল পরিচালনা জন্য প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তৎকালীন পৌরসভা ভবনকে কন্ট্রোল রুম করে পরিচালিত হয় প্রশাসন।

এ বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে সরকার ব্যাপকভাবে চিন্তা করায় আমাদের সম্পর্কে অন্যরা এখন জানতে চায়। তাই  রাজশাহীর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে আমাদের ব্যাপক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করতে হবে বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে। সেই সাথে আমাদের মধো বিভেদ দূরত্ব কমাতে হবে।



এ পাতার আরও খবর

কুষ্টিয়ায় পরিবেশ বান্ধব জিকজাক ইট ভাটার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ওরা কারা ? কুষ্টিয়ায় পরিবেশ বান্ধব জিকজাক ইট ভাটার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ওরা কারা ?
কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নবাসী তাদের প্রিয় নেত্রী সম্পা মাহমুদকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানিয়েছে কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নবাসী তাদের প্রিয় নেত্রী সম্পা মাহমুদকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানিয়েছে
ঢাকাসহ সারাদেশে রেড অ্যালার্ট জারি ঢাকাসহ সারাদেশে রেড অ্যালার্ট জারি
অবশেষে ‘‘সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী সেতুুর’’ (গড়াই সেতু) টোলে পে-অর্ডারর জাতিয়াতির টাকা ফেরৎ দিল ব্যাংক অবশেষে ‘‘সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী সেতুুর’’ (গড়াই সেতু) টোলে পে-অর্ডারর জাতিয়াতির টাকা ফেরৎ দিল ব্যাংক
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মশাল প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মশাল প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি
দৌলতপুরে কৃষি, ব্যাংক কর্মকর্তার ১৩ বছরের কারাদণ্ড দৌলতপুরে কৃষি, ব্যাংক কর্মকর্তার ১৩ বছরের কারাদণ্ড
‘একটি গোষ্ঠী ঘটনার জন্ম দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়’ ‘একটি গোষ্ঠী ঘটনার জন্ম দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়’
আবরারের মাও যেন বলতে পারে, ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি আবরারের মাও যেন বলতে পারে, ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি
সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ শাহবাগে ‘গণঅনশন ও অবস্থান’ কর্মসূচিতে সংখ্যালঘুদের ৮ দফা দাবি সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ শাহবাগে ‘গণঅনশন ও অবস্থান’ কর্মসূচিতে সংখ্যালঘুদের ৮ দফা দাবি

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
কুষ্টিয়ায় পরিবেশ বান্ধব জিকজাক ইট ভাটার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ওরা কারা ?
কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নবাসী তাদের প্রিয় নেত্রী সম্পা মাহমুদকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানিয়েছে
ঢাকাসহ সারাদেশে রেড অ্যালার্ট জারি
অবশেষে ‘‘সৈয়দ মাছ-উদ-রুমী সেতুুর’’ (গড়াই সেতু) টোলে পে-অর্ডারর জাতিয়াতির টাকা ফেরৎ দিল ব্যাংক
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মশাল প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি
দৌলতপুরে কৃষি, ব্যাংক কর্মকর্তার ১৩ বছরের কারাদণ্ড
‘একটি গোষ্ঠী ঘটনার জন্ম দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়’
আবরারের মাও যেন বলতে পারে, ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি
সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ শাহবাগে ‘গণঅনশন ও অবস্থান’ কর্মসূচিতে সংখ্যালঘুদের ৮ দফা দাবি
আজ বিআরবি কেবল ইন্ড্রাষ্টিজ লিমিটেড এর ৪৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী
কুষ্টিয়া জেলা প্রেসক্লাবের অভিনন্দন
মণ্ডপে হামলা : উস্কানিদাতা ইসলামিক বক্তা গ্রেপ্তার
প্রেমিককে স্বামী বানিয়ে প্রবাসীর সম্পদ লিখে নেন সাকুরা
আবারও বাড়ছে ভোজ্যতেলের দাম
তথ্য প্রতিমন্ত্রীকে সাঈদ খোকনের চ্যালেঞ্জ ইসলাম ত্যাগ করেন, দুই দিনও মন্ত্রী থাকতে পারবেন না
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে আপত্তিকর অবস্থা থেকে পালাতে গিয়ে ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে যুবকের মৃত্যু
কুষ্টিয়া প্রেসক্লাব কেপিসির নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ ও শপথ অনুষ্ঠিত
চিলাহাটি গার্লস্ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের প্রদায়ন ও নবাগত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত
স্বামী বিদেশে নেওয়ার আগেই রাতের আধারে প্রেমিকের সঙ্গে পালালেন স্ত্রী