শিরোনাম:
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭, ৬ অগ্রহায়ন ১৪২৪
Bijoynews24.com
প্রথম পাতা » Slider » কোটিপতি রোহিঙ্গা পরিবারের কষ্টের কথা
বুধবার ● ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭
Email this News Print Friendly Version

কোটিপতি রোহিঙ্গা পরিবারের কষ্টের কথা

---Bijoynews

 

 ১৩ সেপ্টেম্বর- মিয়ানমারের টম বাজার এলাকায় খালেদা বেগম ছিলেন এক বিত্তশালী পরিবারের সদস্য। মুসলিম অধ্যুষিত ওই বাজারে তারাই ছিলেন সবচেয়ে প্রভাবশালী। তাদের হার্ডওয়্যার, মুদির দোকানসহ বেশকিছু দোকান ছিল, যা অন্তত কোটি টাকা মূল্যের। বাড়িও ছিল ওই এলাকার মধ্যে সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন। কিন্তু কোটিপতি থেকে মুহূর্তেই হয়ে গেলেন পথের ফকির।

রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতনের মুখে সব দোকান, বাড়িসহ সহায় সম্পত্তি ফেলে চলে আসেন বাংলাদেশে। ১৫ দিনে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে অনেক কষ্টে নাফ নদ ও কাঁটাতারের সীমারেখা পার হতে হয় তাদের। তবে তারা আসার পরপরই জানতে পেরেছেন, দোকান পাট ও বাড়িঘর জালিয়ে দেওয়া হয়েছে। গত দুই দিন হলো লাম্বাবিল হয়ে কুতুপালং এসে তার আশ্রয় জুটেছে খোলা আকাশের নিচে। এখনো কোনো তাঁবু পাননি। মেলেনি কোনো ত্রাণও।

কুতুপালং সড়কের কাছে একটি নালার কিনারে কচু বাগানে বসে থাকতে দেখা যায় তাকে। অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছেন অজানা, অচেনা পথের দিকে। সবকিছুই তার কাছে অপরিচিত। তার কোলজুড়ে ৩ মাসের একটি বাচ্চাকেও কান্না করতে দেখা যায়।

গতকাল দুপুরে যখন খালেদা বেগমের সঙ্গে কথা হয় তখন তিনি ছিলেন ক্ষুধার্ত। কিন্তু চেহারায় ছিল আভিজাত্যের ছাপ। ডান হাতে ছিল একটি গোল্ডেন রঙের ঘড়ি। পরনের পোশাকও ছিল অনেকটা মার্জিত। কিন্তু লজ্জায় ত্রাণের জন্য হাত পাততে পারছিলেন না।

তিনি জানান, বাংলাদেশে আসার পথে দুই লাখ মিয়ানমারের মুদ্রা কিয়াট নিয়ে আসলেও দালালদের খপ্পরে পড়ে আড়াই হাজার টাকায় তা বিক্রি করে দেন। গত দুই দিন কষ্ট করে এই টাকা দিয়ে পানি আর শুকনো কিছু খাবার কিনে বাচ্চাদের কোনোমতে খাওয়ান। কিন্তু পরিবারের অন্য সদস্যরাও না খেয়ে পথেই বসে রয়েছেন।

খালেদা খানম বলেন, টম বাজার এলাকায় তারা ছিলেন রাজার হালে। কোনো কিছুর অভাব ছিল না। তাদের প্রায় ১২ একর জমি ছিল। ত্রিশটির মতো গরু ছিল। দোকান পাট ছাড়াও আরও কিছু সম্পদ ছিল। সব মিলিয়ে হবে কোটি টাকার। এখন কার কাছে যাব, কি করব কিছুই দিশা পাচ্ছেন না তিনি। যৌথ পরিবারের সদস্য আলেয়া বেগমের কোলেও দেখা যায় এক ছোট্ট শিশু।

তিনি জানান, তার হাতে খাবার জন্য একটি টাকাও নেই। এখন চেয়ে খেতে হবে। এই বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। ওই পরিবারের পুরুষ সদস্য আবদুল হামিদ ও মৌলভি মাইনুদ্দিন জানান, তাদের পরিবারটি অনেক বড়। ৩০ সদস্যের সবাই বাংলাদেশে কষ্ট করে আসতে পারলেও সব সহায় সম্পত্তি ফেলে আসতে হয়েছে। এখন তারা শূন্য হাতে।


গণহত্যাকারী মিয়ানমার জান্তা সরকারের বিচার করবে কে?

বৌদ্ধরা স্বীকার করল পুলিশের সহায়তায় তারা রোহিঙ্গাদের বাড়িঘরে আগুন লাগিয়েছে


পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
হোটেলে অভিযান, ১৪ তরুণীসহ ১৭ জনের কারাদণ্ড
কিশোরীকে ধর্ষণ-পরিচয় মোবাইলে
কুড়িগ্রামে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে মোটরসাইকেল ৩ আরোহী নিহত
‘বাপ-ছেলে আমারে কামড়াইয়া-চিমড়ায়া কিছু রাখে নাই’- সৌদি প্রবাসী নারী
সিলেটে প্রেমের টানে বাড়ী থেকে পালিয়ে ধর্ষণের শিকার কিশোরী
ইয়াবার মামলায় পুলিশের এএসআই গ্রেপ্তার
কুষ্টিয়া=২ আসন( মিরপুর-ভেড়ামারা) : ইনুকে নিয়ে আওয়ামীলীগে ক্ষোভ : বিএনপিতে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী
কুষ্টিয়ার বিত্তিপাড়ায় সত্য কুমার ১৫দিন নিখোজ
বরগুনার পাথরঘাটায় তরুনী ধর্ষণ শেষে হত্যা, নেপথ্যে ‘বড় ভাই’
দুই কুল হারিয়ে পথে পথে ঘুরছে পারভিন
সৌদি আরবে ২৪ হাজার অবৈধ অভিবাসী আটক
প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় ১ম দিন দেড় লাখ অনুপস্থিত
আইন-শৃংখলা উন্নয়নে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের যুগান্তকারী পদক্ষেপ ৮ মাসে বন্দুক যুদ্ধে ১১ চরমপন্থী নিহত : ৫৪ টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার
গাজীপুরে ঘুমন্ত শিশুকে পানিতে ফেলে হত্যা!
রিপা’র ও তার মায়ের ৪টি করে বিয়ে, নানীর বিয়ে ৮টি, ৩ খালার প্রত্যেকের ৩টি করে বিয়ে!
বগুড়ার শাজাহানপুরে রাষ্ট্রিয় মর্যাদা বঞ্চিত মরহুম মুক্তিযোদ্ধার শোকাহত পরিবারের প্রতি সাংবাদিকদের সমবেদনা
কুষ্টিয়ায় পুলিশের অভিযানের আটক-২৭
শীঘ্রই রাজশাহী-কলকাতা ট্রেন চালু হচ্ছে
৪৫ দিনের মধ্যে খুলতে যাচ্ছে রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী রেশম কারখানা
এক জেলায় আট নারী ইউএনও!