ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭, ৯ অগ্রহায়ন ১৪২৪
Bijoynews24.com
প্রথম পাতা » Slider » মাহবুব উল আলম হানিফকে যে কারণে মন্ত্রী হিসেবে পেতে চায় কুষ্টিয়াবাসী
মঙ্গলবার ● ২৭ জুন ২০১৭
Email this News Print Friendly Version

মাহবুব উল আলম হানিফকে যে কারণে মন্ত্রী হিসেবে পেতে চায় কুষ্টিয়াবাসী

 ---শামসুল আলম স্বপন / রবিউল হক খান :
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় ।  জননেত্রী শেখ হাসিনা তখন প্রধানমন্ত্রী । চরমপন্থী অধ্যুষিত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে হঠাৎ করেই বেড়ে গেলো খুন-খারাবি। খুলনা বিভাগের দশ জেলায় ৭টি নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন যেন সরকারের সাথে শুরু করলো অঘোষিত যুদ্ধ । পূর্ববাংলা কমিউনিষ্ট পাটি(এমএল),শ্রমজীবিমুক্তি আন্দোলন, গণ-বাহিনী, বাংলার কম্যুনিষ্ট পার্টি, গণমুক্তিফৌজ, বিপ্লবী কম্যুনিষ্ট পার্টি, লাল্টু বাহিনী নানা নামে পরিচালিত স্বশস্ত্র আন্ডার গ্রাউন্ড দল গুলো নিজেদের মধ্যে শুরু করে আধিপত্য বিস্তারের লড়াই। প্রতি রাতেই বিবাদমান গ্রুপের মধ্যে চলতো বন্দুকযুদ্ধ আর রক্তের হোলি খেলা ।বিশেষ করে কুষ্টিয়া জেলার অবস্থা ছিল ভয়াবহ। প্রকাশ্যে গুলি করে পাখির মত মানুষ হত্যা ছিল নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা। এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ ছিল চরম আতংকে। চরমপন্থী সংগঠনের কাছে প্রশাসনও যেন অসহায় হয়ে পড়েছিল।

১৯৯৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারী কুষ্টিয়া দৌলতপুরের কালিদাসপুরে ঘটে যায় এক মর্মান্তিক ঘটনা।  চরমপন্থীরা  প্রকাশ্য জনসভায় গুলি করে হত্যা করে জাসদ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা কাজী আরেফ আহমেদসহ ৫  নেতাকে। এ ঘটনা পর সরকার চরমপন্থীদের নির্মূলে কঠোর অবস্থান গ্রহন করে। কৌশল হিসেবে তার আগে নিষিদ্ধ ঘোষিত দল গুলোকে আত্মসমর্পণ করার সুযোগ দিয়ে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে। প্রথমে যশোরে পরে কুষ্টিয়াতে চরমপন্থীদের আত্মসমর্থন করার ব্যবস্থা করা হয়।

