ঢাকা, রবিবার, ২৪ জুন ২০১৮, ১০ আষাঢ় ১৪২৫
Bijoynews24.com
প্রথম পাতা » Slider » জন্মদিনে মহানবী (সা.) কী করতেন
শুক্রবার ● ১ ডিসেম্বর ২০১৭
Email this News Print Friendly Version

জন্মদিনে মহানবী (সা.) কী করতেন

 

---Bijoynews : গোটা বিশ্বের জন্য রহমত হয়ে এসেছিলেন হজরত মুহাম্মদ (সা.)। কবে তিনি এ বিশ্বে তাশরিফ এনেছেন? এ বিষয়ে মতভেদ দেখা যায়।প্রসিদ্ধ অভিমত হলো, মহানবী (সা.) ১২ রবিউল আউয়াল জন্মগ্রহণ করেছেন। হাদিসবিশারদ ও ঐতিহাসিকদের কাছে সর্বাধিক নির্ভরযোগ্য অভিমত হলো, আবরাহার হস্তীবাহিনীর বিনাশপ্রাপ্তির ৫০ থেকে ৫৫ দিন পর রাসুল (সা.) ৮ রবিউল আউয়াল সোমবার সুবহে সাদিকের সময় আবু তালিবের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.), জুবাইর ইবনে মুতঈম (রা.), আল্লামা ইবনুল জাওজি, কুতুবউদ্দীন কাসতালানি (রহ.)সহ বেশির ভাগ মুহাদ্দিস ও জীবনীকার এ বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। [সিরাতে মুস্তফা (বাংলা) : ১/৬৩-৬৪, ইদ্রিস কান্ধলবী, জুরকানি : ১/১৩০-৩১]

প্রখ্যাত ঐতিহাসিক মুহাম্মদ সুলাইমান মানসুরপুরী ও মাহমুদ পাশার অনুসন্ধানি অভিমত হলো, রাসুল (সা.)-এর জন্ম তারিখ ৯ রবিউল আউয়াল। ইংরেজি পঞ্জিকা মতে, তারিখটি ছিল ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ২০ অথবা ২২ এপ্রিল। (মাহমুদ পাশা, তারিখে খুজরি, প্রথম খণ্ড, পৃ. ৬২, সুলাইমান মানসুরপুরী, রাহমাতুল্লিল আলামিন, প্রথম খণ্ড, পৃ. ৩৮-৩৯)

মহানবী (সা.) যে যুগে জন্মগ্রহণ করেছেন, সে যুগে জন্ম তারিখ রেজিস্ট্রি করে রাখার প্রথা ছিল না। সম্ভ্রান্ত পরিবারগুলোতেও এ রেওয়াজ ছিল না। সে হিসেবে রাসুল (সা.)-এর জন্ম তারিখও কোথাও লিপিবদ্ধ ছিল না। তাই তাঁর জন্ম তারিখ ১২ রবিউল আউয়াল কি না, তা নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।

তবে ১২ রবিউল আউয়াল রাসুল (সা.)-এর ওফাত হওয়ার ব্যাপারে কারো মতবিরোধ নেই। কেননা তত দিনে তিনি বিশ্বনবী হিসেবে তাঁর দায়িত্ব পালন করে ফেলেছেন। গোটা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। তাই মানুষ গুরুত্বের সঙ্গে তাঁর ওফাত দিবসের তারিখ স্মরণে রেখেছে। সুতরাং যদি মেনে নেওয়া হয় যে ১২ তারিখ রাসুল (সা.)-এর জন্ম তারিখ, তাহলে দেখা যায় ওই দিনই তাঁর ওফাত দিবস। কাজেই এই দিন একই সঙ্গে আনন্দ ও বেদনার।

যদি জন্ম তারিখের দিকে থাকাই, তাহলে এটা খুশির দিন। আবার রাসুল (সা.)-এর ইন্তেকালও যেহেতু এই দিনে, সে হিসেবে দিনটি দুঃখেরও দিন।প্রশ্ন হলো, আমরা দিনটি কিভাবে উদ্যাপন করব? আমরা দেখতে পাই, সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেইনের যুগে তাঁরা খুশির দিবস হিসেবেও পালন করেননি, শোক দিবস হিসেবেও পালন করেননি।

বরং আমরা দেখতে পাই, মহানবী (সা.) জন্ম তারিখ নয়, জন্ম বার বা জন্মের দিন উদ্যাপন করতেন। কিন্তু সে উদ্যাপনও কোনো উৎসব, মিছিল বা ভোজনরসিকতার মাধ্যমে নয়। মহানবী (সা.) তাঁর জন্মের দিন সোমবার রোজা রাখতেন। হাদিসবিশারদরা লিখেছেন, মহানবী (সা.)-এর জন্মের কারণে প্রতি সোমবার রোজা রাখা মুস্তাহাব। হজরত আবু কাতাদাহ আনসারি (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘মহানবী (সা.)-কে সোমবার রোজা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ওই দিন আমি জন্মগ্রহণ করেছি। ওই দিনই আমি নবুয়ত লাভ করেছি বা আমার ওপর ওহি অবতীর্ণ হয়…। ’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১১৬২)


খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ফের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

প্রথম চুল্লির ভিত্তি দিলেন প্রধানমন্ত্রী পরমাণু বিশ্বে বাংলাদেশ


পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
ইংল্যান্ড ৫ - ০ পানামা : পানামার জালে ইংলিশদের গোল উৎসব
কর্ণফুলী কলেজের ডরমেটরিতেও অসামাজিক কার্যকলাপ!
প্রকাশ্যে সৌদি আরবে গাড়ি চালালেন নারীরা
গাজীপুরের শ্রীপুরে ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযান
শেষ মুহুর্তে নাটকীয় জয় ব্রাজিলের
মাদক ব্যবসায়ীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী
কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে ইয়াবা সহ আটক-২
ব্রাজিল-কোস্টারিকা প্রথমার্ধ গোলশূন্য
চট্টগ্রামের রাউজানে বাস পুকুরে পড়ে শিশুসহ নিহত ৫
রাজধানীতে আর্জেন্টিনা সমর্থকের আত্মহত্যা !
রাশিয়ায় এলাহি কান্ড
রোববার থেকে গাড়ি চালানোর অনুমতি পাচ্ছেন সৌদি নারীরা
নরসিংদীতে দুই সন্তানকে হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা
গোপালগঞ্জে স্মাতক পাশ করেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ?
প্রধানমন্ত্রীকে এসএমএস করে আব্দুস সামাদের কপাল খোলে গেল
উচ্ছ্বসিত বুবলী
ক্রোয়েশিয়ার গোল উৎসব, গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায়ের শঙ্কায় আর্জেন্টিনা
ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী অভিযানে নিহত ২
শ্বাসরুদ্ধকর অপেক্ষা
নতুন সেনা প্রধান লে.জে. অাজিজ অাহমেদের বর্নিল জীবন