---১৯৯৯ সালের  ২৩ জুলাই, কুষ্টিয়া ষ্টেডিয়ামে  বিশাল আয়োজন। আসছেন স্বরাষ্টমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তার হাতে অস্ত্র সমর্পণ করবেন ফাঁসির আসামী গণবাহিনী প্রধান কসাই সিরাজ,তার দুই সেকেন্ড ইন কমান্ড ঝাউদিয়ার আজিবর মেম্বর ( পরে চেয়ারম্যান) ও  আব্দালপুর ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের আইনাল হক আনু সহ শতাধিক ক্যাডার।
আমি তখন দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকার কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি আর রবিউল হক খান দৈনিক আন্দোলনের বাজার পত্রিকার সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার । সংবাদ সংগ্রহের জন্য আমরা গেলাম ষ্টেডিয়ামে। ইলাহী কারখানা । কোন জনসভায়ও এত মানুষ দেখা যায় না। ষ্টেডিয়াম কানাই কানাই পূর্ণ, লোকেলোকারণ্য।
তিনস্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরী করেছে পুলিশ । নিছিদ্র নিরাপত্তা যাকে বলে ।
দুপুর সাড়ে ১২টা । স্বরাষ্টমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম উঠলেন ষ্টেজে । তার সাথে সাদা পাঞ্জাবী পাজামা পরা ছিপছিপে গঠণের মানুষ । আওয়ামীলীগ নেতা । নাম তাঁর মাহবুব উল আলম হানিফ। পাশে কুষ্টিয়ার সাবেক পুলিশ  সুপার অতিরিক্ত আইজিপি আব্দুর রহিম বিপিএম।
কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ষ্টেডিয়ামে আনা হলো  গণ-বাহিনীর প্রধান কসাই সিরাজ ,তার দুই সেকেন্ড ইন কমান্ড আজিবর মেম্বর ও আইনাল হক আনুসহ শতাধিক স্বশস্ত্র ক্যাডারকে। তাদের আত্মসমর্পনের পর বক্তৃতার পালা । স্বরাষ্টমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের উৎফুল্ল বক্তৃতার মধ্যে বেরিয়ে এলো সেই মানুষটির নাম যিনি কুষ্টিয়া জেলার ২০ লক্ষ চরম আতংকিত মানুষের বন্ধু হয়ে পাশে  দাঁড়িয়ে ছিলেন । যিনি চরমপন্থীদের অন্ধকারের পথ ছেড়ে আলোর পথে আসার রাস্তা করে দিয়ে ছিলেন ।  তিনি আর কেউ নন,আজকের জননন্দিত নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ। হয়তো সে কথা আমরা অনেকেই ভুলে গেছি । স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ইংগিত দিয়েছিলেন ভেড়ামারার কৃতিসন্তান  মাহবুব উল আলম হানিফ একদিন কুষ্টিয়াবাসীর নয়নের মণি হয়ে থাকবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সে দিনের বক্তব্যই অনেকেই বুঝে নিয়ে ছিল জেলার মানুষের প্রতি মাহবুব উল আলম হানিফের দরদ কতটা থাকলে ওই সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি একদিকে চরমপন্থীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিলেন । অপরদিকে জেলার ২০ লক্ষ মানুষের  শান্তিতে বসবাস করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন । কুষ্টিয়াতে তখনও অনেক নেতায় ছিলেন কিন্তু কেউ এই দু:সাহসিক কাজে এগিয়ে আসেননি।
তিনি ভেড়ামারার সন্তান ।  মিরপুর ও ভেড়ামারা দুই উপজেলা নিয়ে নির্বাচনী আসন -২। তিনি তার ওই আসনে যেমন জনপ্রিয় তেমন কুষ্টিয়া সদর নির্বাচনী আসন-৩ এও সমান জনপ্রিয় । হয়তো ভাববেন এটা কি ভাবে সম্ভব ?   তার চেহারা দেখে নয় । তার কথা আর কাজের মিল দেখেই সকলে মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসে। যে কারণে বিএনপি’র ঘাঁটি কুষ্টিয়া সদর আসনে আজ বিএনপি অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। মাহবুব উল আলম হানিফের রাজনৈতিক কৌশলের কাছে বিএনপি’র রাজনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। তাই সদরের অনেক ইউনিয়নের শতশত বিএনপির নেতাকর্মীরা মাহবুব উল হানিফের হাতে পুস্পস্তবক দিয়ে যোগদান করেছে আওয়ামীলীগে। এ প্রক্রিয়া অব্যহত আছে।

সদ্য বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগদান করা বটতৈল ইউনিয়নের নাম না প্রকাশ করার শর্তে এক নেতা বলেন, মাহবুব উল আলম হানিফ ভাই কুষ্টিয়া সদরে এমপি হওয়ার পর এখানে বিএনপি কিন্বা অন্য কোন দলের রাজনীতি এখন অচল।  তিনি বলেন বিএনপি’র সাবেক এমপি ভোট এগিয়ে আসলেই আমাদের বলতেন তোমরা সকলে বটতৈল বাসষ্ট্যান্ডে চলে আসো আজ বাইপাস সড়ক উদ্ধোধন করা হবে। ওই নেতার নেতৃত্বে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী নাজমূল হুদাও এসে বাইপাস সড়ক উদ্ধোধন করেছিলেন কিন্তু বিএনপি’র ২টি আমলে বাইপাস সড়ক হয়নি । নির্বাচিত হওয়ার পর তা তারা বেমালুম ভুলে গেছে। হানিফ ভাই বটতৈলের জনসভায় বলেছিলেন তিনি এমপি হলে বাইপাস সড়ক হবে। তিনি মিথ্যা আশ্বাস দেননি । বাইপাস সড়কের কাজ শুরু হয়ে গেছে। হানিফ ভাই এর ব্যবহারেও আমরা মুগ্ধ।
আমরা বুঝেছি বিএনপি’র নেতারা শুধু ভোটের জন্য রাজনীতি করে জনগণের কল্যাণের জন্য নয় । তাই আমরা হানিফ ভাই এর হাতকে শক্তিশালী করার জন্য বিএনপি ছেড়ে আওয়ামীলীগে যোগ দিয়েছি। আমরা এখন জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে দাবী জানাবো হানিফ ভাইকে মন্ত্রী বানালে কুষ্টিয়াবাসীর যেমন কল্যাণ হবে তেমন বিএনপি’র রাজনীতি করা লোক খুজে পাওয়া যাবে না।
কুষ্টিয়া সদরবাসী শুধু নয় কুষ্টিয়া জেলার মানুষের আশা-ভরসা ও আস্থার জায়গা একটিই তা হলো মাহবুব উল আলম হানিফ।

 

এ প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে যেয়ে দলমত নির্বিশেষে সকলেই একই কথা বলেছেন যে আমরা এতদিন ছিলাম অভিভাবকহীন । এখন আমরা অভিভাবক পেয়েছি । আমরা চ্য়া জননেত্রী তাকে মন্ত্রীত্ব দিয়ে আরো বেশী কাজ করার সুযোগ দিক।
গণ-মানুষের সাথে আলাপ করতে যেয়ে যে বিষয়টি বেরিয়ে এসেছে সেটি হলো কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ। ১৯৭৮ সালে কুষ্টিয়া কালিশংকরপুর মৌজায় যার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দুই দু’র নির্বাচনে নির্বাচনী জনসভায় খালেদা জিয়া ঘোষণা দিয়েছিলেন বিএনপি ক্ষমতায় আসলে কুষ্টিয়ায় মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করবেন। কিন্তু না । তিনি তার কথা রাখেন নি। মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে শুধু ভোট নিয়ে ছিলেন ধানের শীষে । জননেত্রী শেখ হাসিনা ব্যতিক্রম । তিনি নির্দেশনা দিয়ে জননেতা হানিফের মাধ্যমে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ চালু করেছেন। জানাগেছে এ বছরে থেকেই মেডিকেল কলেজের সাথে চালু হবে হাসপাতালও । যে কারণে মানুষ ভুলে গেছে বিএনপি’র কথা ।
হরিপুর সংযোগ সেতু । তিন বার  ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছেন বিএনপি’র সাবেক এমপি অধ্যক্ষ সোহবার উদ্দিন। তিনি একটি ইটও গাড়তে পারেননি। ভোটের আগে তিনি ওই ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করতেন । মনের কষ্টে হরিপুরবাসী জননেতা মাহবুব উল হানিফকে নিয়ে যান হরিপুরে । তিনি কথা দিয়েছিলেন হরিপুর সংযোগ সেতু হবে। ২০১৭ সালের ২৪ শে মার্চ মাসে হরিপুরবাসী সেতু  উদ্বোধন করেন এলজিআরডি মন্ত্রী ইঞ্জি : মোশারফ হোসেন । সাথে ছিলেন জননন্দিত নেতা কুষ্টিয়ার উন্নয়নের রূপকার মাহবুব আলম হানিফ।
বিএনপি’র ভোট ব্যাংক হরিপুরে এখন বিএনপি’র পক্ষে ভোট চাওয়া লোকের বড় অভাব। তারা বুঝে ফেলেছে বিএনপি’র চালাকি। হরিপুরবাসী বিএনপি থেকে অনেকটা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে । একটি গ্রামে প্রায় লক্ষাধিক মানুষের মুখে মুখে জননেত্রী শেখ হাসিনা ও মাহাবুব উল আলম হানিফের নাম । তারা মন্ত্রী হিসেবে পেতে চায় তাদের প্রাণ প্রিয় নেতাকে। তারা নিশ্চিৎ কুষ্টিয়া জেলার কাংখিত উন্নয়ন হানিফের মত নেতার পক্ষেই সম্ভব ।

জননেতা মাহবুব উল আলম হানিফের উন্নয়ন কর্মকান্ডের নিবেদিত প্রাণ কর্মী কুষ্টিয়া জেলাপরিষদের চেয়ারম্যান হাজী রবিউল ইসলাম বলেন,দেশ স্বাধীন হওয়ার পর অনেকেই নেতা ছিলেন কিন্তু কুষ্টিয়ার উন্নয়নে জননেতা মাহবুব উল হানিফের মত এত আন্তরিক নেতা আর কখনো দেখা যায় নি। তার উন্নয়ন কর্মকান্ডের একজন কর্মী হতে পেরে আমি নিজেকে ধণ্য মনে করছি। তিনি মন্ত্রী হলে এ অঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে। এ ছাড়া কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামীলীগের ঘাটিতে পরিনত হবে।

কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, খোকসা উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সদর উদ্দিন খান বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর কুষ্টিয়ার ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। কুষ্টিয়ার দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান সকল উন্নয়নই হয়েছে জননেতা হানিফ ভাই’র হাত দিয়ে । যে কারণে
তিনি আজ কুষ্টিয়া জেলাবাসীর কাছে  সব চেয়ে জনপ্রিয় নেতা। তাই আমরা চাই হানিফ ভাই গুরুত্ব পূর্ণ একটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। তা হলে কুষ্টিয়াবাসী কাংখিত উন্নয়ন হবে। আর এর মাধ্যমে বিরোধী দলের রাজনীতি অস্তিত্বহীন হয়ে পড়বে। গোপালগঞ্জের মত কুষ্টিয়াও হবে আওয়ামীলীগের ঘাঁটি।

জননেতা মাহাবুব উল আলম হানিফের উন্নয়ন কর্মকান্ডের সারথী মাঠে খাটা নেতা কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা আজগর আলীর সাথে জনগণের অভিপ্রায় নিয়ে কথা হলো । তিনি বলেন আমাদের নেতা এক তুলনাহীন মানুষ । কুষ্টিয়া জেলাবাসীর কাংখিত দাবী তিনি মন্ত্রীত্ব লাভ করুক এ দাবীর সাথে আমরাও একমত। আমরা জেলার হাজার হাজার নেতা-কর্মী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে বিনীত অনুরোধ জানাবো কুষ্টিয়ার ৬ উপজেলাতে যদি আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক  ঘাঁটি তৈরী করতে হয় তা হলে মাহবুব উল হানিফকে অব্যশই মন্ত্রীত্ব দিতে হবে। তা হলে আমরা জননেত্রীকে আবারও ৪টি আসন উপহার দিতে পারবো। তিনি বলেন কুষ্টিয়ার উন্নয়ন মানেই জননেত্রী শেখ হাসিনা,কুষ্টিয়ার উন্নয়ন মানেই মাহবুব উল আলম হানিফ।

অত্যন্ত সত্যকথা মাহবুব উল আলম হানিফকে বাদ দিয়ে কুষ্টিয়ার উন্নয়নের ইতিহাস লেখার সাধ্য কারো নেই। কুষ্টিয়াবাসীর সেন্টিমেন্টের সাথে একমত হয়ে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানাবো, যে নেতা সরকারে দুর্দিনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিরোধী দলের জ্বালাও পোড়াও রাজনীতির বিরুদ্ধে অকুতোভয় সৈনিকের মত কাজ করেছেন তার মূল্যায়ন হোক, তাকে মন্ত্রীত্ব দেয়া হোক এই প্রত্যাশা করি।


ছোট পর্দার ঈদ অনুষ্ঠান বিনোদন

বাংলাদেশ আবার জেগে উঠেছে: প্রধানমন্ত্রী


পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
সংসদ অধিবেশন সমাপ্ত
আ.লীগ আবার ক্ষমতায় আসবে : প্রধানমন্ত্রী
সম্মেলনে ৯০ দেশের ৫০০ আলেম-চিন্তাবিদ : জেগে উঠেছে মুসলিম বিশ্ব
কুষ্টিয়ায় লক্ষী রানী ৯ লক্ষ টাকাসহ নিখোঁজ
লাখ টাকা আয়, আছে কোটি টাকার ২ ফ্ল্যাট, তবুও প্রধান পেশা ভিক্ষা!
নারী সৈনিকদের ধর্ষণ যে দেশে নিয়মিত ঘটনা !
‘আশিক বনায়া আপনে’র এই নায়িকার এখন দিন কাঁটছে আশ্রমে
স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা দাবি, পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার
সেনানিবাসে সেনা কর্মকর্তার মেয়েকে ধর্ষণ : কর্নেল গ্রেপ্তার
সৌদিতে আকস্মিক বন্যায় তিন জনের মৃত্যু
মুখ দেখে মনোনয়ন দেবো না, যারা এমপি আছে- তারাই যে মনোনয়ন পাবে, এমন না: প্রধানমন্ত্রী
কি পেলাম কি পেলাম না সেই হিসাব মেলাতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী
‘স্টেজই শিল্পীদের আসল জায়গা’
নতুন চলচ্চিত্র ‘চল পালাই’ নিয়ে তমা মির্জা
শৈলকুপায় আবারো এক রাতে চার হিন্দু বাড়িতে দূর্ধর্ষ গণ ডাকাতি
যুদ্ধ বাধলে ইসরাইলকে মুুছে ফেলার হুঙ্কার ইরানের
শেরপুর বাংলার রাম রহিম : দরজা বন্ধ করেই চলে নারীদের থেরাপি!
আ’লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদিকাকে কুপিয়ে হত্যা
ইরানের পক্ষে ইউরোপের সব দেশ
মসজিদে নববীতে ইহুদি প্রবেশের অনুমতি দিলো সৌদি